সোমবার, ১১ নভেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বাবরি মসজিদের রায় দিল যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত বিচারপতি!  » «   মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা  » «   ভারতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার মুহম্মদ ইমরান  » «   সুলতান মনসুর বেইমান মুনাফিক : মিসবাহ সিরাজ  » «   স্ত্রীকে ভাগিয়ে নিয়ে গেলেন মেয়র, ভয়ে চুপ স্বামী  » «   বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে জেলা যুবলীগ  » «   পাকিস্তানের জাদুঘরে অভিনন্দনের মূর্তি, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়  » «   ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে তছনছ সাকিবের কাঁকড়ার খামার  » «   টিউলিপের প্রচারণায় লন্ডনের দুয়ারে দুয়ারে সিলেটিরা  » «   বসন্তের কোকিলদের দলে ভেড়াবেন না: ওবায়দুল কাদের  » «   ১৫ বছর পর পাকিস্তান থেকে পেঁয়াজ আনছে বাংলাদেশ  » «   দেশকে এবারও বাঁচিয়ে দিলো সুন্দরবন  » «   ঘূর্ণিঝড়ে ৫ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত, নিহত ২ : ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী  » «   রিফাত শরিফ হত্যাকাণ্ড: বেরিয়ে এসেছে নতুন তথ্য  » «   ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডবে লন্ডভন্ড খুলনা, নিহত ১  » «  

হংকংয়ের বিতর্কিত প্রত্যর্পণ বিল বাতিল



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: দীর্ঘ ও একটানা বিক্ষোভের মুখে বিতর্কিত প্রত্যর্পণ বিলটি বাতিল করেছে হংকং কর্তৃপক্ষ। এর আগে ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে স্থগিত করা হয়েছিলো এই বিলটি। বুধবার হংকংয়ের আইনসভায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিল বাতিলের কথা জানানো হয়। বিচারের জন্য হংকংয়ের বাসিন্দাদের চীনের মূলভূখণ্ডে পাঠানোর সুযোগ রেখে করা ওই বিলটির কারণে দীর্ঘদিন ধরেই বিক্ষোভ করে আসছে কয়েক লাখ মানুষ।

গত এপ্রিলে এই বিতর্কিত বিলটি পার্লামেন্ট পাস করার উদ্যোগ নিতেই বিক্ষোভে ফেটে পড়ে হংকংয়ের সাধারণ মানুষ। এর প্রতিবাদে সড়কে নেমে আসে হাজার হাজার মানুষ। তাদের প্রতিবাদের মুখে সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয় বিলটি। কিন্তু এই বিতর্কিত বিল বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ অব্যাহত থাকে মাসের পর মাস ধরে।

এই অপরাধী প্রত্যর্পণ বিলে চীনকে হংকংয়ের সন্দেহভাজন অপরাধীদের নিজ ভূখণ্ডে নিয়ে বিচার করার অধিকার দেয়া হয়েছিলো। আর এ কারণেই এই বিলের বিরুদ্ধে ক্ষেপে উঠেছিল হংকংয়ের বাসিন্দারা। তাদের আশঙ্কা ছিলো, এ ধরনের আইন প্রবর্তনের ফলে হংকংয়ের বাসিন্দারা ন্যায্য বিচার পাবে না। ফলে প্রধান প্রধান পাঁচটি দাবিতে বিক্ষোভ চলতে থাকে। এক পর্যায়ে হংকংয়ের বেইজিংপন্থী নেতা ক্যারি ল্যামেরও পদত্যাগ দাবি করেন বিক্ষোভকারীরা।

ওই বিলের পক্ষে যারা সমর্থন জানিয়েছেন তারা বলছেন, এই আইনটি রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে সুরক্ষা রাখা হয়েছে। চীনের মূল ভূখণ্ড থেকে ধর্মীয় বা রাজনৈতিকভাবে নিপীড়নের মুখোমুখি হওয়া যে কাউকে রক্ষার জন্য এই আইনে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তবে প্রথম থেকেই এই বিল নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।

১৯৯৭ সালে ব্রিটিশরা হংকংকে চীনের কাছে হস্তান্তরের পর সেখানে এটিই সবচেয়ে বড় বিক্ষোভের ঘটনা। অবশেষে এই ব্যাপক ও দীর্ঘমেয়াদি বিক্ষোভের মুখে নতি স্বীকার করতে বাধ্য হলেন চীন নিয়ন্ত্রিত হংকংয়ের প্রশাসন। বাতিল করলেন প্রত্যার্পণ বিলটি।

সূত্র: বিবিসি

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: