শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «  

আড়াই লাখ রোহিঙ্গাকে পরিচয়পত্র দিয়েছে জাতিসংঘ



নিউজ ডেস্ক:: মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নিপীড়নে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার মধ্যে আড়াই লাখ রোহিঙ্গা নাগরিক পরিচয়পত্র পাচ্ছেন। গত শুক্রবার (১৮ মে) সংস্থাটির মুখপাত্র আদ্রে মেহাসেক জেনেভায় সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

ইউএনএইচসিআর-এর পক্ষ থেকে বলা হয়, ২০১৮ সালের জুন মাসে পরিচয়পত্র তৈরির কাজ শুরু হয়। এই পরিচয়পত্র রোহিঙ্গা শরনার্থীদের জন্য একটি ঢাল হিসেবে কাজ করবে এবং ভবিষ্যতে তাদের মিয়ানমারে ফিরে যাবার অধিকার সুরক্ষার প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

এ পরিচয়পত্র শুধু তাদেরকে মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার প্রমাণপত্রই নয় বরং তাদের মানব পাচারের হাত রক্ষা করবে বলেও দাবি করা হয়।

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ইউএনএইচসিআর এর মুখপাত্র আদ্রে মেহাসেক সাংবাদিকদের বলেন, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা প্রায় পৌনে তিন লাখ রোহিঙ্গা শরনার্থীকে যৌথভাবে পরিচয়পত্র দিচ্ছে বাংলাদেশ ও ইউএনএইচসিআর কর্তৃপক্ষ।

আদ্রে মেহাসেক বলেন, ২০১৮ সালের জুন মাসে পরিচয়পত্র তৈরির কাজ শুরু হয়। এই পরিচয়পত্র রোহিঙ্গা শরনার্থীদের জন্য একটি ঢাল হিসেবে কাজ করবে এবং ভবিষ্যতে তাদের মিয়ানমারে ফিরে যাবার অধিকার সুরক্ষার প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

আদ্রে মেহাসেক জানান হয়, পর্যায়ক্রমে ১২ বছরের বেশি বয়সী সব রোহিঙ্গাকেই এই পরিচয়পত্র প্রদান করা হবে। পরিচয়পত্রে সকল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যেমন রোহিঙ্গা নাগরিকের নাম, তার পরিবারের সূত্র, ফিঙ্গারপ্রিন্ট, আইরিশ স্ক্যান ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

আদ্রে মেহাসেক বলেন, ২ লাখ ৭০ হাজার ৩৪৮ জন শরনার্থীর প্রায় ৬০ হাজার পরিবার ইতোমধ্যে নিবন্ধিত হয়েছে। এবং সকল শরনার্থীকে পরিচয়পত্র দিতে প্রতিদিন প্রায় ৪০০০ রোহিঙ্গার নিবন্ধন সম্পন্ন হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে মিয়নামারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সেনাবাহিনীর নির্বিচার গণহত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ থেকে বাঁচতে ৭ লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। জাতিসংঘ মিয়ানমার সেনাবাহিনীর এ নির্যাতনকে ‘গণহত্যার টেক্সবুক’ উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করে।

এ ছাড়া ২০১৭ সালের আগে থেকেই একই কারণে আরো অন্তত ৩ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অবস্থান করছিল। গত বছর বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ইউএনএইচসিআর যৌথভাবে বাংলাদেশে অবস্থানরত ৯ লাখ রোহিঙ্গার পরিচয়পত্র দেওয়ার জন্য একটি সমঝোতা স্বাক্ষর করে। চলতি বছরের নভেম্বর মাসের মধ্যেই সব রোহিঙ্গাকে নিবন্ধনের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করছে জাতিসংঘের শরনার্থী বিষয়ক সংস্থাটি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: