বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ পৌষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
তরুণ ও যুবকদের জন্য যে চমক আ. লীগ-বিএনপির ইশতেহারে  » «   নারায়ণগঞ্জে গ্যাসের আগুনে একই পরিবারের ৯ জন দগ্ধ  » «   আমার কিছু হলে দায়ী আপনারা মামা-ভাগ্নে: সিইসিকে গোলাম মাওলা রনি  » «   ভুলভ্রান্তি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন: শেখ হাসিনা  » «   মাহবুব তালুকদারের বক্তব্য অসত্য: সিইসি  » «   ভোটের ফলাফল প্রকাশে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ  » «   ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় মইনুলের জামিন  » «   বাংলাদেশের বিজয় দিবসকে অবজ্ঞা শেহবাগের!  » «   সারাদেশে ১ হাজার ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন  » «   প্রার্থিতা নিয়ে রিট খারিজ, নির্বাচন করতে পারবেন না খালেদা জিয়া  » «   জামায়াতের ২২ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলে রুল  » «   সিলেটে প্রাধান্য উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার  » «   বিএনপির ইশতেহার ঘোষণা করছেন ফখরুল  » «   আপিলেও ভোটের পথ খুলল না ইলিয়াসপত্নী লুনার  » «   যেসব ‘বিশেষ’ অঙ্গীকার থাকছে আ. লীগের নির্বাচনি ইশতেহারে  » «  

হোটেলের খাবার খেয়ে অসুস্থ ৩০ শিক্ষার্থী



রাসেল ইসলাম,দিনাজপুর থেকে:দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) সংলগ্ন বাজার বাঁশেরহাটের একটি হোটেলর খাবার খেয়ে অন্তত ৩০ শিক্ষাথী অসুস্থ হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সায়েন্স অনুষদের ইন্টার্ণি ব্যাচের শিক্ষার্থী।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ‘ইন্টার্ণ ভেটেরিনারি ডাক্তারদের সম্মানার্থে রেনেটা ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড সোমবার (১১ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সেমিনারের আয়োজন করে। সেমিনারে বাঁশেরহাটের সাদিক হোটেল থেকে খাবার সরবরাহ করা হয়। সেমিনারের খাবার খেয়ে অন্তত ৩০ জন ছাত্রছাত্রীর বদহজমসহ পাতলা পায়খানা শুরু হয়েছে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসা গ্রহণ করেন।

অসাস্থ্যকর ও বাসি তেলে রান্নার জন্য এরকম সমস্যা হয়েছে বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ। ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সায়েন্স অনুষদের ১১ তম ব্যাচের ছাত্র এলিছ, পবিত্র, ইফরান, নোমান, মুনির, বিশাল, সাদেক, হাবীবসহ অন্তত ৩০ জন এ খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

তাদের অভিযোগ, ‘সাদিক হোটেলের এ ধরনের কর্মকান্ডের জন্য আগেও জরিমানা গুনতে হয়েছে। পঁচা বাসি খাবার পরিবেশন করে অনেক টাকা হাতিয়ে নেয় তারা।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে খাবারের সুষ্ঠু ব্যবস্থা নাই বলে ছাত্রছাত্রীরা বাধ্য হয়ে বেঁচে থাকার তাগিদে এগুলো খেতে বাধ্য হয়। রুবেল নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধিতে রমরমা ব্যবসা করছে বাঁশেরহাটের হোটেলগুলো। দাম বেশি ও অস্বাস্থ্যকর খাবার পরিবেশন করে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ বাড়িয়েছে।

খাদ্যমুল্যের ব্যাপারে হোটেল মালিকদের কিছু বলতে গেলে তারা বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় দাম বেশি হবে এটায় স্বাভাবিক।’ অথচ দেশের অনান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আশেপাশে খাবারের দাম যথেষ্ট কম। ‘ছাত্রছাত্রী বৃদ্ধির পরেও ক্যাম্পাসের ভিতরে তেমন হোটেলের ব্যবস্থা না করাকে হোটেল মালিকদের দৌরাত্বের কারণ বলে দেখছেন সচেতন শিক্ষার্থীরা। ভাল মানের ডাইনিং ব্যবস্থা নিয়মিত করার দ্রুত দাবী জানায় তারা।

সেমিনার আয়োজনকারী প্রতিষ্ঠান রেনেটা ফার্মাসিউটিক্যাল এর এক কর্মকর্তা জানান, ‘আমরা মনে করেছিলাম বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা বলে ছাত্রছাত্রীদের জন্য তাঁরা ভাল খাবার দিবে কিন্তু খাবারের মান যেমন খারাপ ছিল, তেমনি পরিমাণেও ছিল কম। আবার খাবারের দাম প্রতি প্যাকেট ২৫০ টাকা করে নিয়েছে। আমরা ধারনা করতে পারিনি এমনটা হতে পারে।’

এ বিষয়ে সাদিক হোটেলের মালিক বলেন, ‘আমরা ১২০ প্যাকেট খাবার সরবরাহ করেছিলাম। আমাদের খাবারে কোন সমস্যা থাকলে ১২০ জনই অসুস্থ হয়ে যেত। আমরা খাবার রান্না করেছিলাম সকাল ৮:০০ টায়; যারা অসুস্থ হয়ে পড়েছে তারা হয়তো অনেক দেরিতে খাবার খেয়েছিল।’

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: