সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
হবিগঞ্জে ছেলেধরা সন্দেহে তিনজনকে গণপিটুনি  » «   গণপিটুনিতে রেনু নিহতের ঘটনায় আটক ৩ জন রিমান্ডে  » «   ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে মামলা  » «   ফের জাতীয় সংলাপের আহ্বান ড. কামালের  » «   জবানবন্দি প্রত্যাহার ও চিকিৎসা- মিন্নির পক্ষে দুই আবেদনই নামঞ্জুর  » «   উ. কোরিয়ায় নির্বাচন: ভোট পড়েছে ৯৯.৯৮ শতাংশ  » «   এইডস ঝুঁকিতে সিলেট ও মৌলভীবাজার  » «   ঈদের আগেই সরকারি ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার ফল  » «   বিমানের ৪৫ হাজার টিকিট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে হরিলুট  » «   মিন্নি নয়, রিফাত হত্যার নেপথ্যে চেয়ারম্যানের স্ত্রী?  » «   পাকিস্তানে নারী আত্মঘাতীর বিস্ফোরণে ছয় পুলিশসহ নিহত ৯  » «   সাইকেল চালিয়ে হজ করতে যাচ্ছেন ৮ ব্রিটিশ মুসলিম  » «   প্রিয়া সাহার মিথ্যা বক্তব্য মার্কিন আধিপত্য বিস্তারের ষড়যন্ত্র : জয়  » «   বাংলাদেশের পোশাক খাতে রপ্তানি বেড়েছে ২২ শতাংশ  » «   ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার শোরুম সিলগালা করলো সিসিক  » «  

১২৫ বাংলাদেশি মিয়ানমার থেকে ফিরছে



poপ্রবাস ডেস্ক :: সাগরে ভাসমান অবস্থায় মিয়ানমারের জলসীমা থেকে উদ্ধার হওয়া অভিবাসি প্রত্যাশীদের মধ্যে পঞ্চম দফায় বাংলাদেশি ১২৫ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।

এদের ফিরিয়ে আনতে বিজিবি, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনের সম্বনয়ে গঠিত বাংলাদেশের ২০ সদস্যের প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে বান্দরবানের ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারের ঢেঁকিবনিয়ায় যান। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল ও মিয়ানমার ইমিগ্রেশন বিভাগের মধ্যে চলছে পতাকা বৈঠক।

বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল ও মিয়ানমার ইমিগ্রেশন বিভাগের মধ্যে সীমান্তের ঘুমধুম জিরো পয়েন্টের বিপরীতে মিয়ানমারের তমব্রু টাউন অ্যাডমিনিস্ট্রিশন অফিসএ পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বৈঠক শেষে বাংলাদেশি হিসেবে শনাক্ত হওয়া ১২৫ জনকে ফেরত আনা হবে।

বাংলাদেশের ২০ সদস্যের প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কক্সবাজার সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল এম এম আনিসুর রহমান।

মিয়ানমারের ২৩ সদস্যের প্রতিনিধি দলের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মিয়ানমার ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনাল রেজিস্ট্রি ডিপার্টমেন্ট পরিচালক ইউ স নাইং।

বিজিবির কক্সবাজার সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল এম আনিসুর রহমান জানান, শনাক্ত হওয়া ১২৫ জনের মধ্যে ১৪টি জেলার বাসিন্দা রয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ রয়েছে কক্সবাজার জেলার। কক্সবাজার জেলার রয়েছে ৮৪ জন। এছাড়া ২৪ জন রয়েছে অপ্রাপ্তবয়স্ক।

বিজিবির এ কর্মকর্তা জানান, এদের ফেরত এনে কক্সবাজার জেলা পুলিশের অধিনে রাখা হবে কক্সবাজার শহরের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে। ওখানে জিজ্ঞাসাবাদবাদ শেষে অপ্রাপ্ত বয়স্কদের আদালতে হাজির করে অভিভাবকের কাছে পৌঁছানো এবং অন্যান্যদের নিজ জিম্মায় বাড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইএমও)।

ফেরত আসার অপেক্ষায় ১২৫ জন দেশের ১৪ জেলার বাসিন্দা, তবে বেশিরভাগই কক্সবাজারের। এদের মধ্যে ২০/২৫ জন শিশু-কিশোরও রয়েছে।

জেলাগুলো হলো- কক্সবাজার, বান্দরবান, ফেনী, ভোলা, চাঁদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজবাড়ী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ঢাকা, কিশোরগঞ্জ ও মেহেরপুর।

উল্লেখ্য, এর আগে ৮ ও ১৯ জুন, ২২ জুলাই ও ১০ আগষ্ট ৪ দফায় শনাক্ত হওয়া ৫০১ জন বাংলাদেশীকে ফেরত আনা হয়েছে। গত ২১ মে ২০৮ জন ও ২৯ মে ৭২৭ জন অভিবাসি প্রত্যাশীকে মিয়ানমারের জলসীমা থেকে উদ্ধার করেছিল সে দেশের নৌ বাহিনী। এরপর বাংলাদেশি হিসেবে দাবি করা তালিকা নিয়ে উভয় দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে। ওই তালিকায় শনাক্ত হওয়া বাংলাদেশিদের পর্যায়ক্রমে ফেরত আনা হচ্ছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: