শনিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ মাঘ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দেশীয় কোম্পানির ক্যাপসুলে চলতি মাসেই ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন!  » «   মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী, নাচ-গান-স্লোগানে মুখরিত বিজয় উৎসব  » «   ধনী বৃদ্ধির হারে বাংলাদেশ বিশ্বের তৃতীয় দেশ  » «   ভোটাধিকার হাইজ্যাক করেছে আওয়ামী লীগ : ড. কামাল  » «   রাজনৈতিক দলগুলোকে সংলাপে বসার আহ্বান জাতিসংঘের  » «   আওয়ামী লীগের বিজয় উৎসব ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা  » «   অ্যাসাঞ্জের গোপন বৈঠকের খোঁজ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র  » «   সৌদি নারীদের বিয়ে করতে পারবে বাংলাদেশিরা, মিলবে ভাতা  » «   এমপি কয়েসের হাত ধরে বিএনপির হাবিব এখন আওয়ামী লীগে  » «   জিয়াউর রহমানের ৮৩তম জন্মবার্ষিকী আজ  » «   রোহিঙ্গাদের দেখতে আজ বাংলাদেশে আসছেন জাতিসংঘের দূত  » «   ‘দম বন্ধ হয়ে আসছে, আমাকে ছেড়ে দিন’  » «   দুই যুগে কতটা সফল ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা?  » «   কলম্বিয়ায় পুলিশ একাডেমিতে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ, নিহত ১০  » «   সোহরাওয়ার্দীতে আজ আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ  » «  

২০৬ বছর পর খোঁজ মিললো নেপোলিয়নের বিপুল গুপ্তধনের!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: প্রায় ২০৬ বছর ধরে পৃথিবীর বহু মানুষ হন্যে হয়ে খুঁজছেন সম্রাট নেপোলিয়নের বিপুল পরিমাণ গুপ্তধনের।সম্প্রতি রাশিয়ার এক বিজ্ঞানীর দাবি নেপোলিয়নের প্রায় ৮০ টন স্বর্ণ ভাণ্ডারের খোঁজ মিলেছে।এর আগে বহু ইতিহাসবিদ দাবি করে জানান, সম্রাট নেপোলিয়ন বলেছিলেন, স্মোলেনস্ক এলাকার সেমলেভো বা নেপোলিয়ান লেকে সোনা রয়েছে।

রুশ বিজ্ঞানী ভায়াচেস্লাভ রিজকোভের দাবি মস্কোতেই রয়েছে এই গুপ্তধন। তিনি জানান, সেমলেভো নয়, সম্রাট আসলে এই জায়গা থেকে ৪০ মাইল দূরে লুকিয়েছিলেন সোনা। এই সোনা রয়েছে লেক বোলশায়ায়।

রিজকোভের দাবি, নেপোয়িলনই রাজা আলেকজান্ডার ১-এর দৃষ্টি ঘোরাতে লেক সেমলোভোর কাছে পাঠিয়েছিলেন। ১৮১২ সাল থেকে মস্কোর কাছে এই অঞ্চলেই রয়েছে সোনা। নেপোলিয়ানের ঘনিষ্ঠরাই এই কাজে তাকে সাহায্য করেন।

ইতিহাসবিদদের দাবি, বেলারুশ সীমান্তের কাছেই সেই সোনা লুকিয়ে রাখা রয়েছে। রুডনিয়ার কাছে মস্কো থেকে প্রায় ৪০০ কিমি দূরে বোলশায়া রুতাভেচ লেকে এই সোনা ও গুপ্তধন ফেলে দেওয়া হয়।

২০৬ বছর পর খোঁজ মিললো নেপোলিয়নের বিপুল গুপ্তধনের!এছাড়া ইতিহাসবিদদের বহু দিনের দাবি, ৪০০টি ওয়াগন ভর্তি সোনা নেপোলিয়নের ৫০০ জন ঘোড়সওয়ার ও ২৫০ জন এলিট ওল্ড গার্ডের প্রহরায় ছিল।

নেপোলিয়ন নিজে এই গুপ্তধন ও সোনার সমাধিস্থ হওয়া দেখতে গিয়েছিলেন,জানান রিজকোভ।ডিসেম্বরের ঠান্ডায় ওয়াগন ভর্তি সোনার সবটাই ফেলে দেওয়া হয়েছিল জলাশয়ে। ১৯৮০ সালে এই লেকের জলেই প্রচুর পরিমাণে রুপা মিলেছিল।

স্কটিশ ঔপন্যাসিক ওয়াল্টার স্কট তার ‘দ্য লাইফ অব নেপোলিয়ন বোনাপার্ট’-এ উল্লেখ করেছেন এই সোনার কথা। এর পর থেকেই এই বিপুল পরিমাণ সোনা নিয়ে উৎসাহ আরও বেড়েছে।তবে এখনও পর্যন্ত সেমলেভো লেকে থেকে বিপুল অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার হলেও কোনও দিনই সোনাদানা উদ্ধার হয়নি। ৬০ ও ৭০ এর দশকে রাশিয়া এই সোনা উদ্ধারের চেষ্টা করেছে অসংখ্যবার, কিন্তু সফল হয়নি।

বহু বছর ধরে এই এলাকায় সোনার সন্ধান করছেন ভ্লাদিমির পোরিভেইভ নামে এক ইতিহাসবিদ। তিনি বলছেন, রিজকোভের দাবি ভিত্তিহীন।

সূত্র: ডেইলি মেইল।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: