শনিবার, ১৮ অগাস্ট ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সালমানের প্রথম ভালো লাগা কে?  » «   দুই যুবকের সঙ্গে ২০ বছর বয়সী তরুণী, এরপর…  » «   হাওয়া ভবন থেকে মানুষকে স্বস্তি দিতে ১৪ দলীয় জোট : খালিদ মাহমুদ  » «   ফখরুলের বক্তব্যের সমালোচনা করে যা বললেন ওবায়দুল কাদের  » «   ভালবেসে বিয়ে, কিভাবে এতটা নির্মম হয় রনিরা?  » «   প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১০ মিনিট সময় চান ড. কামাল  » «   ভেরিফায়েড হলো মোস্তাফা জব্বারের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট  » «   গুজব ছড়ানোর অভিযোগ : রিমান্ডে সেই গৃহবধূ ফারিয়া  » «   সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা  » «   সব ব্যাংকে সতর্কতা জারি!  » «   গুজব ছড়ানোর অভিযোগে গৃহবধূ আটক  » «   ‘গর্বিত বাঙালির বিজয়ের দুই প্রতিচ্ছবি’  » «   ২৬ বছর পরে শাহরুখ!  » «   পাকিস্তানে নিষিদ্ধ হতে পারে টুইটার  » «   সানি লিওন এবার ক্রিকেটার!  » «  

৬ মাসের মধ্যে ডাকসু নির্বাচনের নির্দেশ



আগামী ছয় মাসের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ বুধবার (১৭ জানুয়ারি) আদালত এ রায় দেন।

বুধবার (১৭ জানুয়ারি) বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

এর আগে, দেশ সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। আর এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন প্রশ্নে জারি রুল করে আদালত।

মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো: আতাউর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় ঘোষণার জন্য বুধবার (১৭ জানুয়ারি) দিনটি ধার্য করেন।

এই রিটের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। অপরদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের পদক্ষেপ নিতে ৩১ শিক্ষার্থীর পক্ষে গত ২০১২ সালের ১১ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রক্টর ও ট্রেজারারকে লিগ্যাল নোটিস দেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সেই নোটিসের কোনো জবাব না দেয়ায় ওই বছরই ২৫ জন শিক্ষার্থীর পক্ষে রিট আবেদন করা হয়।

ওই রিট আবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৯৮ সালের ২৭ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এক সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের পর এর সময়সীমা হবে এক বছর। এরপর পরবর্তী ৩ মাস নির্বাচন না হলে বিদ্যমান কমিটি কাজ চালিয়ে যেতে পারবে। এমন সিদ্ধান্তের পরেই ডাকসু ভেঙে দেওয়া হয়।

ডাকসু বিধান অনুযায়ী, প্রতি বছর নির্বাচন হওয়ার কথা। তবে সেটা হচ্ছে না। সর্বশেষ গত প্রায় ২২ বছর আগে ১৯৯০ সালের ৬ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন হয়।

এতোগুলো বছর পার হয়ে গেলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষ ডাকসু নির্বাচনের কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। কর্তৃপক্ষের এই ব্যর্থতার কারণে প্রতি বছর হাজার হাজার শিক্ষার্থী তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

গত বছরের ৮ এপ্রিল হাইকোর্ট নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডাকসু নির্বাচন করার ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। বিবাদী ছিলেন শিক্ষা সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার ও প্রক্টর। গত মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) এ বিষয়ে জারি করা রুলের শুনানি শেষ হয়।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: