রবিবার, ১৯ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ভর্তুকি দিয়ে হলেও চাল রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী  » «   ভেঙ্গে যাচ্ছে সিলেট জেলা বিএনপির কমিটি!  » «   বিদেশে অবস্থানরত শ্রমিকদের প্রতি মিশনগুলোর ধারণা নেতিবাচক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   হিজাব পরে অস্ট্রিয়ার অমুসলিম নারী সাংসদের অভিনব প্রতিবাদ  » «   গাড়ি নষ্ট, রিকশায় চড়ে অভিযানে মেয়র আরিফ  » «   মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়সের পরিপত্র অবৈধ: হাইকোর্ট  » «   কৃষক রক্ষা না করলে অভিশাপ নেমে আসবে: রিজভী  » «   ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের ফল প্রকাশ, পাসের হার ২০.৫৩%  » «   মুক্তিযোদ্ধা, এতিম ও আলেমদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ইফতার আজ  » «   রাতভর ধ্যানের পর বদ্রিনাথের পথে মোদি, রেকর্ড সংখ্যায় ভোট দেওয়ার আহ্বান  » «   জুলাই থেকে ১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট দেয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   ফখরুলের আসনে মান্নাকে উপনির্বাচন করার প্রস্তাব  » «   বিমান ছিনতাই চেষ্টা: শিমলার হদিস পাচ্ছে না পুলিশ  » «   এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে: ওবায়দুল কাদের  » «   লন্ডনের ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হলেন সিলেটের আহবাব  » «  

১২৫ বাংলাদেশি মিয়ানমার থেকে ফিরছে



poপ্রবাস ডেস্ক :: সাগরে ভাসমান অবস্থায় মিয়ানমারের জলসীমা থেকে উদ্ধার হওয়া অভিবাসি প্রত্যাশীদের মধ্যে পঞ্চম দফায় বাংলাদেশি ১২৫ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।

এদের ফিরিয়ে আনতে বিজিবি, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনের সম্বনয়ে গঠিত বাংলাদেশের ২০ সদস্যের প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে বান্দরবানের ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারের ঢেঁকিবনিয়ায় যান। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল ও মিয়ানমার ইমিগ্রেশন বিভাগের মধ্যে চলছে পতাকা বৈঠক।

বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল ও মিয়ানমার ইমিগ্রেশন বিভাগের মধ্যে সীমান্তের ঘুমধুম জিরো পয়েন্টের বিপরীতে মিয়ানমারের তমব্রু টাউন অ্যাডমিনিস্ট্রিশন অফিসএ পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বৈঠক শেষে বাংলাদেশি হিসেবে শনাক্ত হওয়া ১২৫ জনকে ফেরত আনা হবে।

বাংলাদেশের ২০ সদস্যের প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কক্সবাজার সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল এম এম আনিসুর রহমান।

মিয়ানমারের ২৩ সদস্যের প্রতিনিধি দলের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মিয়ানমার ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনাল রেজিস্ট্রি ডিপার্টমেন্ট পরিচালক ইউ স নাইং।

বিজিবির কক্সবাজার সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল এম আনিসুর রহমান জানান, শনাক্ত হওয়া ১২৫ জনের মধ্যে ১৪টি জেলার বাসিন্দা রয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ রয়েছে কক্সবাজার জেলার। কক্সবাজার জেলার রয়েছে ৮৪ জন। এছাড়া ২৪ জন রয়েছে অপ্রাপ্তবয়স্ক।

বিজিবির এ কর্মকর্তা জানান, এদের ফেরত এনে কক্সবাজার জেলা পুলিশের অধিনে রাখা হবে কক্সবাজার শহরের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে। ওখানে জিজ্ঞাসাবাদবাদ শেষে অপ্রাপ্ত বয়স্কদের আদালতে হাজির করে অভিভাবকের কাছে পৌঁছানো এবং অন্যান্যদের নিজ জিম্মায় বাড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইএমও)।

ফেরত আসার অপেক্ষায় ১২৫ জন দেশের ১৪ জেলার বাসিন্দা, তবে বেশিরভাগই কক্সবাজারের। এদের মধ্যে ২০/২৫ জন শিশু-কিশোরও রয়েছে।

জেলাগুলো হলো- কক্সবাজার, বান্দরবান, ফেনী, ভোলা, চাঁদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজবাড়ী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ঢাকা, কিশোরগঞ্জ ও মেহেরপুর।

উল্লেখ্য, এর আগে ৮ ও ১৯ জুন, ২২ জুলাই ও ১০ আগষ্ট ৪ দফায় শনাক্ত হওয়া ৫০১ জন বাংলাদেশীকে ফেরত আনা হয়েছে। গত ২১ মে ২০৮ জন ও ২৯ মে ৭২৭ জন অভিবাসি প্রত্যাশীকে মিয়ানমারের জলসীমা থেকে উদ্ধার করেছিল সে দেশের নৌ বাহিনী। এরপর বাংলাদেশি হিসেবে দাবি করা তালিকা নিয়ে উভয় দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে। ওই তালিকায় শনাক্ত হওয়া বাংলাদেশিদের পর্যায়ক্রমে ফেরত আনা হচ্ছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: