বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বিএনপি নেতাদের ওপর ক্ষুব্ধ তারেক রহমান!  » «   পায়রা বন্দরের নিরাপত্তায় পুলিশের বিশেষ আয়োজন  » «   সরকারের চাপের মুখে দেশত্যাগ করতে হয়েছে: এসকে সিনহা  » «   পুতিন আমাকে হত্যার চেষ্টা করেছে : রাশিয়ান মডেল  » «   বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ: ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত  » «   ফের গ্রেপ্তার নাজিব রাজাক; দায়ের হবে ২১ মামলা  » «   প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ আবেদনেই প্রতিষ্ঠানের ৪০ কোটিরও বেশি আয় !  » «   ইউএনওদের জন্য উচ্চমূল্যে ১০০ জিপ গাড়ি, আপত্তি অর্থ মন্ত্রণালয়ের  » «   ডিজিটাল হলো জাতীয় পরিচয়পত্রের সেবা ব্যবস্থাপনা  » «   লন্ডনে মুসলিমদের ওপর গাড়ি হামলা, আহত ৩  » «   সরকারি চাকরিজীবীদের ৫% সুদে গৃহঋণের আবেদন অক্টোবরে  » «   ভারতে তিন তালাককে শাস্তিযোগ্য অপরাধ ঘোষণা  » «   স্কুলছাত্রীকে পিটিয়ে অজ্ঞান করলেন শিক্ষক  » «   বোমা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, আর ইয়েমেনে সেই বোমা ফেলছে সৌদি  » «   রাখঢাক রাখছেন না পর্নো তারকা ডানিয়েল স্টর্মি  » «  

১৮ শতকের বাংলা পুঁথি অস্ট্রেলিয়ার গহীন মরুতে



নিউজ ডেস্ক:: কয়েক বছর আগে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে দুর্গম অঞ্চলের প্রায় পাঁচশ কিলোমিটার গভীর মরুভূমিতে হঠাৎ খুঁজে পাওয়া যায় একটি প্রাচীন গ্রন্থ। মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কুরআন ভেবে তা সংরক্ষণ করা হচ্ছিল। ২০১৫ সালের ২৮ অক্টোবর এ ব্যাপারে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ-এশিয়া ইন্সটিটিউটের অবসাইটে তথ্য প্রকাশ করা হয়।

তবে সেই গ্রন্থটি যে আসলে বাংলা ভাষায় লেখা শত বছরের পুরনো তা সেখানে গিয়ে দেখতে পান অস্ট্রেলিয়ান-বাংলাদেশি একজন গবেষক ড. সামিয়া খাতুন।
সামিয়া খাতুন জানান, ইতিহাসের বই-এ যখন তিনি ওই কুরআনের কথা পড়েন, তখন তিনি তা দেখতে পাড়ি জমিয়েছিলেন সেখানে। বইটি খুঁজে বের করার পর তা খুলে দেখি সেটি কুরআন নয়, বাংলা কবিতা।
সামিয়া খাতুন গবেষণা করতে গিয়ে জানতে পেরেছেন বহু জাহাজী সে সময় ওই এলাকায় গিয়েছিলেন। বহু বাঙালি উটের ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত ছিল। অনেক বাঙালি সেসময় আয়ার কাজ করতেও সেখানে গিয়েছিলেন।
তিনি আরও জানান, লেখাটি ছাপা হয়েছিল ১৮৬১ সালে; জনপ্রিয়তার কারণে সেটা কয়েকবার পুর্নমুদ্রিত হয়েছে। এই কপিটি ১৮৯৫ সালে ছাপা বলেও জানান তিনি।
বাঙালি অভিবাসীরা তখন অস্ট্রেলিয়ার গহীন এলাকায় পুঁথিপাঠ করতেন। ওই সময়ে অস্ট্রেলিয়ার মরুভূমিতে বাঙালিদের মধ্যে পুঁথিপাঠের একটা সংস্কৃতি চালু ছিল। সেখানে ওই সময় একটা বড়সড় বাঙালি জনগোষ্ঠি ছিল বলেই এই পুঁথিপাঠের চর্চা গড়ে উঠেছিল বলে মনে করেন সামিয়া।
এছাড়া সেই পুঁথিপাঠ শুনতে আসতেন অন্য দেশ থেকে সেখানে যাওয়া অনেক মানুষ, যারা বাঙালি ছিলেন না। এইসব কবিতা তাদের জন্য অনুবাদ করে শোনানো হতো।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: