শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ আশ্বিন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «  

কান্নাজড়িত কণ্ঠে স্ত্রী-সন্তান হারানোর বর্ণনা দিলেন সুদেশ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: শ্রীলঙ্কায় ২১ এপ্রিলের ভয়াবহ সিরিজ বিস্ফোরণের একজন প্রত্যক্ষদর্শী অস্ট্রেলীয় নাগরিক সুদেশ কলোনি। সেদিনের ঘটনায় তিনি নিজে বেঁচে গেলেও প্রাণ হারান তার স্ত্রী-সন্তান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেদিনের হৃদয়বিদারক ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন সুদেশ কলোনি। সাক্ষাৎকারের মাঝেই এক পর্যায়ে অশ্রুসজল হয়ে পড়েন তিনি।

সেদিন স্ত্রী-কন্যাকে রেখে কিছু সময়ের জন্য সেন্ট সেবাস্টিয়ান গির্জার বাইরে গিয়েছিলেন সুদেশ। বিস্ফোরণের পর দ্রুত দৌড়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। কিন্তু ততক্ষণে তার স্ত্রী-কন্যা আর বেঁচে নেই। গির্জার মেঝেতে পড়ে রয়েছে তাদের নিথর দেহ।

সুদেশ কলোনি বলেন, বিস্ফোরণের পর ফিরে এসে দেখতে পাই মেয়ে গির্জার মেঝেতে পড়ে আছে। শুধু মেয়েকেই দেখছিলাম। তাকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু ততক্ষণে সে আর নেই। মেয়ের কাছেই পড়েছিল স্ত্রীর নিথর দেহ।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে সুদেশ কলোনি বলেন, গির্জায় সেদিনের আয়োজনে অংশ নিতে আগে থেকেই বেশ উচ্ছ্বসিত ছিলেন তার স্ত্রী-কন্যা। তার ভাষায়, ‘আমার সামনেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।’

সিএনএন-কে কন্যার একটি ভিডিও দেখান সুদেশ। সেখানে বড় একটি গিটার বাজাতে বাজাতে বাবার সঙ্গে গান করছিল সে। সুদেশের ভাষায়, ‘আমরা আসলেই একটি চমৎকার পরিবার ছিলাম। বিশেষ করে আমার মেয়েটি। এখন তারা চলে গেছে। এটা খুবই কঠিন।’

২১ এপ্রিল শ্রীলঙ্কার তিন গির্জা ও তিন হোটেলসহ আটটি স্থানে চালানো ওই সিরিজ বিস্ফোরণে নিহত হন ৩৫৯ জন।আহত হয়েছেন প্রায় ৫০০ জন।হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস।তবে নিজেদের দাবির স্বপক্ষে কোনও প্রমাণ দেখাতে পারেনি তারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: