শনিবার, ২৬ মে ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
মিয়ানমারের ওপর অবরোধ আরোপের সুপারিশ কানাডিয়ান দূতের  » «   সালমান খানের সঙ্গে শাকিব খানের তুলনা করলেন পায়েল  » «   বিশ্বকাপ মিশনে নামার আগে মক্কায় পগবা  » «   সিটি নির্বাচনের প্রচারে এমপিরা কি অংশ নিতে পারবেন?  » «   তালিকা অনুযায়ী সবাইকে ধরা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   আমজাদ হোসেনের জার্মানি পতাকা এবার সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার  » «   ভক্তদের প্রশ্নের জবাব দিয়ে কক্সবাজার ছাড়লেন প্রিয়াঙ্কা  » «   জাপানে বন্ধুর ক্লাবই নতুন ঠিকানা ইনিয়েস্তার  » «   মুক্তামনির মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক  » «   ‘ভারত থেকে এক বালতি পানিও আনতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী’-রিজভী  » «   চৌদ্দগ্রামে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক বিক্রেতা নিহত  » «   জবিতে কোটা সংস্কার আন্দোলন নেতার ওপর হামলা  » «   নারীর মন-শরীর নিয়ন্ত্রণ করে পুরুষ আধিপত্য চায়: বিদ্যা  » «   আখাউড়ায় হচ্ছে ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট  » «   ২১ ঘণ্টা রোজা রাখছেন ৪ দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমান!  » «  

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি : নেশায় বাধা দেয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রকে গলাটিপে হত্যা



নিউজ ডেস্ক::মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে বাধাদানকারীর ছোট ভাই শিশু সাইয়ুম বিশ্বাসকে (১১) গলাটিপে হত্যা করেছে মাদকসেবী ঘাতক মিলন ফকির। বরিশালের উজিরপুরে মাদরাসা ছাত্র শিশু সাইয়ুম বিশ্বাস হত্যার ঘটনায় মামলা দায়েরের তিনদিন পর ঘাতক মিলন ফকিরকে (১৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

উজিরপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিশির কুমার পাল জানান, বুধবার (২ মে) মিলন ফকির আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। মিলন ফকির আগৈলঝাড়া উপজেলার বাগদা এলাকার আলম ফকিরের ছেলে। মঙ্গলবার রাতে মিলনকে আগৈলঝাড়ার বাগদা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে মিলন জানায়, উজিরপুরের সাতলায় নানা বাড়িতে প্রায়ই বেড়াতে আসত সে। সেখানে এসে তিনি মাদক সেবন করতো। এলাকায় বসে এইসব করায় সাইয়ুম বিশ্বাসের বড় ভাই সাঈদ বিশ্বাস মিলন ফকিরকে বকা-ঝকা করতো। এরই জের ধরে ২৭ এপ্রিল রাত ৮টার দিকে মিলন সাঈদের ছোট ভাই সাইয়ুমকে নিয়ে সাতলা বাজারের দোতলা একটি ভবনের ছাদে নিয়ে যায়। সেখানে বসে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে মিলন সাইয়ুমকে চর দিলে সাইয়ুম মিলনকে ধাক্কা দেয়। এতে মিলন আহত হলে সে সাইয়ুমের গলা টিপে ধরে।

একপর্যায়ে সাইয়ুমের গলা টিপে শ্বাসরোধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করে মিলন । পরে মিলন সাইয়ুমকে নিয়ে ছাদের কার্নিশে লুকিয়ে রাখে এবং সাইমের মোবাইল ফোনটিও নিয়ে যায়। এরপরের দিনই মিলন তার বাড়ি আগৈলঝাড়াতে চলে যায়।

ওসি আরও জানান, ২৮ এপ্রিল মৃতদেহ উদ্ধারের পর হত্যাকাণ্ড রহস্য তদন্তে নামে পুলিশ। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে ওই ঘটনায় মিলনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়। এরপরই মিলনের মুঠোফোন ট্র্যাকিং করে গত মঙ্গলবার রাতে আগৈলঝাড়ার বাগদা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে মিলন ফকিরকে আটক করে পুলিশ।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: