রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার খবরটি ‘টোটালি ফলস’  » «   শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে: খাদ্যমন্ত্রী  » «   জামায়াত নতুন নামে পুরনো চরিত্রে ফিরে আসে কিনা তা ভাবনার বিষয়  » «   সুস্থ থাকলে শেখ হাসিনার বিকল্প দরকার নেই  » «   নন্দলালের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেন না: ইসি রফিকুল  » «   এমপি হিসেবে শপথ নিলেন সৈয়দ আশরাফের বোন ডা. জাকিয়া  » «   রোহিঙ্গাদের নৃশংসতার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান মিয়ানমার সেনাপ্রধানের!  » «   যেসব শর্তে আত্মসমর্পণ করছেন ১০২ ইয়াবা ব্যবসায়ী  » «   নাসা আ্যপস চ্যালেঞ্জে বিশ্বসেরা শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়  » «   বাংলা একাডেমিতে আল মাহমুদের মরদেহ, শ্রদ্ধা নিবেদন  » «   আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে জোবায়ের অনুসারীদের ইজতেমা শেষ  » «   যেভাবে ভারতীয় সেনাবহরে হামলা চালায় জঙ্গিরা  » «   রোহিঙ্গা নিপীড়ন তদন্তে মার্চে বাংলাদেশ আসছে আইসিসি প্রতিনিধিদল  » «   ব্যাটিং ব্যর্থতায় সিরিজ হার বাংলাদেশের  » «   যুক্তরাষ্ট্রে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলেন ট্রাম্প  » «  

স্বাস্থ্যমন্ত্রী হলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী



আন্তর্জাতিক ডেস্ক::ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে তার মন্ত্রিসভার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেরেমি হান্টকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। আগামী বছর ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরও ওই ইউনিয়নের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখার যে সিদ্ধান্ত থেরেসা মে নিয়েছেন তার প্রতিবাদ জানিয়ে বরিস জনসন সোমবার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দেন।

প্রধানমন্ত্রী মে’র দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ব্রিটিশ রানি এলিজাবেথ নয়া পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নিয়োগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। মে’র নীতির প্রতি অনুগত হিসেবে পরিচিত নয়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী হান্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেছিলেন।

ব্রেক্সিটের গণভোটের জের ধরে ক্যামেরন পদত্যাগ করার পর মে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে হান্টকে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদে বহাল রেখেছিলেন। ফলে গত সাড়ে পাঁচ বছর টানা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়ে ম্যাট হ্যানকককে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

হান্টের নিয়োগের ফলে প্রধানমন্ত্রী মে’র ব্রেক্সিট পরিকল্পনায় ভারসাম্য আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হান্ট ২০১৬ সালের ব্রেক্সিট গণভোটের সময় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে থেকে যাওয়ার পক্ষে প্রচার চালিয়েছিলেন।

তবে ২০১৭ সালের অক্টোবরে কনজারভেটিভ পার্টির এই নেতা বলেছিলেন, তিনি বিষয়টিতে তার মত পাল্টেছেন। তিনি ব্রেক্সিট আলোচনায় ইইউ ‘ঔদ্ধত্ব’ দেখাচ্ছে বলেও অসন্তোষ প্রকাশ করেন। পার্সটুডে

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: