বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সরকারবিরোধী হলে ৩০ ডিসেম্বরের পরই রাস্তায় নামতাম : ভিপি নুর  » «   আজ ৭ বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী  » «   সিধুকে নিয়ে করা ইমরান খানের মন্তব্য ভাইরাল  » «   পায়ের ওপর দিয়ে বাস, মৃত্যুর কাছে হার মানলেন সেই নারী  » «   পুরোনো বগিতে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে চলছিল উদয়ন  » «   ট্রেন দুর্ঘটনা: লাশ হয়ে বাড়ি ফিরছেন চাঁদপুরের দম্পতি  » «   ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ১০ জনের পরিচয় মিলেছে  » «   মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরিতে প্রতারণা: রাজস্ব কর্মকর্তার ৭ বছরের জেল  » «   সিগন্যাল অমান্য করায় তূর্ণা এক্সপ্রেসের চালক-গার্ডসহ ৩ জন বরখাস্ত  » «   ট্রেন দুর্ঘটনায় ১ লাখ টাকা করে পাবে নিহতদের প্রতি পরিবার  » «   তূর্ণার চালক সিগনাল অমান্য করায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা?  » «   ট্রেন দুর্ঘটনা: হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নিহত  » «   ‘বাংলা বন্ড’ চালু বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশের একটি বড় পদক্ষেপ  » «   কাউকেই খুঁজে পাচ্ছে না ট্রেন দুর্ঘটনায় আহত শিশুটি  » «   ট্রেন দুর্ঘটনা দেখতে এসে চাচা-চাচির লাশ পেলেন শাহাদৎ  » «  

হবিগঞ্জে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে নবজাতক চুরি, নারী আটক



নিউজ ডেস্ক:: হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল থেকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে চার দিনের এক নবজাতককে চুরি করার অভিযোগে লোপা আক্তার নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার দুই ঘণ্টার মধ্যেই ওই নবজাতককে উদ্ধার করে পুলিশ ও তার স্বজনরা। তবে আটক নারী দাবি করেন, মানসিক হতাশা থেকে তিনি ওই শিশুটি চুরি করেন।

হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার (ওসি) তদন্ত জিয়াউর রহমান বুধবার (২১ আগস্ট) রাতে জানান, চার দিন আগে হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে এক ছেলে সন্তানের জন্ম দেন চুনারুঘাট উপজেলার জোয়ার লালচান্দ গ্রামের মোর্শেদ কামালের স্ত্রী ফাতেমা বেগম। বুধবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় লোপা আক্তার নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে ওই নবজাতককে নিয়ে কৌশলে হাসপাতাল থেকে সটকে পড়েন। কিছুক্ষণ পর স্বজনরা বিষয়টি কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদের জানালে চুরির বিষয়টি ফাঁস হয়। এক পর্যায়ে স্বজনরা একজন টমটম চালকের সহায়তায় শহরের পুরাণ মুন্সেফি এলাকার রিপন আহমেদের স্ত্রী লোপা আক্তারের বাসায় গিয়ে ওই নবজাতককে উদ্ধার করেন।

ওসি আরও জানান, নবজতককে তার স্বজনদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ পেলে অভিযুক্ত লোপা আক্তারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযুক্ত লোপা আক্তার পুলিশকে জানান, তিনি নিজেও অন্তঃস্বত্তা ছিলেন। এর আগে একাধিকবার তার বাচ্চা নষ্ট হয়েছে। চিকিৎসকের মাধ্যমে এবারও তিনি জানতে পেরেছেন তার গর্ভের বাচ্চা নষ্ট হয়ে গেছে। এ জন্যই মানসিক হতাশা থেকে তিনি অন্যের বাচ্চা চুরি করেছেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: