সোমবার, ১৮ জুন ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ছাত্রীর সঙ্গে শিক্ষকের কুকীর্তি ফাঁস!  » «   মায়ের পছন্দ ব্রাজিল, সমর্থক জয়ও  » «   পুলিশ কমিশনার‘ঈদগাহে ছাতা ও জায়নামাজ ছাড়া অন্য কিছু নয়’  » «   ‘আমিও প্রেগনেন্ট হয়েছি, অনেকবার অ্যাবরশনও করিয়েছি’  » «   গুগল পেজ ইরর দেখায় কেন?  » «   রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সিইসি কে কোথায় ঈদ করছেন  » «   ইসি সচিব : তিন সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা  » «   বিপজ্জনক রূপ নিয়েছে মনু ও ধলাই  » «   বিশ্বকাপের একদিন আগে বরখাস্ত স্পেন কোচ!  » «   ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে ৭ কি.মি. যানজট  » «   শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে আলিয়ার সোজা কথা!  » «   যে কারণে ইউনাইটেড হাসপাতালে যেতে চান খালেদা  » «   খালেদা চিকিৎসা চান নাকি রাজনীতি করছেন : সেতুমন্ত্রী  » «   যানজটের কথা শুনিনি, কেউ অভিযোগও করেননি  » «   ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান ‘বকশিসের নামে নীরব চাঁদাবাজি নেই’  » «  

৬০ বছর বাঁচা নিয়ে সন্দিহান তসলিমা নাসরিন



নিউজ ডেস্ক:: ৬০ বছর বাঁচবেন কি না এ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন ভারতে বসবাসরত বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তিনি বলেছেন, তার মা ৫৭ বছর, বাবা ৬৯, ছোটদা ৫৯, দাদা ৬৪ বছর বেঁচেছেন। তাদের পরিবারের কেউই ৭০ বছর পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেন না। এখন সামনে আর কেউ নেই, তিনি আর তার ছোট বোন।

তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে তিনি এক স্ট্যাটাসে এমন কথা বলেছেন। তার স্ট্যাটাসটি হুবুহু তুলে ধরা হলো-

‘আমাদের পরিবারে ডাক্তার অনেক। কিন্তু কাছের মানুষদের আমরা কেউ বাঁচাতে পারিনি। মা’র কোলন ক্যান্সারের উপসর্গ ছিল স্পষ্ট, আমরা কেউ বুঝিনি, অথবা গ্রাহ্য করিনি। আমার ডাক্তার বাবা, আমিও ছিলাম ডাক্তার, আমিও, মা’কে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া উচিত, নিয়ে যাইনি। বাবা নিজে বড় ডাক্তার হয়েও নিজের রোগশোকগুলোকে মোটেও পাত্তা দেননি। বাবা-মা দুজনই অনেকটা চিকিৎসার অভাবেই মারা গেছেন।
ছোটদা যখন অসুখে পড়ল, পাশে পায়নি তার ডাক্তার মেয়েকে। আর দাদার (বড়দা) যখন হার্ট অ্যাটাক হতে যাচ্ছে, দাদা ঘামছে, শ্বাস নিচ্ছে দ্রুত, ডায়াবেটিস থাকলে বুকে ব্যথা হয় না বলে বুকে ব্যথা হচ্ছে না, পাশে দাঁড়িয়ে থাকা তার ডাক্তার ছেলে ইনহেলার দিল, কিন্তু দিল না যেটা দাদাকে বাঁচানোর জন্য দরকার ছিল, নাইট্রোগ্লিসারিন, অ্যাসপিরিন। অ্য়াম্বুলেন্স ডাকল দেরিতে, যেটা একেবারেই করতে হয় না, সেটা করল, দাদাকে হাঁটাচলা করতে দিল, হেঁটে হেঁটে দাদা অ্যাম্বুলেন্সে গিয়ে উঠল। দাদার পুত্রধন কি সিপিয়ার দিতে জানে? মনে তো হয় না।

আমাদের জিন ভালো নয়। জিনে ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশান, ক্যান্সার। মা বেঁচেছেন ৫৭ বছর, ছোটদা ৫৯, দাদা ৬৪, বাবা ৬৯। আমরা ৭০ পর্যন্ত পৌঁছোতে পারি না। এখন সামনে আর কেউ নেই, শুধু আমি, আর আমার ছোট বোন। আমিও বাবার মতোই, ডাক্তার হিসেবে ভালো হলেও রোগী হিসেবে ভালো নই। ৬০ অবধি যেতে পারব তো?

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: