রবিবার, ৭ জুন ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «   ফ্রান্সে টানা চতুর্থদিন মৃত্যুর রেকর্ড, ৪ হাজার ছাড়াল প্রাণহানি  » «   সিঙ্গাপুরে আরও ১০ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত  » «   মিশিগানের হাসপাতালে আর রোগী রাখার জায়গা নেই  » «   ৩ হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু  » «  

এবার আরেক ভিসির অডিও ফাঁস



নিউজ ডেস্ক:: এবার গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য খোন্দকার নাসির উদ্দিনের অডিও ফাঁস হয়েছে। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনিয়া নামের এক শিক্ষার্থীর সাথে ভিসির অশোভন ভাষায় কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।

ওই অডিওতে শোনা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জিনিয়াকে নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে গিয়ে উপাচার্য খোন্দকার নাসির উদ্দিন রূঢ় ভাসায় ভর্ৎসনা করছেন। তিনি বলছেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কী?… ফাজিল কোথাকার…বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কী তুমি জানো না? বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ তোমাদের মতো বেয়াদব তৈরি করা। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কী তোর আব্বার কাছে শুনিস। গেছে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনোদিন? আমি খুলছি বলেই তো তোর চান্স হইছে। না হলে তো তুই রাস্তা দিয়া ঘুরে বেড়াতি। বেয়াদব ছেলে-মেয়ে।’

উপাচার্যের ফেসবুক আইডি হ্যাক করার হুমকির অভিযোগ তুলে এই শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কারও করা হয়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেইলি সান পত্রিকার প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করছিলেন জিনিয়া।শিক্ষার্থীর যে স্ট্যাটাসটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে ক্ষুব্ধ করে তোলে উপাচার্যের সঙ্গে ওই শিক্ষার্থীর কথোপকথনের ওই অডিও সত্য বলে স্বীকার করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আশীকুজ্জামান ভূইয়া।

তিনি বলেন, জিনিয়াকে এই কথোপকথনের পরে নয়, আগেই নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বহিষ্কার করা হয়েছে। ওই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে কী কী পরিকল্পনা করছিল এবং আইডি হ্যাক করে শিক্ষক ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছিল, এমন অভিযোগও তোলা হয়েছে সে সময়। ওই শিক্ষার্থীর এক বন্ধু সিএসসি বিভাগের আরেক ছাত্রের কম্পিউটার থেকে প্রশাসনের হাতে কিছু মেসেজ এসেছে উল্লেখ করে প্রক্টর সেগুলো প্রতিবেদককে পড়ে শোনান। তিনি নিশ্চিত করেন, এসব অভিযোগের ভিত্তিতে ওই শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ভিসি একটা কথা বললেন সেটাই দেখলেন আর যে কাজগুলো এই মেয়ে করলো সেটা দেখবেন না? শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছি তখনই, যখন জেনেছি ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে। এগুলো যখন সামনে এসেছে তখনই এটা করেছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জিনিয়া বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যুরাল নিয়ে একটি রিপোর্ট করার কারণেই মূলত আমার প্রতি এরকম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। আমার প্রাথমিক সোর্স যিনি ছিলেন তিনি ৩০ আগস্ট একটি তথ্য দেন আমাকে এবং ফেসবুকে পোস্ট দেন। এরপর প্রশাসনের লোকজন তাকে তুলে নিয়ে যায় এবং মারধর করে তার ল্যাপটপ থেকে আমাদের কিছু কথোপকথনের রেকর্ড পায়। সেই কথোপকথন থেকে তারা জানতে পারে আমার কাছে আরও তথ্য আছে। ফলে আমার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য খোন্দকার নাসির উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। শেষবারের ফোন কল তিনি কেটে দিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: