সোমবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
শাস্তির বিধান রেখে সম্প্রচার আইনের খসড়া অনুমোদন  » «   সম্পাদক পরিষদের তথ্যে ঘাটতি আছে: তথ্যমন্ত্রী  » «   প্রশ্নফাঁস: ঢাবির ঘ ইউনিটের ফল প্রকাশ স্থগিত  » «   আমেরিকার সতর্কতার জবাবে পাল্টা ব্যবস্থার হুমকি সৌদির  » «   বন্দরবাজারে স্বেচ্ছাসবক দলের মিছিলে পুলিশের বাধা, আটক ১  » «   সন্ত্রাসীদের হুমকি নভেম্বরেই খুন করা হবে মোদিকে!  » «   শাহবাগ-সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা বন্ধে আইনি নোটিশ  » «   ফেক এনকাউন্টার: ভারতে সাত সেনা সদস্যের যাবজ্জীবন  » «   আবারো নির্বাচন কমিশনের সভা বর্জন করলেন কমিশনার মাহবুব  » «   বিতর্কিত ৯টি ধারা সংশোধনের দাবিতে সম্পাদক পরিষদের মানববন্ধন  » «   সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতিতে আজ ইসির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক  » «   পৃথিবী বাঁচাতে হলে বন্ধ করতে হবে মাংস খাওয়া!  » «   শাহজালালে ৭ কেজি সোনাসহ মালয়েশিয়ার নাগরিক আটক  » «   ইরানের ‘সরকার পরিবর্তন’ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র: রুহানি  » «   দুর্গা পূজা উপলক্ষে সব মানুষের শান্তি কামনা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর  » «  

হিজাবে মহিলাদের শরীর ঢাকার পরামর্শ



চিত্রবিচিত্র ডেস্ক ::মুসলমান পুরুষরা কামুক। প্রবল লালসাকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা তাঁদের নেই। ফলে বাধ্য হয়ে হিজাব পরে নিজেদের শরীর ঢেকে রাখেন মুসলিম মহিলারা। এমন অদ্ভুত দাবি করলেন শেখ জাইনাদিন জনসন নামের অস্ট্রেলিয়ার এক মৌলবি।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, হলিউডের হার্ভে ওয়েনস্টাইন যৌন কেলেঙ্কারির ঘটনায় মুখ খুলে নিজেই বিতর্ক উসকে দিলেন কুইন্সল্যান্ডের ওই মৌলবি। যৌনতা নিয়ে শিষ্যদের আজব পাঠ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, মহিলাদের উচিত হিজাব পড়ে নিজের শরীর ঢেকে রাখা। কারণ মুসলমান পুরুষরা যৌন উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন নাম। তাই খোলামেলা পোশাক পরিহিতা মহিলারা পুরুষের লালসা উসকে দিতে পারে। মহিলাদের নৈতিকতার পাঠ দিয়ে শরিয়ত আইনের বিশেষজ্ঞ ওই মৌলবি বলেন, প্রকাশ্যে চুড়ি পরা উচিত নয়। তবে বাড়িতে বা হিজাবের নিচে চুড়ি পরা যেতে পারে।
এই বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে চাকরি খোয়াতে হয়েছে লোগান মসজিদের ওই ধর্মগুরুকে। সংবাদমাধ্যমের সামনে মৌলবি জনসন দাবি করেন, নিজের মত প্রকাশ করার ফলেই তাঁকে চাকরি খোয়াতে হয়েছে। একটি গণতান্ত্রিক দেশেই তাঁর বাক স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে গণতন্ত্র ও অধিকারের দোহাই দিলেও, সমাজে মহিলারা দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক বলেই যে তিনি মনে করেন তা স্পষ্ট। ওই ধর্মগুরুর এহেন বয়ানে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
তবে এধরনের বিতর্কিত মন্তব্য নতুন নয়। জুন মাসেই আগেই নারীর যৌন চাহিদা ও উত্তেজনা আটকাতে এক বিতর্কিত বিধান দেন আমেরিকার ভার্জিনিয়া শহরের সবথেকে বড় মসজিদের এক ইমাম। তাঁর বক্তব্য, নারীর যৌন উত্তেজনা কমাতে যোনিচ্ছেদই সঠিক উপায়। এই বিতর্কিত বক্তব্য নিয়ে বয়ে গিয়েছিল নিন্দার ঝড়। প্রতিবাদের স্বর শোনা গিয়েছিল খোদ ওই মসজিদের মধ্যে থেকেই। সম্প্রতি, ভারতেই এক মুসলিম যোগ শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করা হয়। তা না মানায় হামলা চালানো হয় তাঁর বাড়িতে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: