রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের মোবাইলে পর্নো ভিডিও!  » «   বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভেরনো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  » «   স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘গণহত্যা দিবস-২০২১’ পালিত  » «   নিকাব ছেড়ে পশ্চিমা পোশাকে ব্রিটেন ফেরার লড়াইয়ে শামীমা(ভিডিও)  » «   হারুন আর রশিদের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক তৃতীয়বারের মত ইজিএন সচিব নির্বাচিত  » «   মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী`র মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ফিনল্যান্ডের শোক  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক আন্তর্জাতিক `এইজে´র কমিটি সদস্য নির্বাচিত  » «   ফিনল্যান্ডে মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন  » «   দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «  

ক্লিনিকে ডাক্তার নেই, ফিরে যাচ্ছেন রোগীরা



গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় অর্ধশত ক্লিনিক রয়েছে। কিন্ত করোনাভাইরাস নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে সেগুলোতে আসছেন না ডাক্তার। ফলে রোগীরা যেমন চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, তেমনি বিপাকে পড়েছেন এসব বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

কালিয়াকৈর এলাকার শুভেচ্ছা ক্লিনিক, রাবেয়া-সখিনা ক্লিনিক, সফিপুর এলাকার তানহা হেলথ কেয়ার, মর্ডান হাসপাতালসহ ক্লিনিকগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিন ঢাকা থেকে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা এখানে আসতেন রোগী দেখতে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে তাদের কেউই আসছেন না। এতে রোগীরা ফিরে যাচ্ছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নানাভাবে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন চিকিৎসক আনতে।

কালিয়াকৈর সাহেববাজার এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মজিদ মিয়া বলেন, আমার এক আত্মীয়কে সিজার করানোর জন্য আজহার হালিমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কোন চিকিৎসক না থাকায় পরে শুভেচ্ছা ক্লিনিকে নেয়া হয়। কিন্তু সেখানেও রোগী ভর্তি করা হয়নি। সবশেষে রোগীকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কালিয়াকৈর শুভেচ্ছা ক্লিনিক এন্ড ডায়গনষ্টিক সেন্টারের পরিচালক কাকন বলেন, করোনার কারণে ডাক্তারদের ফোন করে হাসপাতালে আনা যাচ্ছেনা। ডাক্তার না আসলে আমরা রোগীগের চিকিৎসা দিব কিভাবে। এতে আমাদের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।

রাবেয়া সখিনা ক্লিনিকের ম্যানেজার দেলোয়ার হোসেন সুজন বলেন, ডাক্তার আসেনা ভাই। রোগীরা ফিরে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিলেও ডাক্তারদের সাড়া পাচ্ছি না।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. প্রবীর কুমার সরকার বলেন, প্রত্যেক প্রাইভেট হাসপাতালে একজন করে আবাসিক ডাক্তার থাকার কথা। করোনা পরিস্থিতিতে তারাই রোগী দেখতে পারেন। এক্ষেত্রে যদি কেউ আবাসিক ডাক্তার না রাখেন, তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সূত্র : কালের কণ্ঠ

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: