বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২১ শ্রাবণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন  » «   রিজেন্ট হাসপাতালের এমডি মিজান গ্রেফতার  » «   নকল মাস্ককাণ্ডে ৩ দিনের রিমান্ডে অপরাজিতার শারমিন  » «   পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «   ফ্রান্সে টানা চতুর্থদিন মৃত্যুর রেকর্ড, ৪ হাজার ছাড়াল প্রাণহানি  » «  

অক্টোবর-নভেম্বরেই অক্সফোর্ডের ভ্যাকিসন



অনলাইন ডেস্ক:: বহুল প্রতীক্ষিত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন বাজারে আসছে অক্টোবর-নভেম্বরেই। এমনটা জানিয়েছে অক্সফোর্ডের টিকা তৈরির দায়িত্ব পাওয়া ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউট। ভারতের সাতটি গবেষণাগারে চলছে করোনার ভ্যাকসিন তৈরির কাজ। ফাইজার ও বায়ো এন টেকের সম্ভাব্য করোনা ভ্যাকসিন ৬০ কোটি ডোজ পেতে চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) এক ভিডিও কনফারেন্সে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়কে সেরামের সিইও আদার পুনাওয়ালা বলেন, এ বছরের শেষেই করোনা টিকা তৈরি হয়ে যাবে। আশা করছি অক্টোবর-নভেম্বরেই। আর টিকার আগামী ট্রায়াল ভারতে আগামী মাসের মাঝামাঝি শুরু হবে।
তিনি বলেন, এজন্য আগ্রহী স্বেচ্ছাসেবকের স্বাস্থ্যের অবস্থা খতিয়ে দেখে তাদের নমুনা দিল্লির একটি নির্দিষ্ট ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হচ্ছে। রিপোর্ট এসে গেলে নির্দিষ্ট কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবকের ওপর নির্দেশিকা মেনে করোনা টিকার পরীক্ষা হবে। টিকা তৈরি হয়ে গেলে এবং তা ছাড়পত্র পেয়ে গেলে ওড়িশা সরকার ও সেরাম ইন্সটিটিউট এ ব্যাপারে চুক্তিবদ্ধ হতে পারে বলে তিনি জানিয়েছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ১৮ এর খবরে বলা হয়, আদার পুনাওয়ালা জানিয়েছেন, ভারতের সাধারণ মানুষকে বিনামূল্যে এ করোনার টিকা দেয়া হবে।

এদিকে ভারতের সাতটি সংস্থা ভ্যাকসিন তৈরির দৌঁড়ে রয়েছে। এসব সংস্থার মধ্যে রয়েছে- ভারত বায়োটেক, সিরাম ইন্সটিটিউট, জাইডাস ক্যাডিলা, পানাসিয়া বায়োটেক, ইন্ডিয়ান ইমিউনোলজিক্যালস, মাইনভ্যাক্স ও বায়োলজিক্যাল-ই। এরমধ্যে ‘ভারত বায়োটেক’ হায়দরাবাদের বিখ্যাত কোম্পানি। করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারের দৌঁড়ে তারাই সবার আগে। গত সপ্তাহ থেকেই তাদের তৈরি কো-ভ্যাকসিনের হিউম্যান ট্রায়াল শুরু হয়েছে।

সেরাম ইন্সটিটিউটের তৈরি ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেটের ফেজ থ্রি ট্রায়ালের প্রস্তুতি চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগস্টের মধ্যেই শুরু হবে এর হিউম্যান ট্রায়াল। ‘জাইড্যাস ক্যাডিলা’ কোম্পানির প্রধান জানিয়েছেন, আগামী ৭ মাসের মধ্যে তাদের করোনা ভ্যাকসিনের হিউম্যান ট্রায়াল সম্পন্ন হবে। ‘পানাসিয়া বায়োটেক’র তৈরি করোনার প্রতিষেধকের এখনও নামকরণ করা হয়নি। এ সংস্থা আয়ারল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে ভ্যাকসিন আবিষ্কারে নেমেছে।
‘ইন্ডিয়ান ইমিউনোলজিক্যালস’ জাতীয় দুগ্ধ উন্নয়ন বোর্ডের একটি সহায়ক সংস্থা। এ কোম্পানিটি অস্ট্রেলিয়ার গ্রিফিথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ রয়েছে। তারা যৌথ উদ্যোগে করোনার প্রতিষেধক আবিষ্কারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

‘মাইনভ্যাক্স’ সংস্থাটি করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারে নিরলসভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আগামী ১৮ মাসের মধ্যে মাইনভ্যাক্সের তৈরি করোনার ভ্যাকসিন বাজারে আসবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। ‘বায়োলজিক্যাল-ই’ এর তৈরি ভ্যাকসিনও বর্তমানে প্রি-ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: