সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২ পৌষ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ভাষা বাংলা  » «   ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে সাব-রেজিস্ট্রার আটক  » «   আর কোনো হায়েনার দল বাংলার বুকে চেপে বসতে পারবে না  » «   সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   ফের জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি সালমা ইসলাম এমপি  » «   বিয়ানীবাজারে ৯৯০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আয়কর দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  » «   এবার শ্রীমঙ্গলে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন  » «   বেলজিয়ামে মসজিদে তালা দেওয়ায় বাংলাদেশিদের প্রতিবাদ  » «   পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন উদ্বোধন  » «   ভারতের অর্থনীতির দুরবস্থা, জিডিপি কমে সাড়ে ৪ শতাংশ  » «   পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা  » «   লন্ডন ব্রিজে আবারও সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ২  » «   চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে  » «   রক্তে ভাসছে ইরাক, নিহত ৮২  » «  

হবিগঞ্জে মানবতাবিরোধী অপরাধের ৩ আসামির রায় বুধবার



19হবিগঞ্জ সংবাদদাতা : একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় হবিগঞ্জের দুই সহোদর মহিবুর রহমান ওরফে বড় মিয়া, মুজিবুর রহমান ওরফে আঙ্গুর মিয়া ও আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে রায় বুধবার (১ জুন) নির্ধারণ করা হয়েছে। যুক্তি-তর্ক শেষে গত ১১ মে মামলাটি যেকোনো দিন রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছিল।

মঙ্গলবার (৩১ মে) ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্যানেল আসামিদের বিরুদ্ধে রায়ের জন্য এ দিন নির্ধারণ করেন।

এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সীমন এবং প্রসিকিউটর সুলতানা রেজিয়া। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. কিবরিয়া হোসেন ও আইনজীবী মাসুদ রানা।

২০১৫ সালের ১৭ মে আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। একই বছরের ২৯ এপ্রিল তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা এই তিন আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেন।

উল্লেখ্য, বড় মিয়া-আঙ্গুর মিয়া ও রাজ্জাকের বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ৪ অভিযোগে প্রাথমিক তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে- রজব আলীকে অপহরণ করে হত্যা, দু’জনকে ধর্ষণ করে হত্যা, আরেকজনকে আটকের পর নির্যাতন করে হত্যা এবং এমএ রবের ওপর নির্যাতনসহ তার বাড়ি ও এর আশপাশের কয়েকটি বাড়িতে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ।

২০১৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাসে আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। এতে ২১ জন সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: