রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২ পৌষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সিলেটে বিএনপি নেতাকর্মীদের মারধর ও ধরপাকড়ের অভিযোগ  » «   আটকে রেখে তিন সাংবাদিককে পেটালো বুয়েট ছাত্রলীগ  » «   সিরিয়ায় মসজিদ ধ্বংস করল মার্কিন জোট  » «   বাবার স্বপ্ন পূরণে বড় চাকরি ছেড়ে আপনাদের সেবায় এসেছি: রেজা কিবরিয়া  » «     » «   নির্বাচনে ‘সংঘাত’ একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না: সিইসি  » «   জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ২৫ সদস্যের সমন্বয়ক কমিটি  » «   আফগানিস্তানে মার্কিন বিমান হামলায় ১২ শিশুসহ নিহত ২০  » «   মহান বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা  » «   চমক থাকছে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে  » «   দুই-তিন দিনের মধ্যে ইসিতে যাবে বিএনপি  » «   কাদের সিদ্দিকী রাজাকার, বদমাইশ : মির্জা আজম  » «   নির্বাচনের ৭ দিন আগে ব্যালট পৌঁছে যাবে: ইসি সচিব  » «   রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে চান ড. কামাল  » «   যুক্তরাষ্ট্র-অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড কানাডায় বোমা হামলার হুমকি  » «  

১৮ শতকের বাংলা পুঁথি অস্ট্রেলিয়ার গহীন মরুতে



নিউজ ডেস্ক:: কয়েক বছর আগে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে দুর্গম অঞ্চলের প্রায় পাঁচশ কিলোমিটার গভীর মরুভূমিতে হঠাৎ খুঁজে পাওয়া যায় একটি প্রাচীন গ্রন্থ। মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কুরআন ভেবে তা সংরক্ষণ করা হচ্ছিল। ২০১৫ সালের ২৮ অক্টোবর এ ব্যাপারে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ-এশিয়া ইন্সটিটিউটের অবসাইটে তথ্য প্রকাশ করা হয়।

তবে সেই গ্রন্থটি যে আসলে বাংলা ভাষায় লেখা শত বছরের পুরনো তা সেখানে গিয়ে দেখতে পান অস্ট্রেলিয়ান-বাংলাদেশি একজন গবেষক ড. সামিয়া খাতুন।
সামিয়া খাতুন জানান, ইতিহাসের বই-এ যখন তিনি ওই কুরআনের কথা পড়েন, তখন তিনি তা দেখতে পাড়ি জমিয়েছিলেন সেখানে। বইটি খুঁজে বের করার পর তা খুলে দেখি সেটি কুরআন নয়, বাংলা কবিতা।
সামিয়া খাতুন গবেষণা করতে গিয়ে জানতে পেরেছেন বহু জাহাজী সে সময় ওই এলাকায় গিয়েছিলেন। বহু বাঙালি উটের ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত ছিল। অনেক বাঙালি সেসময় আয়ার কাজ করতেও সেখানে গিয়েছিলেন।
তিনি আরও জানান, লেখাটি ছাপা হয়েছিল ১৮৬১ সালে; জনপ্রিয়তার কারণে সেটা কয়েকবার পুর্নমুদ্রিত হয়েছে। এই কপিটি ১৮৯৫ সালে ছাপা বলেও জানান তিনি।
বাঙালি অভিবাসীরা তখন অস্ট্রেলিয়ার গহীন এলাকায় পুঁথিপাঠ করতেন। ওই সময়ে অস্ট্রেলিয়ার মরুভূমিতে বাঙালিদের মধ্যে পুঁথিপাঠের একটা সংস্কৃতি চালু ছিল। সেখানে ওই সময় একটা বড়সড় বাঙালি জনগোষ্ঠি ছিল বলেই এই পুঁথিপাঠের চর্চা গড়ে উঠেছিল বলে মনে করেন সামিয়া।
এছাড়া সেই পুঁথিপাঠ শুনতে আসতেন অন্য দেশ থেকে সেখানে যাওয়া অনেক মানুষ, যারা বাঙালি ছিলেন না। এইসব কবিতা তাদের জন্য অনুবাদ করে শোনানো হতো।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: