শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ চৈত্র ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের মোবাইলে পর্নো ভিডিও!  » «   বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভেরনো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  » «   স্টকহোম বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘গণহত্যা দিবস-২০২১’ পালিত  » «   নিকাব ছেড়ে পশ্চিমা পোশাকে ব্রিটেন ফেরার লড়াইয়ে শামীমা(ভিডিও)  » «   হারুন আর রশিদের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক তৃতীয়বারের মত ইজিএন সচিব নির্বাচিত  » «   মাহমুদ-উস সামাদ চৌধুরী`র মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ফিনল্যান্ডের শোক  » «   সংবাদ ২১ ডটকম সম্পাদক আন্তর্জাতিক `এইজে´র কমিটি সদস্য নির্বাচিত  » «   ফিনল্যান্ডে মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন  » «   দেশে চীনের ভ্যাকসিন ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছে সরকার  » «   অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «  

অ্যাম্বুলেন্সের অভাবে মায়ের কোলেই শিশুর মৃত্যু!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: সন্তানের চিকিৎসা করাতে এক গরিব পরিবার গিয়েছিলেন বাড়ির পাশের একটি হাসপাতালে। কিন্তু ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার চিকিৎসা করেনি। অন্য হাসপাতালে পাঠানোর কথা বলে তাদের বের করে দেয়।

হাসপাতালের আঙ্গিনায় তখন তিনটি অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও ওই রোগীর জন্য মেলেনি একটিও। কারণ তাদের কাছে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করার মতো টাকা ছিল না। উপায় না দেখে অসুস্থ ছেলেকে কোলে নিয়ে হেঁটেই রওয়ানা দেন মা। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই মায়ের কোলেই মারা যায় সেই ছেলে।

সম্প্রতি ভারতের উত্তর প্রদেশের শাহজাহানপুরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানায় দেশটির বার্তা সংস্থা এএনআই। মৃত শিশুর বাবা বলেন, ‘ছেলের প্রচণ্ড জ্বর হওয়ায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। কিন্তু চিকিৎসকরা তাকে অন্য কোথাও নিয়ে যেতে বলেন।

অন্য হাসপাতালে নিতে আমরা গাড়ি চাইলে তারা তাতে রাজি হয়নি। অথচ, হাসপাতাল প্রাঙ্গণে তখন তিনটি অ্যাম্বুলেন্স ছিল।’ কাছে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় মুমূর্ষু ছেলেকে নিয়ে হেঁটেই অন্য হাসপাতালে রওয়ানা দেন তারা। এ অবস্থায় ছেলেটি পথেই মারা যায়।

তবে নিহত শিশুর বাবার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালটির ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার অনুরাগ পরশার বলেন, “রাত ৮টার দিকে আফরোজ নামের এক শিশুকে হাসপাতালে আনা হয়।

শারীরিক অবস্থা বেশি খারাপ হওয়ায় আমরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লক্ষ্ণৌ নিয়ে যেতে বলি। কিন্তু আমাদের কথা না শুনে তারা, ‘ছেলেকে যেখানে খুশি নিয়ে যাবো’ বলতে বলতে বেরিয়ে যান।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: