বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৪ কার্তিক ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «  

কুষ্টিয়ায় হোম কোয়ারেন্টাইনে ৭১৩ প্রবাসী



কুষ্টিয়া জেলার ছয়টি উপজেলায় গত ১ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ১ এক হাজার ১৩৯ জন প্রবাসী দেশে ফিরেছেন। এদের মধ্যে ৭ মার্চ থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত আসা ৭১৩ জনকে সনাক্ত করে তাদেকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রেখেছে পুলিশ।

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল থেকে রবিবার মধ্যরাত পর্যন্ত এই ৭১৩ জনের বাড়ি সনাক্ত করেছে পুলিশ। সেই সাথে তাদের বাড়ির সামনে লাল নিশানা ঝুলিয়ে দেয়া হয়। বাড়ির ফটকের সামনে প্রবাসীর দেশে আসার তারিখও লিখে স্টিকার সেটে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রবাসীর হাতে সিল লাগানো হয়েছে।

পুলিশ বলছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো তালিকা জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় প্রত্যেক থানার ওসিরা স্থানীয় চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের নিয়ে কাজ করেছেন। শনিবার সকাল থেকে রোববার রাত দেড়টা পর্যন্ত প্রত্যেকের বাড়ি সনাক্ত করা হয়।

পুলিশ সূত্র জানায়, জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী এসেছে দৌলতপুর উপজেলায় ৩৯৮ জন ও ভেড়ামারা উপজেলায় ২৭০ জন। ইতালী, সিঙ্গাপুর, দুবাই, সৌদি আরব ও দক্ষিণ কোরিয়া প্রবাসী বেশি। তারা বাড়ি আসার পর কোয়ারেন্টাইন আইন না মেনে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াতে থাকে। তালিকা পাবার পর পুলিশ মাঠে জোড়াল অভিযান চালায়। কর্মসূচী নিয়ে গ্রামে গ্রামে গিয়ে বাড়ি চিহ্নিত করা হয়। চিহ্নিত বাড়ির প্রবাসীকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। ওই প্রবাসীর প্রতিবেশীদের মাধ্যমে তাদের গতিবিধি নজরে রাখা হচ্ছে। এছাড়া এলাকাবাসীদের নজরে রাখার জন্য বলা হয়েছে।

পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাত বলেন, প্রবাসীদের কড়া নজরে রাখা হয়েছে। তারা যাতে ঘরের বাইরে ১৪দিন বের না হতে পারে সে ব্যাপারে পুলিশ সজাগ রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত সবাই সুস্থ আছে। সিভিল সার্জনের সাথে যোগাযোগ করে ১৪ দিন হয়ে গেলে পর্যায়ক্রমে তাদের স্বাভাবিক জীবনে চলার অনুমতি দেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: