শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «   ফ্রান্সে টানা চতুর্থদিন মৃত্যুর রেকর্ড, ৪ হাজার ছাড়াল প্রাণহানি  » «   সিঙ্গাপুরে আরও ১০ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত  » «   মিশিগানের হাসপাতালে আর রোগী রাখার জায়গা নেই  » «   ৩ হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু  » «  

অ্যাম্বুলেন্সের অভাবে মায়ের কোলেই শিশুর মৃত্যু!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: সন্তানের চিকিৎসা করাতে এক গরিব পরিবার গিয়েছিলেন বাড়ির পাশের একটি হাসপাতালে। কিন্তু ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার চিকিৎসা করেনি। অন্য হাসপাতালে পাঠানোর কথা বলে তাদের বের করে দেয়।

হাসপাতালের আঙ্গিনায় তখন তিনটি অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও ওই রোগীর জন্য মেলেনি একটিও। কারণ তাদের কাছে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করার মতো টাকা ছিল না। উপায় না দেখে অসুস্থ ছেলেকে কোলে নিয়ে হেঁটেই রওয়ানা দেন মা। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই মায়ের কোলেই মারা যায় সেই ছেলে।

সম্প্রতি ভারতের উত্তর প্রদেশের শাহজাহানপুরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানায় দেশটির বার্তা সংস্থা এএনআই। মৃত শিশুর বাবা বলেন, ‘ছেলের প্রচণ্ড জ্বর হওয়ায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। কিন্তু চিকিৎসকরা তাকে অন্য কোথাও নিয়ে যেতে বলেন।

অন্য হাসপাতালে নিতে আমরা গাড়ি চাইলে তারা তাতে রাজি হয়নি। অথচ, হাসপাতাল প্রাঙ্গণে তখন তিনটি অ্যাম্বুলেন্স ছিল।’ কাছে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় মুমূর্ষু ছেলেকে নিয়ে হেঁটেই অন্য হাসপাতালে রওয়ানা দেন তারা। এ অবস্থায় ছেলেটি পথেই মারা যায়।

তবে নিহত শিশুর বাবার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালটির ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার অনুরাগ পরশার বলেন, “রাত ৮টার দিকে আফরোজ নামের এক শিশুকে হাসপাতালে আনা হয়।

শারীরিক অবস্থা বেশি খারাপ হওয়ায় আমরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লক্ষ্ণৌ নিয়ে যেতে বলি। কিন্তু আমাদের কথা না শুনে তারা, ‘ছেলেকে যেখানে খুশি নিয়ে যাবো’ বলতে বলতে বেরিয়ে যান।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: