রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «  

খালেদার উপস্থিতিতে প্রাণ পেল ফিরোজা!



12. firozaনিউজ ডেস্ক::
অনির্দিষ্টকালের অবরোধ ডেকে কার্যালয়ে অবস্থান করা বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া অবশেষে ৯২ দিন পর নিজের বাসা ‘ফিরোজা’য় ফিরেছেন। রোববার বকশীবাজারের অস্থায়ী আদালতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় শুনানি শেষে বেলা ১১টা ৪৭ মিনিটে আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন। দুই মামলায় জামিন পেয়ে দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে খালেদা জিয়া তার গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় প্রবেশ করেন।

খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে দীর্ঘদিন পর নীরবতা ভেঙে যেন জেগে উঠেছে গুলশান-২-এর ৭৯ নম্বর রোডের প্রথম এই বাড়িটি। গত ৩ জানুয়ারি কার্যালয়ে অবস্থান করা খালেদা জিয়ার শূন্যতায় যে বাড়িটি ছিল নিঃসঙ্গ, তার প্রত্যাবর্তনে প্রাণ ফিরে পেয়েছে ‘ফিরোজা’ নামের এই বাড়িটি।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বর্ষপূর্তির দিন (৫ জানুয়ারি) ‘গণতন্ত্র হত্যা’ দিবসের কর্মসূচি ঘোষণার পর গত ৩ জানুয়ারি থেকে গুলশানের কার্যালয়ে গেলে সেখানে ‘অবরুদ্ধ’ হয়ে পড়েন খালেদা জিয়া। এদিন রাতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অসুস্থ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে দেখার উদ্দেশ্যে বের হতে চাইলে পুলিশি বেষ্টনীতে বের হতে পারেননি তিনি। এর দুদিন পর গত ৫ জানুয়ারি কার্যালয় থেকে বের হতে চেয়ে দ্বিতীয় দফায় পুলিশি বাধার মুখে কার্যালয়ের ভেতর থেকেই সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ডাক দেন বিএনপির চেয়ারপারসন, যা এখনো চলছে।

বিএনপি নেত্রীর কার্যালয়ে অবস্থান করার কয়েক দিনের মাথায় ওই কার্যালয় থেকে পুলিশি ব্যারিকেড সরানো হলেও ‘আন্দোলনের স্বার্থে’ তিন মাস ধরে সেখানেই ছিলেন তিনি। এ জন্য গত ২৭ জানুয়ারি ছোট ছেলে আরাফাত রহমানের লাশ কার্যালয়ে এলে তাকে সেখান থেকেই বিদায় দেন বিএনপির প্রধান, কিন্তু কার্যালয় ছাড়েননি। এর ধারাবাহিকতায় বিশ্ব ইজতেমার মোনাজাতে অংশ নিতে তুরাগতীরে যাননি। এ ছাড়া একুশে ফেব্রুয়ারি ও স্বাধীনতা দিবসেও শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনার ও জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাননি বিএনপির প্রধান।

দীর্ঘ সময় খালেদা জিয়া তার বাসা ছেড়ে রাজনৈতিক কার্যালয়ে অবস্থান করায় গত ১ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাড়িটির নিরাপত্তায় দায়িত্বরত পুলিশ সরিয়ে নেওয়া হয়। খালেদা জিয়া বাসা থেকে বের হওয়ার পর বিএনপির প্রধানের কর্মচারী ছাড়া আর কেউ ওই বাসায় যাননি। তবে তার (খালেদা জিয়া) ছোট ভাইয়ের স্ত্রী কয়েক দফা বাসায় এসেছিলেন। এ ছাড়া বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমানের স্ত্রী ও মেয়েরা ওই বাড়িটিতে গিয়েছিলেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাজিরা দিতে রোববার সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে ঢাকার বিশেষ জজ আদালতের উদ্দেশে রওনা দেন খালেদা জিয়া। দৃশ্যত এর মাধ্যমে ৯২ দির পর কার্যালয়ের বাইরে এলেন তিনি। আদালত থেকে সরাসরি তিনি তার বাসায় যান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: