সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
চ্যারিটেবল মামলায় দণ্ডের বিরুদ্ধে খালেদার আপিল  » «   সিরিয়ায় মার্কিন বিমান হামলা; শিশু ও নারীসহ নিহত ৪৩  » «   থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞা  » «   দু’দিনের মধ্যেই খাশোগি হত্যার পরিপূর্ণ তদন্ত রিপোর্ট : ট্রাম্প  » «   বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন তারেক  » «   বাড়িতে বাবার লাশ, পিএসসি পরীক্ষা দিতে গেল মেয়ে  » «   প্রবাসী স্ত্রীকে লাইভে রেখে সিলেটের স্বামীর আত্মহত্যা!  » «   খাশোগি হত্যা: যুক্তরাষ্ট্র-সৌদির নীল নকশা ও তুরস্কের উদ্দেশ্য  » «   দুই নম্বরি কেন ১০ নম্বরি হলেও ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে থাকবে: ড. কামাল  » «   বোরকার বিরুদ্ধে সৌদি নারীদের অভিনব প্রতিবাদ  » «   আজ থেকে শুরু হচ্ছে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষা  » «   সিডরে নিখোঁজ শহিদুল বাড়ি ফিরলেন ১১ বছর পর!  » «   ভাওতাবাজির জন্য সরকারকে গোল্ড মেডেল দেওয়া উচিৎ: ড. কামাল  » «   দিল্লির লাল কেল্লা দখলের হুমকি পাকিস্তানের!  » «   সত্য বলায় এসকে সিনহাকে জোর করে বিদেশ পাঠানো হয়েছে: মির্জা ফখরুল  » «  

৪৭ বছর ধরে আগুন জ্বলছে শয়তানের সুইমিং পুলে!



চিত্র বিচিত্র ডেস্ক:: টানা ৪৭ বছর ধরে আগুন জ্বলছে একটি জায়গায়। শুনলে রূপকথার কাহিনী মনে হলেও এই পৃথিবীতেই রয়েছে এমন জায়গা। আর যা দেখতে রীতিমতো ভিড়ও জমান পর্যটকরা।

তুর্কমেনিস্তানের কারাকুম মরুভূমির দেরওয়াজে গ্রামের কাছে রয়েছে এই আগুনের গহ্বর। ২৩০ ফুট ব্যাস ও ৬৫ ফুট গভীর এই অগ্নিগহ্বর শয়তানের সুইমিং পুল নামেও পরিচিত। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম লাইভসায়েন্স.কম এর মতে, ১৯৭১ থেকে জ্বলছে এই গহ্বরের আগুন।১৯৭১ সালে তুর্কমেনিস্তান সোভিয়েত যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত ছিল। কয়েকজন সোভিয়েত ভূতাত্ত্বিক তখন খনিজ তেলের সন্ধানে কারাকুম মরু অঞ্চলে অভিযান করেন।

এই উদ্দেশ্যে ড্রিলিং শুরু করলে কিছুদিনের মধ্যে তারা টের পান ভূর্ভস্থ গ্যাসের এক ভাণ্ডারের উপরেই বসে রয়েছেন তারা। এরপর কয়েক জায়গায় গর্ত খুঁড়ে এই গ্যাসকে মুক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু এভাবে সেখানকার ভূগর্ভে জমে থাকা প্রাকৃতিক গ্যাস পুরোটা বের করা সম্ভব নয়।

ফলে ভূপৃষ্ঠের একটা বড় অংশ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছিল। এই কারণে উন্মুক্ত হয়ে পড়ে ভূগর্ভের গ্যাসে জ্বলতে থাকা আগুনও।ভূতাত্ত্বিকরা মনে করেছিলেন, ক্রমে এই আগুন নিভে আসবে। কিন্তু চার দশকেও আগুন নেভার কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। তাই অনেকেই এই গহ্বরের নাম রাখে ডোর টু হেল।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: