সোমবার, ১৬ জুলাই ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
নেদারল্যান্ডে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলকে লাল গালিচা সংবর্ধনা  » «   বাজারে অ্যাপলের নতুন ল্যাপটপ  » «   বেলকে বিক্রি করতে প্রস্তুত রিয়াল: পেরেজ  » «   চায়ের বিজ্ঞাপনে ঐন্দ্রিলা  » «   দলের হারে যাকে দায়ী করছেন ক্রোয়েশিয়ার কোচ  » «   সিরিয়ায় ইসরায়েলের রকেট হামলায় ৯ সেনা নিহত  » «   ট্রাম্প-পুতিনের বৈঠকে কি হতে যাচ্ছে?  » «   আকর্ষণীয় চোখের কৌশল  » «   ভয়ে ‘মসজিদের ওযুখানায়’ রাত কাটাচ্ছে তরুণী!  » «   রাতে দেশ ছাড়ছেন মাশরাফি  » «   বিজয় উল্লাস করতে গিয়ে ২ ফ্রান্স সমর্থকের মৃত্যু  » «   দুই মামলায় খালেদার জামিন শুনানি আজ  » «   উড়ন্ত ট্রেন আসছে এবার !  » «   পানামা পেপারসে নামচার ব্যবসায়ীকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ  » «   বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, ধরা পরে অদ্ভুত কাণ্ড পুলিশ সদস্যের!  » «  

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি : নেশায় বাধা দেয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রকে গলাটিপে হত্যা



নিউজ ডেস্ক::মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে বাধাদানকারীর ছোট ভাই শিশু সাইয়ুম বিশ্বাসকে (১১) গলাটিপে হত্যা করেছে মাদকসেবী ঘাতক মিলন ফকির। বরিশালের উজিরপুরে মাদরাসা ছাত্র শিশু সাইয়ুম বিশ্বাস হত্যার ঘটনায় মামলা দায়েরের তিনদিন পর ঘাতক মিলন ফকিরকে (১৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

উজিরপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিশির কুমার পাল জানান, বুধবার (২ মে) মিলন ফকির আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। মিলন ফকির আগৈলঝাড়া উপজেলার বাগদা এলাকার আলম ফকিরের ছেলে। মঙ্গলবার রাতে মিলনকে আগৈলঝাড়ার বাগদা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে মিলন জানায়, উজিরপুরের সাতলায় নানা বাড়িতে প্রায়ই বেড়াতে আসত সে। সেখানে এসে তিনি মাদক সেবন করতো। এলাকায় বসে এইসব করায় সাইয়ুম বিশ্বাসের বড় ভাই সাঈদ বিশ্বাস মিলন ফকিরকে বকা-ঝকা করতো। এরই জের ধরে ২৭ এপ্রিল রাত ৮টার দিকে মিলন সাঈদের ছোট ভাই সাইয়ুমকে নিয়ে সাতলা বাজারের দোতলা একটি ভবনের ছাদে নিয়ে যায়। সেখানে বসে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে মিলন সাইয়ুমকে চর দিলে সাইয়ুম মিলনকে ধাক্কা দেয়। এতে মিলন আহত হলে সে সাইয়ুমের গলা টিপে ধরে।

একপর্যায়ে সাইয়ুমের গলা টিপে শ্বাসরোধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করে মিলন । পরে মিলন সাইয়ুমকে নিয়ে ছাদের কার্নিশে লুকিয়ে রাখে এবং সাইমের মোবাইল ফোনটিও নিয়ে যায়। এরপরের দিনই মিলন তার বাড়ি আগৈলঝাড়াতে চলে যায়।

ওসি আরও জানান, ২৮ এপ্রিল মৃতদেহ উদ্ধারের পর হত্যাকাণ্ড রহস্য তদন্তে নামে পুলিশ। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে ওই ঘটনায় মিলনের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়। এরপরই মিলনের মুঠোফোন ট্র্যাকিং করে গত মঙ্গলবার রাতে আগৈলঝাড়ার বাগদা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে মিলন ফকিরকে আটক করে পুলিশ।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: