বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৪ কার্তিক ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «  

ক্লিনিকে ডাক্তার নেই, ফিরে যাচ্ছেন রোগীরা



গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় অর্ধশত ক্লিনিক রয়েছে। কিন্ত করোনাভাইরাস নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে সেগুলোতে আসছেন না ডাক্তার। ফলে রোগীরা যেমন চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, তেমনি বিপাকে পড়েছেন এসব বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

কালিয়াকৈর এলাকার শুভেচ্ছা ক্লিনিক, রাবেয়া-সখিনা ক্লিনিক, সফিপুর এলাকার তানহা হেলথ কেয়ার, মর্ডান হাসপাতালসহ ক্লিনিকগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিন ঢাকা থেকে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা এখানে আসতেন রোগী দেখতে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে তাদের কেউই আসছেন না। এতে রোগীরা ফিরে যাচ্ছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নানাভাবে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন চিকিৎসক আনতে।

কালিয়াকৈর সাহেববাজার এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মজিদ মিয়া বলেন, আমার এক আত্মীয়কে সিজার করানোর জন্য আজহার হালিমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কোন চিকিৎসক না থাকায় পরে শুভেচ্ছা ক্লিনিকে নেয়া হয়। কিন্তু সেখানেও রোগী ভর্তি করা হয়নি। সবশেষে রোগীকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কালিয়াকৈর শুভেচ্ছা ক্লিনিক এন্ড ডায়গনষ্টিক সেন্টারের পরিচালক কাকন বলেন, করোনার কারণে ডাক্তারদের ফোন করে হাসপাতালে আনা যাচ্ছেনা। ডাক্তার না আসলে আমরা রোগীগের চিকিৎসা দিব কিভাবে। এতে আমাদের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।

রাবেয়া সখিনা ক্লিনিকের ম্যানেজার দেলোয়ার হোসেন সুজন বলেন, ডাক্তার আসেনা ভাই। রোগীরা ফিরে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিলেও ডাক্তারদের সাড়া পাচ্ছি না।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. প্রবীর কুমার সরকার বলেন, প্রত্যেক প্রাইভেট হাসপাতালে একজন করে আবাসিক ডাক্তার থাকার কথা। করোনা পরিস্থিতিতে তারাই রোগী দেখতে পারেন। এক্ষেত্রে যদি কেউ আবাসিক ডাক্তার না রাখেন, তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সূত্র : কালের কণ্ঠ

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: