বুধবার, ১৭ জানুয়ারী ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
শাহজালাল বিমানবন্দরে ৩১৮ কার্টন সিগারেট জব্দ  » «   ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উপ-নির্বাচন স্থগিত  » «   ৬ মাসের মধ্যে ডাকসু নির্বাচনের নির্দেশ  » «   আপত্তি ছিল, আপত্তি থাকুক : অর্থমন্ত্রী  » «   ত্রিদেশীয় সিরিজটস হেরে ব্যাটিংয়ে জিম্বাবুয়ে  » «   ‘আ’লীগের সাথে নির্বাচনে গেলে জামায়াত ভালো  » «   সালমান-শাবনূরের ‘আনন্দ অশ্রু’ নিয়ে এবার সাইমন-মাহি  » «   সতর্ক অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীআজও মাঠে নামবেন আইভী, থাকতে পারেন শামীম ওসমানও  » «   পাবনায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ে কমিউনিটি ক্লিনিক-এ কমর্রত কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডারদের অবস্থান কর্মসূচী পালন  » «   আল-আকসা সংস্কারে ইসরাইলের নিষেধাজ্ঞা!  » «   ঢাবি অধিভুক্ত ৭ কলেজের মানববন্ধন ১৮ জানুয়ারি  » «   এক সপ্তাহেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ পরীক্ষার্থী বাপ্পীর  » «   উজানের দেশ সমূহ হতে বাংলাদেশে মোট ৫৭ টি নদী প্রবাহিত  » «   নরসিংদীতে অটোরিকশা চালকের লাশ উদ্ধার  » «   এ দেশে কোনো দস্যুতা চলবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  » «  

৬০ বছর বাঁচা নিয়ে সন্দিহান তসলিমা নাসরিন



নিউজ ডেস্ক:: ৬০ বছর বাঁচবেন কি না এ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন ভারতে বসবাসরত বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন। তিনি বলেছেন, তার মা ৫৭ বছর, বাবা ৬৯, ছোটদা ৫৯, দাদা ৬৪ বছর বেঁচেছেন। তাদের পরিবারের কেউই ৭০ বছর পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেন না। এখন সামনে আর কেউ নেই, তিনি আর তার ছোট বোন।

তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে তিনি এক স্ট্যাটাসে এমন কথা বলেছেন। তার স্ট্যাটাসটি হুবুহু তুলে ধরা হলো-

‘আমাদের পরিবারে ডাক্তার অনেক। কিন্তু কাছের মানুষদের আমরা কেউ বাঁচাতে পারিনি। মা’র কোলন ক্যান্সারের উপসর্গ ছিল স্পষ্ট, আমরা কেউ বুঝিনি, অথবা গ্রাহ্য করিনি। আমার ডাক্তার বাবা, আমিও ছিলাম ডাক্তার, আমিও, মা’কে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া উচিত, নিয়ে যাইনি। বাবা নিজে বড় ডাক্তার হয়েও নিজের রোগশোকগুলোকে মোটেও পাত্তা দেননি। বাবা-মা দুজনই অনেকটা চিকিৎসার অভাবেই মারা গেছেন।
ছোটদা যখন অসুখে পড়ল, পাশে পায়নি তার ডাক্তার মেয়েকে। আর দাদার (বড়দা) যখন হার্ট অ্যাটাক হতে যাচ্ছে, দাদা ঘামছে, শ্বাস নিচ্ছে দ্রুত, ডায়াবেটিস থাকলে বুকে ব্যথা হয় না বলে বুকে ব্যথা হচ্ছে না, পাশে দাঁড়িয়ে থাকা তার ডাক্তার ছেলে ইনহেলার দিল, কিন্তু দিল না যেটা দাদাকে বাঁচানোর জন্য দরকার ছিল, নাইট্রোগ্লিসারিন, অ্যাসপিরিন। অ্য়াম্বুলেন্স ডাকল দেরিতে, যেটা একেবারেই করতে হয় না, সেটা করল, দাদাকে হাঁটাচলা করতে দিল, হেঁটে হেঁটে দাদা অ্যাম্বুলেন্সে গিয়ে উঠল। দাদার পুত্রধন কি সিপিয়ার দিতে জানে? মনে তো হয় না।

আমাদের জিন ভালো নয়। জিনে ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশান, ক্যান্সার। মা বেঁচেছেন ৫৭ বছর, ছোটদা ৫৯, দাদা ৬৪, বাবা ৬৯। আমরা ৭০ পর্যন্ত পৌঁছোতে পারি না। এখন সামনে আর কেউ নেই, শুধু আমি, আর আমার ছোট বোন। আমিও বাবার মতোই, ডাক্তার হিসেবে ভালো হলেও রোগী হিসেবে ভালো নই। ৬০ অবধি যেতে পারব তো?

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: