মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৮ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পায়ের ওপর দিয়ে বাস, মৃত্যুর কাছে হার মানলেন সেই নারী  » «   পুরোনো বগিতে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে চলছিল উদয়ন  » «   ট্রেন দুর্ঘটনা: লাশ হয়ে বাড়ি ফিরছেন চাঁদপুরের দম্পতি  » «   ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ১০ জনের পরিচয় মিলেছে  » «   মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরিতে প্রতারণা: রাজস্ব কর্মকর্তার ৭ বছরের জেল  » «   সিগন্যাল অমান্য করায় তূর্ণা এক্সপ্রেসের চালক-গার্ডসহ ৩ জন বরখাস্ত  » «   ট্রেন দুর্ঘটনায় ১ লাখ টাকা করে পাবে নিহতদের প্রতি পরিবার  » «   তূর্ণার চালক সিগনাল অমান্য করায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা?  » «   ট্রেন দুর্ঘটনা: হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নিহত  » «   ‘বাংলা বন্ড’ চালু বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশের একটি বড় পদক্ষেপ  » «   কাউকেই খুঁজে পাচ্ছে না ট্রেন দুর্ঘটনায় আহত শিশুটি  » «   ট্রেন দুর্ঘটনা দেখতে এসে চাচা-চাচির লাশ পেলেন শাহাদৎ  » «   বাবরি মসজিদের রায় দিল যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত বিচারপতি!  » «   মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা  » «   ভারতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার মুহম্মদ ইমরান  » «  

৫ টাকার বেশি ধার নিতে পারবেন না মোবাইল গ্রাহকরা



নিউজ ডেস্ক:: মুঠোফোনে কথা বলার জন্য এখন থেকে ৫ টাকার বেশি ধার বা ঋণ দিতে পারবে না মোবাইল ফোন অপারেটরেরা। টেলিযোগাযোগ সেবার ওপর বিটিআরসি আয়োজিত এক গণশুনানিতে এক গ্রাহকের অভিযোগের পর নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এ তথ্য জানায়।

বুধবার রাজধানী ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে গ্রাহকের অজান্তে টাকা কেটে নেওয়া, বাণিজ্যিক খুদেবার্তা ও কল করে বিরক্ত করা, নেটওয়ার্কের নিম্নমান, দ্রুতগতির ইন্টারনেট না থাকা, গ্রামে নিম্নমানের সেবা, কলরেট ও ইন্টারনেটের দাম নিয়ে নানা অভিযোগ করেন গ্রাহকেরা।

একজন গ্রাহক অভিযোগ করেন, অপারেটরেরা ২০০ টাকা পর্যন্ত ধার দিচ্ছে। ধার নিয়ে টাকা খরচের পর যতবার ছোট অঙ্কের অর্থ রিচার্জ করা হচ্ছে, ততবার টাকা কেটে নেয়া হয়। মানুষ ধার নেয় সাধারণত জরুরি প্রয়োজনে। তাই পরিমাণ ৫-১০ টাকার বেশি হওয়া উচিত নয়।

বিটিআরসির মহাপরিচালক এ বি এম হুমায়ুন কবির বলেন, এরই মধ্যে একটি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যেখানে ৫ টাকার বেশি ধার না দিতে বলা হয়েছে। এ সময় বিটিআরসির চেয়ারম্যান জহুরুল হক, মহাপরিচালক এ বি এম হুমায়ুন কবিরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গণশুনানিতে উপস্থিত থেকে গ্রাহকরা মোট ১৭টি প্রশ্ন করেন। এ ছাড়া আমন্ত্রিত অতিথিদের কাছ থেকে ৩০-৩৫টি প্রশ্ন আসে। গণশুনানিতে অংশ নেয়ার জন্য ২৪ মে আবেদন আহ্বান করা হয়। ২০২ জন নিবন্ধন করেন। তাদের মোট প্রশ্ন ছিল ১ হাজার ৩১৯টি।

দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত গণশুনানিতে অংশগ্রহণকারী জাহিদুল ইসলাম বিদ্যমান অপারেটরগুলোকে নিয়ে আলাদা আলাদা গণশুনানির দাবি জানান। তার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিটিআরসির কর্মকর্তারা জানান, অপারেটরের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: