বুধবার, ৩ জুন ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «   ফ্রান্সে টানা চতুর্থদিন মৃত্যুর রেকর্ড, ৪ হাজার ছাড়াল প্রাণহানি  » «   সিঙ্গাপুরে আরও ১০ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত  » «   মিশিগানের হাসপাতালে আর রোগী রাখার জায়গা নেই  » «   ৩ হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু  » «  

ইউরোপ করোনামুক্ত হতে লাগবে ২ বছর



ইউরোপের প্রায় প্রতিটি দেশ এখন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। শুধু তাই নয়,এটি এখন মহামারি আকারেই ছড়িয়েছে। ইতালিতে মৃতের সংখ্যা চীনকে ছাড়িয়ে গেছে। স্পেনেও আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে মৃত্যু ও আক্রান্তের হার। ফ্রান্স, জামার্নি ও পর্তুগালের অবস্থাও একই।

ইউরোপকে কমপক্ষে আরও দুই বছর এই ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করতে হতে পারে বলে জানিয়েছেন চীনের বিশেষজ্ঞ ঝাং ওয়েনহং।

গতকাল রোববার সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঝাং চীনের কোভিড-১৯ ক্লিনিকাল বিশেষজ্ঞ দলের প্রধান। জার্মানির চীনা কনস্যুলেটে আয়োজিত ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন।

ঝাং ওয়েনহং বলেন, ভাইরাস আসবে, আবার চলেও যাবে। তবে ইউরোপ পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে দুই বছরের বেশি সময় লাগতে পারে।

তিনি আরও বলেন, কম সময়ে এর সমাধান করতে হলে চীনের মতো অনেক কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। চীন নববর্ষের ছুটি বাড়িয়ে শহরগুলো বন্ধ করে দিয়েছিল। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সবকিছুই বন্ধ ছিল চীনে।

যদি সারা বিশ্বকে চার সপ্তাহের জন্য বন্ধ রাখা সম্ভব হয়, তাহলে এই মহামারী বন্ধ করা যাবে। কিন্তু সারা বিশ্ব বন্ধ রাখার বিষয়টি আমি কল্পনাও করতে পারি না। এমনকি জার্মানি বা ইউরোপও নয়, যোগ করেন চীনের এই বিশেষজ্ঞ।

ঝাং ওয়েনহং জানান, উত্তর ইতালির মতো ইউরোপের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলো ইতিমধ্যে লকডাউন, কারফিউ এবং স্কুল বন্ধের মতো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে, বিশ্বব্যাপী একযোগে উদ্যোগ নিতে হবে। না হলে যেসব দেশ এখন কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে তাদের আবারও সংক্রমণের ঝুঁকিতে থাকতে হবে।

চীনের কোভিড-১৯ ক্লিনিকাল বিশেষজ্ঞ দলের প্রধান আরও বলেন, অনেক দেশের সরকার এখন সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এটা ভালো একটি লক্ষণ। যখন সবাই একসঙ্গে আরও জোরদার উদ্যোগ নিবে, তখন এই মহামারিও নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: