সোমবার, ২৪ জুন ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
প্রথমবার সিলেট-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে উড়বে ইউএস-বাংলা  » «   ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো ইন্দোনেশিয়ায়-জাপান-অস্ট্রেলিয়া  » «   ভোটকেন্দ্রেই ঘুমিয়ে পড়লেন কর্মকর্তা  » «   ‘জয় শ্রীরাম’ না বলায় পিটিয়ে মুসলিম যুবককে হত্যা  » «   নয়াপল্টনে একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ  » «   অফিসে বসে বসে শুধু কি চা খাইলে হবে? দেশপ্রেম থাকতে হবে: হাইকোর্ট  » «   বিকেলের মধ্যে উদ্ধার কাজ শেষ হবে: রেলসচিব  » «   বাংলাদেশের নামে সড়কের নামকরন যুক্তরাষ্ট্রে  » «   সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লেও দুর্নীতি কমছে না : টিআইবি  » «   দেশসেরা প্রধান শিক্ষক হবিগঞ্জের শাহনাজ কবীর  » «   বাঘের খাবারও চুরি হয় ঢাকা চিড়িয়াখানায়, ফেসবুকে ভাইরাল  » «   দুই মাস ওমরাহ ভিসা স্থগিত করল সৌদি  » «   বীমার আওতায় যেসব সুবিধা পাচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীরা  » «   কারাগারে সুনামগঞ্জের আ. লীগ নেতা শামীম আহমদ  » «   মুক্তি পেয়ে নতুন যে বাড়িতে থাকবেন খালেদা  » «  

১১ ম্যাচ পর জয়ের দেখা পেলো পাকিস্তান



স্পোর্টস ডেস্ক:: এবারের বিশ্বকাপের প্রথম জয় তুলে নিয়েছে পাকিস্তান। টানা ১১ ম্যাচ হারের পর জয়ের দেখা পেলো দলটি। আর বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারে মতো জোড়া সেঞ্চুরি পেয়েও জয় বঞ্চিত হলো কোন দল।

ম্যাচ জিততে হলে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ রান তারা করে জিততে হতো ইংল্যান্ডকে। জো রুট আর জশ বাটলারের জোড়া সেঞ্চুরিতে লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত আর পেরে উঠলো না ইংল্যান্ড। পাকিস্তানের কাছে ১৪ রানে হেরেছে স্বাগতিকরা।

ট্রেন্ট ব্রিজে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে হাফিজ, বাবর ও সরফরাজের অর্ধশতকে ৮ উইকেটে ৩৪৮ রান করে পাকিস্তান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে ৩৩৪ রানে থেকে যায় ইংল্যান্ডের ইনিংস।

৩৪৯ রানের বিশাল টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরতেই ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা। দলীয় ১২ রানে জেসন রয়ের উইকেট হারায় ইংলিশরা। দ্বিতীয় উইকেটে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন জনি বেয়ারস্টো ও জো রুট। ব্যক্তিগত ৩২ রানে ওয়াহাব রিয়াজের বলে আউট হন বেয়ারস্টো।

অধিনায়ক ইয়ন মরগানও ক্রিজে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। দলীয় ৮৬ রানে হাফিজের বলে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন তিনি। চাপে পড়ে যায় ইংলিশরা। সেই চাপ আরও বাড়ে বেন স্টোকসের বিদায়ের পর। স্কোর বোর্ডে রান তখন ৪ উইকেটে ১১৮। এক পাশ আগলে রেখে অর্ধশতক তুলে নেন রুট।

পঞ্চম উইকেটে প্রতিরোধ গড়েন রুট ও জশ বাটলার। এবারে বিশ্বকাপ আসরের প্রথম সেঞ্চুরির দেখাও পান রুট। ১৩০ রান আসে তাদের ব্যাট থেকে। হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন বাটলারও। সাদাব খানের বলে আউট হওয়ার আগে ১০৭ রান করেন রুট। ১০টি চার ও ১টি ছয়ের মারে সাজানো ছিল রুটের ইনিংস।

রুটের দেখানো পথ অনুসরণ করেন বাটলারও। অর্ধশতকটাকে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের নবম সেঞ্চুরিতে পরিণত করেন তিনি। তবে এরপর আর এগোতে পারেনিনি বাটলার। আমিরের বলে ওয়াহাব রিয়াজের হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে ১০৩ রান করেন তিনি। দলের রান তখন ৬ উইকেটে ২৮৮।

বাটলারের বিদায়ের পর চাপে পড়ে যায় স্বাগতিকরা। সপ্তম উইকেট জুটিতে ২২ বলে ৩২ রানে জুটিতে জয়ের স্বপ্ন দেখেতে থাকে ইংল্যান্ড। তবে ৪৮তম ওভারে পরপর দুই বলে মঈন আলী ও ক্রিস ওকসের উইকেট তুলে নিয়ে ইংল্যান্ডের সেই স্বপ্ন শেষ করে দেন ওয়াহাব রিয়াজ। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেটে ৩৩৪ রানে থেমে যায় ইংল্যান্ডের ইনিংস।

পাকিস্তানের ওয়াহাব তিনটি, সাদাব ও আমির দুইটি এবং হাফিজ ও শোয়েব মালিক একটি করে উইকেটে নেন। এর আগে, টস হেরে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানকে ভালো সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার ইমাম-উল-হক ও ফখর জামান। ৮২ রান আসে তাদের ব্যাট থেকে। ৪৪ রান করে আউট হন ফখর। আরেক ওপেনার ইমাম ৩৬ রান করে মঈন আলীর বলে বাটলারের হাতে ধরা পড়েন।

তৃতীয় উইকেট জুটিতে প্রতিরোধ গড়েন বাবর আজম ও মোহাম্মদ হাফিজ। ৮৮ রানের জুটি গড়েন তারা। অর্ধশতক তুলে নেন বাবর। দলীয় ১৯৯ রানে ব্যক্তিগত ৬৩ রান করে মঈন তৃতীয় শিকারে পরিণত হন তিনি।

অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে চতুর্থ উইকেটে আরও ৮০ রান যোগ করেন হাফিজ। অর্ধশতক তুলে নেন হাফিজ। দলীয় ২৭৯ রানে হাফিজ ৬২ বলে ৮৪ রান করে মার্ক উডের বলে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন।

এরপরে আর কোনো ব্যাটসম্যানই রানের দেখা পাননি। মূলত সলফরাজের ব্যাটেই ৩০ রান পার করে পাকিস্তান। অর্ধশতক তুলে ৪৪ বলে ৫৫ রান করে দলীয় ৩১৯ রারে বিদায় নেন সরফরাজ। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ৩৪৮ রানের সংগ্রহ পায় পাকিস্তান।

ইংল্যান্ডের ক্রিস ওকস ও মঈন আলী ৩টি এবং মার্ক উড ২টি উইকেট নেন। অলরাউন্ড পারফর্মেন্সের কারণে ম্যাচ সেরা হয়েছেন পাকিস্তানের মোহাম্মদ হাফিজ।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: