শনিবার, ৬ জুন ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «   ফ্রান্সে টানা চতুর্থদিন মৃত্যুর রেকর্ড, ৪ হাজার ছাড়াল প্রাণহানি  » «   সিঙ্গাপুরে আরও ১০ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত  » «   মিশিগানের হাসপাতালে আর রোগী রাখার জায়গা নেই  » «   ৩ হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু  » «  

ই-পাসপোর্ট ও এমআরপির কার্যক্রম স্থগিত



করোনাভাইরাসের বিস্তাররোধে জনসমাগমে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রেক্ষাপটে ই-পাসপোর্ট ও মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) বায়োমেট্রিক কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

গত রোববার (২২ মার্চ) থেকে এই কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ বিষয়টি এ প্রতিবেদ্ককে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ই-পাসপোর্ট ও এমআরপি কার্যক্রমে ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিডারে বারবার আঙ্গুল দিতে হয়, সেখানে হ্যান্ডস গ্লাভস নয়, সরাসরি হাত দিয়ে কাজ করতে হয়। যেটা অনেকটা ঝুঁকিপূর্ণ মনে হচ্ছে। তাছাড়া ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিডার বারবার মুছতেও হয়। এতে যেমন করোনার ঝুঁকি রয়েছে, তেমনি ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিডার নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এসব কিছু বিবেচনায় রেখেই এমআরপি বায়োমেট্রিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বায়োমেট্রিক কার্যক্রম আবারও শুরু হবে।

মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ জানান, বায়োমেট্রিক নেয়া বন্ধ থাকলেও ই-পাসপোর্টের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে। তবে বায়োমেট্রিকের জন্য অ্যাপয়েনমেন্ট পেতে সময় লেগে যাবে।

গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের উহানে প্রথম শনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাস এখন বৈশ্বিক মহামারি। এতে সারাবিশ্বে এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ১৪ হাজার ৬৯৮ জন। এছাড়া চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন প্রায় ৯৯ হাজার ১৩ জন।

বাংলাদেশে এ ভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয়েছে গত ৮ মার্চ। এরপর দিন দিন এ ভাইরাসে সংক্রমণের সংখ্যা বেড়েছে। সবশেষ সরকারি হিসাবে, দেশে এখন পর্যন্ত ২৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন, মারা গেছেন দুজন।

করোনার বিস্তাররোধে এরই মধ্যে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে সভা-সমাবেশ ও গণজমায়েতের ওপর। চারটি দেশ ও অঞ্চল ছাড়া সব দেশ থেকেই যাত্রী আসা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। মুলতবি করা হয়েছে জামিন ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি ছাড়া নিম্ন আদালতের বিচারিক কাজ। এমনকি মাদারীপুরের শিবচর উপজেলাকে লকডাউনও ঘোষণা করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: