মঙ্গলবার, ২২ মে ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
‘সে যে এত বড় প্রতারক, তা আমার জানা ছিল না’  » «   ছাত্রের সঙ্গে শিক্ষিকার অন্তরঙ্গ ছবি, ফেসবুকে তোলপাড়!  » «   বিশ্বকাপ সরাসরি দেখাবে যেসব টিভি চ্যানেল  » «   নিজের ঘরের মাদক ব্যবসায়ীদের ধরুন  » «   সেলিমা রহমানসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি  » «   একাদশ সংসদ নির্বাচন : বিএনপিকে নিয়ে দুই কৌশল আ’লীগের  » «   সিলেট পাসপোর্ট অফিসে রোহিঙ্গা নারী আটক  » «   মন্ত্রী-সচিবরা পাবেন ৭৫ হাজার টাকার মোবাইল  » «   রাজধানীতে নিরাপত্তা কর্মীকে খুন করে টাকা লুট  » «   চুয়াডাঙ্গার মাদক সম্রাট ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত  » «   বাসের চাপায় হাত হারিয়ে নিহত : রাজীবের ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ মঙ্গলবার  » «   নয়াপল্টনে রিজভী‘প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য খুলনার ভোটারদের সঙ্গে শ্রেষ্ঠ তামাশা’  » «   অবশেষে খোঁজ পাওয়া গেল সৌদি যুবরাজের!  » «   সাদা চাদরে ‘সতীত্বের পরীক্ষা’ দিতে হলো না ঐশ্বর্যকে  » «   অপুর ঘরে কোন ধর্মে বেড়ে উঠছে আব্রাম?  » «  

৬ মাসের মধ্যে ডাকসু নির্বাচনের নির্দেশ



আগামী ছয় মাসের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ বুধবার (১৭ জানুয়ারি) আদালত এ রায় দেন।

বুধবার (১৭ জানুয়ারি) বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

এর আগে, দেশ সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। আর এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন প্রশ্নে জারি রুল করে আদালত।

মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো: আতাউর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় ঘোষণার জন্য বুধবার (১৭ জানুয়ারি) দিনটি ধার্য করেন।

এই রিটের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। অপরদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের পদক্ষেপ নিতে ৩১ শিক্ষার্থীর পক্ষে গত ২০১২ সালের ১১ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রক্টর ও ট্রেজারারকে লিগ্যাল নোটিস দেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সেই নোটিসের কোনো জবাব না দেয়ায় ওই বছরই ২৫ জন শিক্ষার্থীর পক্ষে রিট আবেদন করা হয়।

ওই রিট আবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৯৮ সালের ২৭ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এক সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের পর এর সময়সীমা হবে এক বছর। এরপর পরবর্তী ৩ মাস নির্বাচন না হলে বিদ্যমান কমিটি কাজ চালিয়ে যেতে পারবে। এমন সিদ্ধান্তের পরেই ডাকসু ভেঙে দেওয়া হয়।

ডাকসু বিধান অনুযায়ী, প্রতি বছর নির্বাচন হওয়ার কথা। তবে সেটা হচ্ছে না। সর্বশেষ গত প্রায় ২২ বছর আগে ১৯৯০ সালের ৬ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন হয়।

এতোগুলো বছর পার হয়ে গেলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষ ডাকসু নির্বাচনের কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। কর্তৃপক্ষের এই ব্যর্থতার কারণে প্রতি বছর হাজার হাজার শিক্ষার্থী তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

গত বছরের ৮ এপ্রিল হাইকোর্ট নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডাকসু নির্বাচন করার ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। বিবাদী ছিলেন শিক্ষা সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার ও প্রক্টর। গত মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) এ বিষয়ে জারি করা রুলের শুনানি শেষ হয়।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: