সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দ্বিতীয় দিনের সাক্ষাৎকার চলছে: ভিডিও কনফারেন্সে আছেন তারেক রহমান  » «   নির্বাচনে রোহিঙ্গাদের সম্পৃক্ততা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ইসির নির্দেশনা  » «   চিকিৎসা বিষয়ে খালেদার রিটের আদেশ আজ  » «   তারেক রহমান মনোনয়ন প্রত্যাশীদের কাছে যা জানতে চাচ্ছেন  » «   চ্যারিটেবল মামলায় দণ্ডের বিরুদ্ধে খালেদার আপিল  » «   সিরিয়ায় মার্কিন বিমান হামলা; শিশু ও নারীসহ নিহত ৪৩  » «   থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞা  » «   দু’দিনের মধ্যেই খাশোগি হত্যার পরিপূর্ণ তদন্ত রিপোর্ট : ট্রাম্প  » «   বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন তারেক  » «   বাড়িতে বাবার লাশ, পিএসসি পরীক্ষা দিতে গেল মেয়ে  » «   প্রবাসী স্ত্রীকে লাইভে রেখে সিলেটের স্বামীর আত্মহত্যা!  » «   খাশোগি হত্যা: যুক্তরাষ্ট্র-সৌদির নীল নকশা ও তুরস্কের উদ্দেশ্য  » «   দুই নম্বরি কেন ১০ নম্বরি হলেও ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে থাকবে: ড. কামাল  » «   বোরকার বিরুদ্ধে সৌদি নারীদের অভিনব প্রতিবাদ  » «   আজ থেকে শুরু হচ্ছে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষা  » «  

১৫ বছর পর ফুটে উঠল ‘মৃত্যুর ফুল’



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ফুলের নাম ‘মৃত্যুকুসুম’। কোনো রহস্য উপন্যাস থেকে উঠে আসা কল্পনা নয়, সত্যিই এই ফুল রয়েছে এই পৃথিবীতেই। যার ডাক নাম ‘কর্পস ফ্লাওয়ার’। সম্প্রতি দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার হান্টিংটন লাইব্রেরির বাগানে ফুটেছে এই ফুল। যা দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন হাজার হাজার কৌতুহলী মানুষ।

মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছে, এই ফুলের বৈজ্ঞানিক নাম ‘অ্যামরফোফ্যালাস টাইটানাম’। কিন্তু এক বিশেষ কারণে এই ফুলকে ‘স্টিংক’ বলে ডাকা হয়। কারণটি হলো, ফোটার পর এই ফুল থেকে যে গন্ধ ছড়ায়, তা পচা মাংস বা মৃতদেহের গন্ধ। হান্টিংটন লাইব্রেরির মুখপাত্র লিজা ব্ল্যাকবার্ন জানিয়েছেন, এই ফুল ফুটতে সময় নেয় ১৫ বছর। কিন্তু এর ফুটে ওঠার প্রকৃত সময় মাত্র ২৪ ঘণ্টা।

এক সময়ে এই ফুল ফুটত জাভা ও সুমাত্রার কিছু কিছু অঞ্চলে। পরে উদ্ভিদবিদ্যা চর্চাকারীরা তা বিভিন্ন দেশে নিয়ে যান। বলাই বাহুল্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই ফুল নিয়ে গেছেন গবেষকরাই। এর আগে ২০১৪ সালের ২৩ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সান ম্যারিনোয় সর্বশেষ কর্পস ফ্লাওয়ারটি ফুটেছিল। হান্টিংটন লাইব্রেরিতে ‘মৃত্যুকুসুম’ দেখতে আসা উৎসাহীদের মতে, এই ফুল দেখা সারা জীবন মনে রাখার মতো এক ঘটনা।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: