মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ২৮ বৈশাখ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের মোবাইলে পর্নো ভিডিও!  » «   বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভেরনো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  » «   স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘গণহত্যা দিবস-২০২১’ পালিত  » «   নিকাব ছেড়ে পশ্চিমা পোশাকে ব্রিটেন ফেরার লড়াইয়ে শামীমা(ভিডিও)  » «   হারুন আর রশিদের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক তৃতীয়বারের মত ইজিএন সচিব নির্বাচিত  » «   মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী`র মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ফিনল্যান্ডের শোক  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক আন্তর্জাতিক `এইজে´র কমিটি সদস্য নির্বাচিত  » «   ফিনল্যান্ডে মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন  » «   দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «  

কে হচ্ছেন ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী, জনসন না হান্ট?



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণা এখন কেবল সময়ের ব্যাপার। মঙ্গলবার আরো পরের দিকে থেরেসা মের উত্তারাধিকারীর নাম জানা যাবে। অনেকে মনে করছেন, ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী হয়ে ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে প্রবেশ করতে চলেছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন। তবে কিছু কিছু সংবাদমাধ্যম আবার দাবি করছে, বরিস জনসনের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া মুশকিল।

কনজ়ারভেটিভ পার্টির নেতা বাছাইয়ের জন্য ভোট পর্ব বন্ধ হয়েছে সোমবার। প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে দল থেকে অন্য যে নামটি বেশি শোনা যাচ্ছে তিনি বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্ট।

বরিস জনসন বা জেরেমি হান্ট, যারই নাম ঘোষণা হোক, ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী শপথ নেবেন আগামীকাল বুধবার। ওই দিনই থেরেসা মে আনুষ্ঠানিক ভাবে রানি দ্বিতীয় এলিজ়াবেথের কাছে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন। তার পরে ১০ ডাউনিং স্ট্রিট থেকে তিনি শেষ বারের জন্য বক্তৃতা দেবেন। নতুন প্রধানমন্ত্রী রানির সঙ্গে দেখা করবেন এবং তার পর তিনিও প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে প্রথম বক্তৃতা দেবেন।

প্রধানমন্ত্রীর পদে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে থেরেসা মে-কে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বরিস জনসনের সামনে রাস্তাটাও খুব মসৃণ হবে না। ইতিমধ্যেই শাসক দলেরই ফিলিপ হ্যামন্ড হুমকি দিয়েছেন, বরিস প্রধানমন্ত্রীর পদে এলে তিনি পদত্যাগ করবেন। হ্যামন্ডের দাবি, বরিসের ব্রেক্সিট নীতির সঙ্গে তিনি সহমত নন। একই ভাবে ইস্তফার কথা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী ডেভিড গোক।

চুক্তি হোক বা না হোক, ৩১ অক্টোবর ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ছেড়ে বেরিয়ে যাবে ব্রিটেন— বরিস এই নীতিরই পক্ষে। তিনি বলেছেন, যে করে হোক, ৩১ অক্টোবর ইইউ ছেড়ে বেরোতেই হবে ব্রিটেনকে। তবে জেরেমি হান্ট অবশ্য বলেছেন, ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া আরও পিছানোয় তার আপত্তি নেই। তিনি বেরিয়ে যাওয়ার জন্য নতুন চুক্তি তৈরিতেও পিছপা নন।

এর মধ্যে লেবার পার্টির প্রাক্তন দুই প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার এবং গর্ডন ব্রাউন জানিয়েছেন, ইইউ থেকে বেরনোর জন্য চুক্তিহীন ব্রেক্সিট অত্যন্ত বিপজ্জনক। তারা মনে করেন, কঠিন পরিস্থিতি থেকে ব্রিটেন আরও ভয়ঙ্কর জায়গায় পৌঁছবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: