মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
রাজমিস্ত্রি সেজে খুনি ধরলেন এসআই লালবুর রহমান!  » «   আগামী ৫ জুন পবিত্র ঈদুল ফিতর!  » «   বাংলাদেশের সঙ্গে ঝামেলা করতে চাচ্ছে পাকিস্তান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   লুটপাটের উন্নয়নের কথা শুনতে শুনতে জনগণ অতিষ্ঠ: রিজভী  » «   শ্লীলতাহানির বিচার না পেয়ে কিশোরীর আত্মহত্যা, ওসি প্রত্যাহার  » «   ৩৪ পয়েন্টে ওয়াসার পানি পরীক্ষার নির্দেশ  » «   যেভাবে গণনা হবে ভারতে লোকসভা নির্বাচনের ভোট  » «   ঋণখেলাপিদের গণসুবিধার নীতিমালায় স্থিতি অবস্থার আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট  » «   স্বামী- স্ত্রী পরিচয়ে পতিতাবৃত্তি, সাংবাদিক পরিচয়ে ব্লাকমেইল!  » «   পাকিস্তানের নাগরিকদের ভিসা বন্ধ করল বাংলাদেশ  » «   সৌদি আরবের মক্কা ও জেদ্দা নগরীতে হুতিদের মিসাইল হামলা  » «   সারাদেশের পাস্তুরিত দুধ পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট  » «   আত্মহত্যাচেষ্টার আগে শোভন-রাব্বানীর উদ্দেশে ফেসবুকে যা লিখলেন দিয়া  » «   এক সময়ের কোটিপতি এখন ভাঙারি দোকানের শ্রমিক!  » «   বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির মনোনয়ন দৌঁড়ে এগিয়ে সিরাজ  » «  

১০০ বছর আগেও প্লাস্টিক সার্জারির অস্তিত্ব ছিল!



নিউজ ডেস্ক:: পছন্দসই নাক কিংবা ঠোঁট। এমনকি নিতম্বও আজকাল পাল্টে ফেলা যায় ‘প্লাস্টিক সার্জারি’র জোরে। হলিউড হোক বলিউড এর চর্চা কমবেশি সব জায়গাতেই দেখা যায়। এ নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা কম হয়নি।তবে ইতিহাস বলছে, এই ধরনের অস্ত্রোপচার একেবারেই হালের ফ্যাশন নয়।এর শিকড় রয়েছে একশো বছর গভীরে।

১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর আনুষ্ঠানিক ভাবে শেষ হয়েছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ। যুদ্ধ সমাপ্তির সেই শতবর্ষকে স্মরণ করেছেন চিকিৎসক রবার্ট কারবি।

ইংল্যান্ডের কিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক্লিনিকাল এডুকেশন এবং সার্জারি’র এই অধ্যাপক জানালেন, একশ বছর আগে, সেই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আমলেই শুরু হয়েছিল এই ধরনের অস্ত্রোপচারের প্রচলন। পরবর্তীকালে ‘প্লাস্টিক সার্জারি’ বা ‘প্রস্টেথিকস’ প্রযুক্তিও এসেছে সেই প্রাচীন গবেষণারই হাত ধরে।

কারবি জানান, মূলত যুদ্ধে আহত সেনাদের ক্ষতবিক্ষত চেহারা ঠিক করতেই এই ধরনের অস্ত্রোপচার শুরু হয় ইংল্যান্ডে। অধ্যাপক জানাচ্ছেন, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষে প্রায় সাড়ে সাত লক্ষ ব্রিটিশ সেনা হাসপাতালে নানা ধরনের চিকিৎসার পরে ছাড়া পেয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন।

তাদের মধ্যে প্রায় ১৬ শতাংশের মুখে ছিল ভয়াবহ ক্ষত।মূলত শার্পনেল বা শেলের টুকরো অনেকেরই চেহারার একটা বড় অংশকে পুরোপুরি চেনার অযোগ্য করে দিয়েছিল। হ্যারল্ড গিলিজ নামে নিউজিল্যান্ডের এক ইএনটি চিকিৎসক আহত এই ধরনের সেনার চিকিৎসা করছিলেন ‘ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট’-এ।

তিনিই প্রথম এই ধরনের পুড়ে যাওয়া বা একেবারে ক্ষতবিক্ষত মুখগুলোর উপরে ‘কসমেটিক সার্জারি’ করার প্রয়োজন অনুভব করেন। ১৯১৬ সালে অলডারশটে তৈরি হয় ব্রিটেনের প্রথম প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট। কেমব্রিজ সেনা হাসপাতালে আহত ব্রিটিশ সেনাদের মুখে সেই প্রথম ‘স্কিন গ্রাফটিং’ শুরু করেন চিকিৎসক গিলিজ।

একেবারে শুরুতে দু’শো জন মতো রোগী আশা করেছিলেন গিলিজ। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, সংখ্যাটা তখনই দু’হাজার ছাড়িয়েছে। কোনও আহত সেনার ক্ষতবিক্ষত মুখে দেহের অন্য অংশ থেকে চামড়া নিয়ে মুখে জোড়ার কাজ শুরু হয় সেই সময় থেকেই।

ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে তার রোগীর সংখ্যা। গিলিজের হাতে গড়া দক্ষিণ-পূর্ব ইংল্যান্ডে কুইন মেরিজ় হাসপাতালে একটি বিশেষ ইউনিটে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে এ ধরনের ১১ হাজারেরও বেশি অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল।

সূত্র : আনন্দবাজার

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: