মঙ্গলবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
উপজেলা নির্বাচনের তৃতীয় ধাপ থেকে ইভিএম: ইসি সচিব  » «   হজ পালনে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি হিজড়াদের  » «   সব বাধা উপেক্ষা করে গণশুনানি করবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট  » «   অভিজিৎ হত্যা: অব্যাহতি পাচ্ছেন সাতজন, আসামি ছয়  » «   অনুমোদিত ৩টি ব্যাংক সম্পর্কে তেমন কিছু জানেন না অর্থমন্ত্রী  » «   ডাস্টবিনে নেমে ১৫০০ শিক্ষার্থীকে বাঁচানোর আহ্বান  » «   একাদশ সংসদের এমপিদের বৈধতা নিয়ে রিট খারিজ  » «   শামীমাকে যা বুঝিয়ে সিরিয়ায় নিয়ে গিয়েছিল আইএস  » «   নিজেই গাড়ি চালিয়ে যুবরাজকে বাসভবনে নিয়ে গেলেন ইমরান খান  » «   আরব আমিরাত ও বাংলাদেশর মধ্যে ৪টি সমঝোতা স্মারক সই  » «   সংঘর্ষ চলছে, পুলওয়ামা হামলার মূল হোতা নিহত  » «   এক দিন বাড়ল দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা, আখেরি মোনাজাত মঙ্গলবার  » «   শুধুমাত্র আইন দিয়ে দুর্নীতি দমন করা যায় না: আইনমন্ত্রী  » «   জামায়াতের সবারই রাজ্জাকের মতো ভুল ভাঙা উচিত: ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ  » «   সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জা‌নি‌য়ে মোদিকে শেখ হাসিনার বার্তা  » «  

হাতির সমান সরীসৃপ!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: এক সময় পৃথিবী দাপিয়ে বেড়ানো ডাইনোসরের কথা সবারই জানা। কিন্তু সেই সময়ের একটি বিশাল সরীসৃপের কথা জানতেন না কেউ। কিছুদিন আগে এমনই এক প্রাণির ফসিল খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ডাইনোসরের সমসাময়িক এই তৃণভোজী সরীসৃপটির আকার প্রায় একটি হাতির সমান।

সম্প্রতি ‘সায়েন্স’ পত্রিকায় এই আবিষ্কারের খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ থেকে জানা যায়, ডাইনোসর ছাড়াও ‘ট্রায়াসিক যুগ’-এ ছিল হাতির সমান একটি সরীসৃপও, যা দেখতে অনেকটা গণ্ডারের মতো।চারপেয়ে এই প্রাণিটির ফসিল বা জীবাশ্ম পাওয়া গেছে পোল্যান্ডের লিসোভিৎসে শহরের পাশে। তাই শহরের নামের সাথে মিলিয়ে প্রাণিটির নাম রাখা হয়েছে ‘লিসোভিৎসিয়া বোজানি’।

সুইডেন ও পোল্যান্ডের বিজ্ঞানীদের এই দলটি জানিয়েছে, মূলত তৃণভোজী এই প্রাণিটির শরীর গণ্ডারের মতো হলেও ঠোঁট অবিকল কচ্ছপের মতো।

এর আগে, ‘ডাইসাইনোডন্ট’ প্রজাতির প্রাণীদের কথা বৈজ্ঞানিক মহলে আলোচিত হয়েছে। লিসোভিৎসিয়ার মতো ডাইসাইনোডন্ট প্রজাতির সরীসৃপও তৃণভোজী ও অন্যান্য দিক দিয়ে স্তন্যপায়ী জীবের কাছাকাছি। কিন্তু আকারের হিসাবে লিসোভিৎসিয়া ডাইসাইনোডন্টের চেয়ে কয়েকগুণ বড়।

বিজ্ঞানীরা বলেন, হাতির সমান লিসোভিৎসিয়া দৈর্ঘ্যে সাড়ে চার মিটার ও দশ টন ওজনের। বিপরীতে ডাইসাইনোডন্টের আকার ইঁদুর বা বড়জোর ষাঁড়ের সমান ছিল বলে বিজ্ঞানীদের ধারণা।

বিজ্ঞানী টমাস সুলেজের মতে, ‘এই আবিষ্কার নিঃসন্দেহে যুগান্তকারী, কারণ, ডাইসাইনোডন্ট বিষয়ে বর্তমান গবেষণার ধারা বদলাতে পারে এই আবিষ্কার।’ ডাইনোসরের বিশাল আকার নিয়েও অনেক অজানা তথ্য জানাবে এই লিসোভিৎসিয়া, জানান সুলেজ।

২৫০ মিলিয়ন বছর আগের একটি মহামারী পৃথিবীর প্রায় ৯০ শতাংশ প্রজাতিকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়। কিন্ত নতুন এই ফসিল থেকে জানা গেছে যে, লিসোভিৎসিয়া প্রাণিটি এই মহামারীর বেশ পরে, আনুমানিক ২০৫ থেকে ২১০ মিলিয়ন বছর আগে ডাইনোসরের সাথেই পৃথিবীতে আসে।

সুতরাং, এতদিন ইতিহাসের যে অধ্যায়কে বিজ্ঞানীরা চিনতেন শুধু ডাইনোসরের সময় হিসাবেই, সেই ধারণাকে আমূল বদলাতে পারে পূর্ব ইউরোপের পোল্যান্ডে খুঁজে পাওয়া এই আশ্চর্য প্রাণির ফসিল।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: