মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
রাজমিস্ত্রি সেজে খুনি ধরলেন এসআই লালবুর রহমান!  » «   আগামী ৫ জুন পবিত্র ঈদুল ফিতর!  » «   বাংলাদেশের সঙ্গে ঝামেলা করতে চাচ্ছে পাকিস্তান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   লুটপাটের উন্নয়নের কথা শুনতে শুনতে জনগণ অতিষ্ঠ: রিজভী  » «   শ্লীলতাহানির বিচার না পেয়ে কিশোরীর আত্মহত্যা, ওসি প্রত্যাহার  » «   ৩৪ পয়েন্টে ওয়াসার পানি পরীক্ষার নির্দেশ  » «   যেভাবে গণনা হবে ভারতে লোকসভা নির্বাচনের ভোট  » «   ঋণখেলাপিদের গণসুবিধার নীতিমালায় স্থিতি অবস্থার আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট  » «   স্বামী- স্ত্রী পরিচয়ে পতিতাবৃত্তি, সাংবাদিক পরিচয়ে ব্লাকমেইল!  » «   পাকিস্তানের নাগরিকদের ভিসা বন্ধ করল বাংলাদেশ  » «   সৌদি আরবের মক্কা ও জেদ্দা নগরীতে হুতিদের মিসাইল হামলা  » «   সারাদেশের পাস্তুরিত দুধ পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট  » «   আত্মহত্যাচেষ্টার আগে শোভন-রাব্বানীর উদ্দেশে ফেসবুকে যা লিখলেন দিয়া  » «   এক সময়ের কোটিপতি এখন ভাঙারি দোকানের শ্রমিক!  » «   বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির মনোনয়ন দৌঁড়ে এগিয়ে সিরাজ  » «  

৬০ বছর বাঁচা নিয়ে সন্দিহান তসলিমা নাসরিন



নিউজ ডেস্ক:: ৬০ বছর বাঁচবেন কি না এ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন ভারতে বসবাসরত বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তিনি বলেছেন, তার মা ৫৭ বছর, বাবা ৬৯, ছোটদা ৫৯, দাদা ৬৪ বছর বেঁচেছেন। তাদের পরিবারের কেউই ৭০ বছর পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেন না। এখন সামনে আর কেউ নেই, তিনি আর তার ছোট বোন।

তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে তিনি এক স্ট্যাটাসে এমন কথা বলেছেন। তার স্ট্যাটাসটি হুবুহু তুলে ধরা হলো-

‘আমাদের পরিবারে ডাক্তার অনেক। কিন্তু কাছের মানুষদের আমরা কেউ বাঁচাতে পারিনি। মা’র কোলন ক্যান্সারের উপসর্গ ছিল স্পষ্ট, আমরা কেউ বুঝিনি, অথবা গ্রাহ্য করিনি। আমার ডাক্তার বাবা, আমিও ছিলাম ডাক্তার, আমিও, মা’কে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া উচিত, নিয়ে যাইনি। বাবা নিজে বড় ডাক্তার হয়েও নিজের রোগশোকগুলোকে মোটেও পাত্তা দেননি। বাবা-মা দুজনই অনেকটা চিকিৎসার অভাবেই মারা গেছেন।
ছোটদা যখন অসুখে পড়ল, পাশে পায়নি তার ডাক্তার মেয়েকে। আর দাদার (বড়দা) যখন হার্ট অ্যাটাক হতে যাচ্ছে, দাদা ঘামছে, শ্বাস নিচ্ছে দ্রুত, ডায়াবেটিস থাকলে বুকে ব্যথা হয় না বলে বুকে ব্যথা হচ্ছে না, পাশে দাঁড়িয়ে থাকা তার ডাক্তার ছেলে ইনহেলার দিল, কিন্তু দিল না যেটা দাদাকে বাঁচানোর জন্য দরকার ছিল, নাইট্রোগ্লিসারিন, অ্যাসপিরিন। অ্য়াম্বুলেন্স ডাকল দেরিতে, যেটা একেবারেই করতে হয় না, সেটা করল, দাদাকে হাঁটাচলা করতে দিল, হেঁটে হেঁটে দাদা অ্যাম্বুলেন্সে গিয়ে উঠল। দাদার পুত্রধন কি সিপিয়ার দিতে জানে? মনে তো হয় না।

আমাদের জিন ভালো নয়। জিনে ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশান, ক্যান্সার। মা বেঁচেছেন ৫৭ বছর, ছোটদা ৫৯, দাদা ৬৪, বাবা ৬৯। আমরা ৭০ পর্যন্ত পৌঁছোতে পারি না। এখন সামনে আর কেউ নেই, শুধু আমি, আর আমার ছোট বোন। আমিও বাবার মতোই, ডাক্তার হিসেবে ভালো হলেও রোগী হিসেবে ভালো নই। ৬০ অবধি যেতে পারব তো?

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: