রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে প্রধানমন্ত্রীর হো‌টে‌লের সাম‌নে বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিএন‌পির বিক্ষোভ  » «   বিশ্বের চতুর্থ ভয়ঙ্করতম সংগঠন মাওবাদী!  » «   ফেঁসে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড আবেদনকারীরা  » «   শাবিপ্রবিতে ছাত্রী হলের পানিতে মিলছে কেঁচো-জোঁক!  » «   সিলেটের ওসমানীনগরে বাস চাপায় নিহত ২, আহত ৩  » «   বনে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে ১১ সিংহের মৃত্যু  » «   তাবলিগের সংকট নিরসনে সরকারের পাঁচ নির্দেশনা  » «   গাজীপুরে বেতনের দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ  » «   শূন্যপদের সঠিক তথ্য দিচ্ছে না শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো  » «   আজ ঢাকায় আসছেন বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট  » «   এবার ক্ষুধার্ত পদ্মার পেটে যাচ্ছে শিবচর  » «   আইসিসি নিজেই মিয়ানমারের বিচারে সক্ষম: জাতিসংঘ মহাসচিব  » «   নাইজেরিয়ায় কলেরা সংক্রমণ; ৯৭ জনের মৃত্যু  » «   ধানের শিষ এখন পেটের বিষ: ওবায়দুল কাদের  » «   যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত, তবে শান্তির পথও খোলা: পাকিস্তান আর্মি  » «  

৫০০ বছর আগে পর্তুগিজরা এসেছিল চট্টগ্রামে



ইউরোপীদের মধ্যে পর্তুগিজরাই সর্বপ্রথম চট্টগ্রামে আসে। পর্তুগিজরা সমুদ্রপথে চট্টগ্রামে আসে ১৫১৮ সালে। সেই হিসাবে আর এক মাস পরেই, ২০১৮ সালে চট্টগ্রামে পর্তুগিজ আগমনের ৫০০ বছর পূর্তি হচ্ছে। অবশ্য চট্টগ্রামে পর্তুগিজ আগমনের স্মৃতি মোটেও সুখের নয়। বরং তাদের সময়কালেকে বলা হয় দস্যুবৃত্তি ও লুটতরাজের কালো অধ্যায়।
যখনকার কথা বলা হচ্ছে, সে আমলে পর্তুগিজ, ডাচ, ফরাসি, দিনেমার, ইংরেজসহ বিভিন্ন ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শক্তি বাংলা ও ভারতের উপকূলে ঘুরঘুর করছিল। কিন্তু তখনো ভারতের কেন্দ্রে দিল্লিতে মুঘল আর বাংলায় শক্তিশালী শাসক থাকায় বহিরাগত শক্তিগুলো তাদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে সক্ষম হয় নি। তদুপরি তারা নিজেদের মধ্যে প্রাধান্য বিস্তারেও লিপ্ত থেকেছে।

যদিও পরবর্তীতে ইংরেজরা বাংলা ও ভারতের কর্তৃত্ব লাভ করে এবং অন্যান্য ইউরোপীয় শক্তি আশেপাশের অন্যান্য দেশ দখল করে শাসন-শোষন চালায়, তথাপি আদি শক্তি হিসাবে পর্তুগিজরা আর্থ-সামাজিক- রাজনৈতিক-ধর্মীয় ক্ষেত্রে নানামুখী প্রভাব বিস্তারের চিহ্ণ রেখে গেছে।

লন্ডন ও কলকাতা থেকে ১৯১৯ সালে প্রকাশিত জে.জে.এ. ক্যাম্পস-এর ঐতিহাসিক আকর গ্রন্থ ‘হিস্টরি অব দ্য পর্তুগিজ ইন বেঙ্গল’-এর ভাষ্য মতে, পর্তুগালের রাজা ম্যানুয়েল ১৫১৭ সালে পিরেস দ্য অ্যানড্রেডা নামে একজন নৌ-কাপ্তেনকে বাংলায় বাণিজ্য শুরু করার জন্য পাঠান। কিন্তু এই ব্যক্তি পূর্ব ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জে ব্যবসায় প্রলুব্ধ হয়ে বাংলায় আর আসেন নি। বরং তিনি পরের বছর, অর্থ্যাৎ ১৫১৮ সালে জোয়াও কোয়েলহো নামে আরেক স্বদেশিকে বাংলায় পাঠান। কোয়েলহো পর্তুগিজদের মধ্যে সর্বপ্রথম চট্টগ্রাম তথা বাংলার এ অঞ্চলে আসেন। একই বছর জোয়াও সিলখেরা নামক আরেকজন পর্তুগিজ ক্যাপ্টেন ব্যবসার উদ্দেশ্যে চারটি খালি জাহাজ নিয়ে চট্টগ্রামের সমুদ্র উপকূলে নোঙর করেন।

চট্টগ্রামে নদী তীরে ইউরোপীয়দের বাংলো। ছবিটি ১৮১৩ সালে কাপ্টেন জর্জ এর অাঁকা। বাংলার শাসকরা যখন শক্তিশালী ছিল, তখন বহিরাগত পর্তুগিজরা এখানে মোটেও সুবিধা করতে পারে নি। কালক্রমে শাসকের অবক্ষয়ের সুযোগে তারা এ অঞ্চলে বলপ্রয়োগের সুযোগ পায় ।বাংলায় আগমনের প্রথম প্রথম

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: