বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
তারেককে ঠেকাতে আদালতে যাবে আওয়ামী লীগ  » «   ইসি সচিব, ডিএমপি কমিশনারসহ ৪ জনের শাস্তি দাবি  » «   ভারতে অস্ত্র গুদামে বিস্ফোরণ : নিহত ৬, আহত ১৮  » «   ‘ছোলপোলের খোঁজ লেয় না, আবার এমপির ভোট করিচ্চে’  » «   হিরো আলমকে নিয়ে মুখ খুললেন তসলিমা নাসরিন  » «   এইডসের ঝুঁকিতে সিলেট, মৌলভীবাজার  » «   চুক্তি বাতিল করলে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা : পুতিন  » «   প্রধানমন্ত্রী রেফারি হলে ফেয়ার ইলেকশন হয় না : ড.কামাল  » «   ২০ দলের শরিকদের ৩৫-৪০ আসন দিতে চায় বিএনপি  » «   নির্বাচন পর্যবেক্ষণে থাকবে ১১৮ দেশীয় সংস্থা: ইসি সচিব  » «   তৃতীয় দিনের সাক্ষাৎকার চলছে: যুক্ত হতে পারেননি তারেক রহমান  » «   শিকাগোর হাসপাতালে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ৪  » «   পূজা করে তাজমহলকে পবিত্র করেছে হিন্দুরা!  » «   নারায়ণগঞ্জের আলোচিত ৭ খুন মামলায় হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ  » «   গণফোরামে যোগ দিলেন সাবেক ১০ সেনা কর্মকর্তা  » «  

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি : নেশায় বাধা দেয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রকে গলাটিপে হত্যা



নিউজ ডেস্ক::মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে বাধাদানকারীর ছোট ভাই শিশু সাইয়ুম বিশ্বাসকে (১১) গলাটিপে হত্যা করেছে মাদকসেবী ঘাতক মিলন ফকির। বরিশালের উজিরপুরে মাদরাসা ছাত্র শিশু সাইয়ুম বিশ্বাস হত্যার ঘটনায় মামলা দায়েরের তিনদিন পর ঘাতক মিলন ফকিরকে (১৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

উজিরপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিশির কুমার পাল জানান, বুধবার (২ মে) মিলন ফকির আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। মিলন ফকির আগৈলঝাড়া উপজেলার বাগদা এলাকার আলম ফকিরের ছেলে। মঙ্গলবার রাতে মিলনকে আগৈলঝাড়ার বাগদা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে মিলন জানায়, উজিরপুরের সাতলায় নানা বাড়িতে প্রায়ই বেড়াতে আসত সে। সেখানে এসে তিনি মাদক সেবন করতো। এলাকায় বসে এইসব করায় সাইয়ুম বিশ্বাসের বড় ভাই সাঈদ বিশ্বাস মিলন ফকিরকে বকা-ঝকা করতো। এরই জের ধরে ২৭ এপ্রিল রাত ৮টার দিকে মিলন সাঈদের ছোট ভাই সাইয়ুমকে নিয়ে সাতলা বাজারের দোতলা একটি ভবনের ছাদে নিয়ে যায়। সেখানে বসে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে মিলন সাইয়ুমকে চর দিলে সাইয়ুম মিলনকে ধাক্কা দেয়। এতে মিলন আহত হলে সে সাইয়ুমের গলা টিপে ধরে।

একপর্যায়ে সাইয়ুমের গলা টিপে শ্বাসরোধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করে মিলন । পরে মিলন সাইয়ুমকে নিয়ে ছাদের কার্নিশে লুকিয়ে রাখে এবং সাইমের মোবাইল ফোনটিও নিয়ে যায়। এরপরের দিনই মিলন তার বাড়ি আগৈলঝাড়াতে চলে যায়।

ওসি আরও জানান, ২৮ এপ্রিল মৃতদেহ উদ্ধারের পর হত্যাকাণ্ড রহস্য তদন্তে নামে পুলিশ। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে ওই ঘটনায় মিলনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়। এরপরই মিলনের মুঠোফোন ট্র্যাকিং করে গত মঙ্গলবার রাতে আগৈলঝাড়ার বাগদা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে মিলন ফকিরকে আটক করে পুলিশ।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: