শনিবার, ১৮ অগাস্ট ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া সব কোটা বাতিল হচ্ছে: নাসিম  » «   জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান আর নেই  » «   ‘ভুলে ভরা’ ইমরানের শপথ  » «   বিএনপি নির্বাচনে গেলে আ.লীগের সঙ্গে থাকবে জাতীয় পার্টি : এরশাদ  » «   ৬ জিবি র‌্যামের নতুন ফোন আনলো স্যামসাং  » «   হবিগঞ্জে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু  » «   নাট্যাচার্য সেলিম আল-দীনের ৬৯তম জন্মজয়ন্তী আজ  » «   হকারদের দখলে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক,যানজটে অতিষ্ঠ নগরবাসী  » «   আজ ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ  » «   বিক্রেতারা গরুর দাম সহনীয় বললেও ক্রেতারা বলছেন বেশি  » «   গ্যালাক্সি নোট ৯-এর পেছনে এক কেজি সোনা, দাম অর্ধকোটি টাকা!  » «   মাদকের বিরুদ্ধে যৌথ দল গঠন করবে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো  » «   উট কিনলেন নায়িকা শিমলা  » «   আন্দোলনে নামার সময় জানাল বিএনপি  » «   সব জায়গায় জিয়া পরিবারের ভুল দেখেন প্রধানমন্ত্রী : ফখরুল  » «  

হঠাৎ বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতীয়দের নিরাপত্তা জোরদার



হঠাৎ বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ’র সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। ইতোমধ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে ১৬৭টি অরক্ষিত পয়েন্ট চিহ্নিত করে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। রোহিঙ্গাদের দেশ থেকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্তের ওপর সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশের পর এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যাতে করে রোহিঙ্গারা ভারতে অনুপ্রবেশ না করতে পারে। ভারতীয় গণমাধ্যম কলকাতা২৪ এ খবর প্রকাশ করেছে।

ইংরেজি এক দৈনিকের প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের সঙ্গে ১৬৭টি অরক্ষিত পয়েন্ট চিহ্নিত করেছে বিএসএফ। এই সমস্ত পয়েন্টে রোহিঙ্গাদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠাতে পাহারা জোরদার করা হয়েছে। বিএসএফ বাংলাদেশের সঙ্গে মোট ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার সীমান্ত পাহারা দেয়। তারা আরও ৫ হাজার লোক বাড়ানোর জন্যে ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসএফ জানায়, বেশিরভাগ রোহিঙ্গা পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা ও হিলি এবং অসমের করিমগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করতে পারে। সেজন্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এক আধিকারিক পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ‘সীমান্ত রক্ষী বাহিনী আরও লোকবল ও প্রযুক্তির সহায়তা চেয়েছে। কোনও রোহিঙ্গা যাতে ভারতে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য টহল বাড়ানা হয়েছে। ’

গত সপ্তাহে বিএসএফ কর্তা কে কে শর্মা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘একই ধরনের চেহারা হওয়ায় বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের আলাদা করা কঠিন। বিএসএফ সদস্যরা তাদের ভাষা শুনে আলাদা করতে পারে না। এই বছর বিএসএফ ৮৭ জন রোহিঙ্গাকে ধরার পর ৭৬ জনকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও রোহিঙ্গা সীমান্তে অস্ত্র, বিস্ফোরক অথবা আপত্তিকর কোনও জিনিস নিয়ে ধরা পড়েনি। তবে তাও সীমান্তে নিরাপত্তা আঁটসাঁট করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: