সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «   ফ্রান্সে টানা চতুর্থদিন মৃত্যুর রেকর্ড, ৪ হাজার ছাড়াল প্রাণহানি  » «   সিঙ্গাপুরে আরও ১০ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত  » «   মিশিগানের হাসপাতালে আর রোগী রাখার জায়গা নেই  » «   ৩ হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু  » «  

কোন যুক্তিতে বাবার “মৃত্যুদণ্ড’র রায়” প্রশ্ন মুজাহিদ পুত্রের



full_1226897140_1434428672নিউজ ডেস্ক :: জামায়াতের সেক্রেটারী জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ছোট ছেলে আলী মোহম্মাদ মাবরুর বলেছেন, ‘ আমার বাবার মামলায় আইনজীবীরা উচ্চ আদালতে বাবার পক্ষে ভালো পার পরমেন্স করেছেন,যুক্তি প্রদর্শন করেছেন। তাদের পারফরমেন্স ও কাজে আমি সন্তুষ্ট,খুশি।’
তিনি বলেন, বুদ্বিজীবীর কোন আত্নীয় স্বজন এবং কোনো ভিকটিম ট্রাইব্যুনালে এসে বলেনি যে আমার বাবা আলী আহসান মুহাম্মাদ মুজাহিদ এসব হত্যা কান্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলো। মাবরুর প্রশ্ন করে বলেন, কবে কোথায় আমার বাবা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিলো? মাবরুর বলেন, বাবা সত্তর সালের ডিসেম্বর মাসে ঢাকায় এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনে ভর্তি হন।তখন তার বয়স ছিলো ২৩ বছর।
বাবার সঙ্গে সর্বশেষ কবে সাক্ষাত করেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে মাবরুর বলেন, আজ থেকে প্রায় সাত দিন আগে আমিসহ পরিবারের সবাই স্বাক্ষাত করে এসেছি। তিনি বাবা ভালো আছেন, সুস্থ্য আছেন।’
মঙ্গলবার আপিল বিভাগ চূড়ান্ত রায়ে মুজাহিদের ফাঁসি বহাল রাখার পর তার ছেলে মাবরুর এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
সকালে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ মুজাহিদের ফাঁসি বহাল রাখেন। আপিল বেঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি মো. ইমান আলী।
২০১৩ সালের ১৭ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মুজাহিদকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দেন। তখন তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাতটির মধ্যে পাঁচটি অভিযোগ প্রমাণিত হয়।
হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হলে আপিল বিভাগ আজ ফাঁসি বহাল রাখার আদেশ দেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: