বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
মাদরাসা ছাত্রীকে জিনে নিয়ে গেছে!  » «   রোহিঙ্গাদের এনআইডি বানিয়ে দিয়ে কোটিপতি!  » «   প্রধানমন্ত্রীর পদ হারাচ্ছেন নেতানিয়াহু!  » «   ৬০ নম্বরের পরীক্ষা দিয়ে হতে হবে ছাত্রলীগ নেতা  » «   মিয়ানমার তাদের লোকদের ফেরত নিতে রাজি হয়েছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   রাজশাহীতে মা-ছেলে হত্যায় আ.লীগ নেতাসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড  » «   অবশেষে সেই বাংলাদেশি যুবকের লাশ ফেরত দিল বিএসএফ  » «   নিউইয়র্কে হবে শেখ হাসিনা-বিল গেটস বৈঠক  » «   ‘এবার এক দেশ, এক দলের’ ইঙ্গিত বিজেপি সভাপতির  » «   রাতে আটক, ভোরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত  » «   জগন্নাথপুরে র‌্যাবের জালে আটকা পড়লেন ভূয়া ডাক্তার  » «   এবার ভিসি ফারজানার বিরুদ্ধে ভয়াবহ অভিযোগ  » «   রংপুর-৩ উপনির্বাচন: লাঙ্গলের ঘাঁটিতে আসিফের দিকেই ভোটের হাওয়া  » «   রিফাত হত্যা: যা বললেন সেই রিকশাচালক  » «   চতুর্থ ড্রিমলাইনার ‘রাজহংস’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী  » «  

হবিগঞ্জে ট্রিপল মার্ডার: ২ মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন



নিউজ ডেস্ক:: হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় দায়েরকৃত দুই মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। বাকি আসামিদের বেখসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় এ রায় দেন হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়েরা জজ এসএম নাসিম রেজা। যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার পুরান পাথারিয়া গ্রামের তোরাব আলী, সুরুজ মিয়া, আলী মোহাম্মদ ও করম আলী।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, পুরান পাথারিয়া গ্রামের আলী মোহাম্মদ এবং করম আলীর গোষ্ঠীর মধ্যে সম্পতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ১৯৯৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সকালে করম আলীর গোষ্ঠীর সায়েদ বিরোধপূর্ণ পুকুরে হাত মুখ-ধুতে যান। এ সময় আলী মোহাম্মদের সাথে কথা কাটিকাটি হয়। এর জের ধরে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে আলী মোহাম্মদ গোষ্ঠীর নুর মোহাম্মদ ঘটনাস্থলে মারা যান।

করম আলী গোষ্ঠীর শামসুল হককে গুরুতর আহত অবস্থায় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর আহত আফিল উদ্দিনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান। নুর মোহাম্মদ হত্যা ঘটনায় আলী মোহাম্মদ বাদি হয়ে ১শ’ জনকে আসামী করে এবং অপর পক্ষ আফিল উদ্দিন ও শামসুল হক হত্যার ঘটনায় আতিকুনেচ্ছা বাদি হয়ে ৪৬ জনকে আসামী করে একই দিন বানিয়াচং থানায় পৃথক মামলা দায়ের করেন।

উভয় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বানিয়াচং থানার তৎকালীন এসআই অমরেন্দ্র মল্লিক ১৯৯৯ সালের ১১ আগস্ট নুর মোহাম্মদ হত্যা মামলায় ১০৩ জনকে এবং আফিল উদ্দিন ও শামসুল হক হত্যা মামলায় ৬২ জনকে আসামী করে আদালতে চার্জশিট দেন। আদালত আফিল উদ্দিন ও শামসুল হক হত্যা মামলায় দীর্ঘ শুনানী শেষে ১৭ জনের মধ্যে ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে বৃহস্পতিবারএ রায় দেন।

রায়ে তোরাব আলী, সুরুজ মিয়া ও আলী মোহাম্মদকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেন। একই সাথে তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। অপরদিকে একই ঘটনায় দায়েরকৃত নুর মোহাম্মদ হত্যা মামলায় ১৬ জনের মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহন শেষে রায় দেন বিচারক। রায়ে করম আলীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। তাকেও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ২ বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল আহাদ ফারুক। তিনি রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: