মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
রাজমিস্ত্রি সেজে খুনি ধরলেন এসআই লালবুর রহমান!  » «   আগামী ৫ জুন পবিত্র ঈদুল ফিতর!  » «   বাংলাদেশের সঙ্গে ঝামেলা করতে চাচ্ছে পাকিস্তান: পররাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   লুটপাটের উন্নয়নের কথা শুনতে শুনতে জনগণ অতিষ্ঠ: রিজভী  » «   শ্লীলতাহানির বিচার না পেয়ে কিশোরীর আত্মহত্যা, ওসি প্রত্যাহার  » «   ৩৪ পয়েন্টে ওয়াসার পানি পরীক্ষার নির্দেশ  » «   যেভাবে গণনা হবে ভারতে লোকসভা নির্বাচনের ভোট  » «   ঋণখেলাপিদের গণসুবিধার নীতিমালায় স্থিতি অবস্থার আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট  » «   স্বামী- স্ত্রী পরিচয়ে পতিতাবৃত্তি, সাংবাদিক পরিচয়ে ব্লাকমেইল!  » «   পাকিস্তানের নাগরিকদের ভিসা বন্ধ করল বাংলাদেশ  » «   সৌদি আরবের মক্কা ও জেদ্দা নগরীতে হুতিদের মিসাইল হামলা  » «   সারাদেশের পাস্তুরিত দুধ পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট  » «   আত্মহত্যাচেষ্টার আগে শোভন-রাব্বানীর উদ্দেশে ফেসবুকে যা লিখলেন দিয়া  » «   এক সময়ের কোটিপতি এখন ভাঙারি দোকানের শ্রমিক!  » «   বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির মনোনয়ন দৌঁড়ে এগিয়ে সিরাজ  » «  

হাতির সমান সরীসৃপ!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: এক সময় পৃথিবী দাপিয়ে বেড়ানো ডাইনোসরের কথা সবারই জানা। কিন্তু সেই সময়ের একটি বিশাল সরীসৃপের কথা জানতেন না কেউ। কিছুদিন আগে এমনই এক প্রাণির ফসিল খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ডাইনোসরের সমসাময়িক এই তৃণভোজী সরীসৃপটির আকার প্রায় একটি হাতির সমান।

সম্প্রতি ‘সায়েন্স’ পত্রিকায় এই আবিষ্কারের খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ থেকে জানা যায়, ডাইনোসর ছাড়াও ‘ট্রায়াসিক যুগ’-এ ছিল হাতির সমান একটি সরীসৃপও, যা দেখতে অনেকটা গণ্ডারের মতো।চারপেয়ে এই প্রাণিটির ফসিল বা জীবাশ্ম পাওয়া গেছে পোল্যান্ডের লিসোভিৎসে শহরের পাশে। তাই শহরের নামের সাথে মিলিয়ে প্রাণিটির নাম রাখা হয়েছে ‘লিসোভিৎসিয়া বোজানি’।

সুইডেন ও পোল্যান্ডের বিজ্ঞানীদের এই দলটি জানিয়েছে, মূলত তৃণভোজী এই প্রাণিটির শরীর গণ্ডারের মতো হলেও ঠোঁট অবিকল কচ্ছপের মতো।

এর আগে, ‘ডাইসাইনোডন্ট’ প্রজাতির প্রাণীদের কথা বৈজ্ঞানিক মহলে আলোচিত হয়েছে। লিসোভিৎসিয়ার মতো ডাইসাইনোডন্ট প্রজাতির সরীসৃপও তৃণভোজী ও অন্যান্য দিক দিয়ে স্তন্যপায়ী জীবের কাছাকাছি। কিন্তু আকারের হিসাবে লিসোভিৎসিয়া ডাইসাইনোডন্টের চেয়ে কয়েকগুণ বড়।

বিজ্ঞানীরা বলেন, হাতির সমান লিসোভিৎসিয়া দৈর্ঘ্যে সাড়ে চার মিটার ও দশ টন ওজনের। বিপরীতে ডাইসাইনোডন্টের আকার ইঁদুর বা বড়জোর ষাঁড়ের সমান ছিল বলে বিজ্ঞানীদের ধারণা।

বিজ্ঞানী টমাস সুলেজের মতে, ‘এই আবিষ্কার নিঃসন্দেহে যুগান্তকারী, কারণ, ডাইসাইনোডন্ট বিষয়ে বর্তমান গবেষণার ধারা বদলাতে পারে এই আবিষ্কার।’ ডাইনোসরের বিশাল আকার নিয়েও অনেক অজানা তথ্য জানাবে এই লিসোভিৎসিয়া, জানান সুলেজ।

২৫০ মিলিয়ন বছর আগের একটি মহামারী পৃথিবীর প্রায় ৯০ শতাংশ প্রজাতিকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়। কিন্ত নতুন এই ফসিল থেকে জানা গেছে যে, লিসোভিৎসিয়া প্রাণিটি এই মহামারীর বেশ পরে, আনুমানিক ২০৫ থেকে ২১০ মিলিয়ন বছর আগে ডাইনোসরের সাথেই পৃথিবীতে আসে।

সুতরাং, এতদিন ইতিহাসের যে অধ্যায়কে বিজ্ঞানীরা চিনতেন শুধু ডাইনোসরের সময় হিসাবেই, সেই ধারণাকে আমূল বদলাতে পারে পূর্ব ইউরোপের পোল্যান্ডে খুঁজে পাওয়া এই আশ্চর্য প্রাণির ফসিল।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: