শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
এসএসসি ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি, নির্বিকার প্রশাসন  » «   স্টেশন মাস্টারের ভুলে ৮ বগি লাইনচ্যুত, উত্তরবঙ্গে রেল-সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন  » «   বিন লাদেনকে পাকিস্তানের হিরো বললেন পারভেজ মোশাররফ  » «   রোববার প্রাথমিক-ইবতেদায়ী সমাপনী শুরু, পরীক্ষার্থী কমেছে  » «   ধড়পাকড়ে স্বপ্ন এখন দুঃস্বপ্ন, ফিরলেন আরও ২১৫ কর্মী  » «   বাবরি মসজিদ ইস্যু: সিলেটে শুক্রবার বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম  » «   খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে ১৪০১ পৃষ্ঠার আপিল আবেদন  » «   ব্রিটেনে বিতর্কিত টু চাইল্ড লিমিট আইন বাতিলের আবেদন  » «   পিকেএসএফ উন্নয়ন মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী  » «   মির্জা ফখরুলের বিরুদ্ধে মামলা করলেন বিএনপির ২ নেতা  » «   লন্ডন-আমেরিকার চাইতেও বাংলাদেশে পেঁয়াজের দাম বেশী  » «   পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আগুন  » «   ধাপে ধাপে জরিমানা নেবে ট্রাফিক পুলিশ  » «   আগামীকাল থেকে আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে ওয়াজ মাহফিল শুরু  » «   ঘরের ছেলে ঘরে ফিরেছে: ইনাম চৌধুরী প্রসঙ্গে মিসবাহ সিরাজ  » «  

হবিগঞ্জে অপচিকিৎসায় ব্যবসায়ী মৃত্যুর ঘটনায় মামলা



নিউজ ডেস্ক:: হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামে হাতুড়ে ডাক্তারের অপচিকিৎসায় তৌহিদ মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যুর ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় আটক হাতুড়ে ডাক্তার শংকর রায়কে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

সোমবার সকালে তৌহিদ মিয়ার স্ত্রী ফুলবানু বাদী হয়ে লাখাই থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

প্রসঙ্গত, গত রোববার কৃষ্ণপুর গ্রামে ওই ডাক্তারের চেম্বারে এ চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে। এ নিয়ে সর্বত্র তোলপাড় শুরু হয়েছে। সুত্র জানায়, হাতুড়ে ডাক্তার শংকর লাল রায় তার গ্রামে চেম্বার খুলে বিভিন্ন লোকদের সাথে প্রতারণা করে আসছে। তার প্রতারণার শিকার হয়ে অনেক রোগী পঙ্গুত্বসহ শয্যাশায়ী আছে। এমনকি অনেকে মারাও গেছে। কিন্তু রফা-দফা হওয়ার কারণে শংকর রায় থেকে যায় ধরা ছোঁয়ার বাইরে।

গত রোববার দুপুরে নাসিরনগর উপজেলা ও লাখাইয়ের পাশ^বর্তী গ্রাম কুড়িকুন্ডা গ্রামের মৃত আবু মিয়ার ছেলে ফান্দ্রাউক বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তৌহিদ মিয়া কোমরে ব্যথা নিয়ে ওই ডাক্তারের কাছে আসে তখন ৪ টি ইনজেকশন একত্রে মিক্স করে তার শরীফে পুষ করে। ১০ মিনিট পরই তৌহিদ মিয়া শংকর রায়ের চেম্বারে মারা যায়।

এক পর্যায়ে তার বাড়ি থেকে তৌহিদ মিয়ার পরিবারকে খবর দিয়ে এনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির সহযোগিতায় বিষয়টি সমাধান করে তৌহিদের লাশ তার গ্রামে পাঠিয়ে দেয়। ওই দিন বিকেলে তার লাশটি দাফনের সময় তৌহিদ মিয়ার পুত্রের সন্দেহ হলে সাথে-সাথে লাখাই থানার ওসিকে জানানো হয়। খবর পেয়ে ওসি তদন্ত অজয় চন্দ্র দেব ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে লাখাই থানায় নিয়ে আসে এবং হাতুড়ে ডাক্তার শংকর রায়কে আটক করা হয়।

আটককৃত শংকর জানায়, সে অসুস্থ অবস্থায় চেম্বারে আসে। আমি সাধ্যমত চেষ্টা করেছি, সে মারা যাওয়ার পেছনে আমার কোন হাত নেই। গতকাল সোমবার বিকেলে হাতুড়ে ডাক্তার শংকর লাল রায়কে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: