শনিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ভাষা বাংলা  » «   ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে সাব-রেজিস্ট্রার আটক  » «   আর কোনো হায়েনার দল বাংলার বুকে চেপে বসতে পারবে না  » «   সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   ফের জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি সালমা ইসলাম এমপি  » «   বিয়ানীবাজারে ৯৯০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আয়কর দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  » «   এবার শ্রীমঙ্গলে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন  » «   বেলজিয়ামে মসজিদে তালা দেওয়ায় বাংলাদেশিদের প্রতিবাদ  » «   পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন উদ্বোধন  » «   ভারতের অর্থনীতির দুরবস্থা, জিডিপি কমে সাড়ে ৪ শতাংশ  » «   পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা  » «   লন্ডন ব্রিজে আবারও সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ২  » «   চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে  » «   রক্তে ভাসছে ইরাক, নিহত ৮২  » «  

সৌদির চেয়েও যুক্তরাষ্ট্রের তেল বেশি



20আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: জ্বালানি নীতির রাজনীতি আজ গোটা বিশ্বজুরে। একদেশ থেকে আরেক দেশে বৈধ এবং অবৈধ নানান উপায়ে তেল পাচারের জন্য বিভিন্ন কায়দায় সংঘর্ষ লাগানো হয়। এখন পর্যন্ত বিশ্বে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ও এ সংক্রান্ত রাজনীতিতে অন্যতম দুটি দেশ সৌদিআরব ও যুক্তরাষ্ট্র। অবশ্য অপরদিকে রাশিয়াও তেল সম্পদে ভরপুর হলেও বৈশ্বিক জ্বালানি রাজনীতিতে সরাসরি এখনও প্রবেশ করেনি রাশিয়া। কিন্তু সম্প্রতি রিস্তাদ এনার্জি নামক নরওয়েভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে। সেই রিপোর্ট মোতাবেক সৌদিআরব ও রাশিয়ার চেয়েও যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মজুদ বেশি। শুধু তাই নয়, ভূগর্ভস্থ উত্তোলনহীন তেলের খনির ক্ষেত্রেও এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র।

রিস্তাদের গবেষণা অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্র এখনও তার অ্যববহৃতশেল তেল খনির অর্ধেকও এখনও উত্তোলন করেনি। অপরিশোধিত তেলের পূর্ববর্তী অবস্থার নাম হলো শেল তেল। এই গবেষণা মতে, যুক্তরাষ্ট্র এখনও তার তেল খনিগুলোর মধ্যে হাতে গোনা কয়েকটি ছাড়া অধিকাংশই অচিহ্নিত অবস্থায় রেখেছে। যে কারণ সাধারণের পক্ষে ঠিক করে নির্ধারণ করা সম্ভব নয় যে ঠিক কি পরিমান তেল খনি রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। প্রতিষ্ঠানটির সিইও জার্নার্ড রিস্তাদ বলেন, ‘এটা সত্যিকার অর্থেই একটা বিপ্লব। আজ থেকে দশ বছর আগেও এমন ফলাফল আশা করা যেত না।’

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন মোতাবেক, আগামীর বিশ্বে বৈশ্বিক তেল উৎপাদনে একচেটিয়া আধিপত্য করবে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে তেলের দাম পুনরায় ঠিক করার ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্র ভূমিকা পালন করতে পারে ভবিষ্যতে। তেলের দাম কমে যাওয়ার কারণে গত বছর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র তার নিজের রিজার্ভ থেকে তেল বাজারে আনতে শুরু করে। কারণ এই মুহূর্তে শেল তেল বিক্রি করার মতো বাজার বিশ্বে নেই যেখানে অপরিশোধিত এখন বাজারে বিদ্যমান। পাশাপাশি বর্তমানে শেল তেলের তুলনায় অপরিশোধিত তেলে মুনাফা অত্যাধিক।

টেক্সাসের ঈগল ফোর্ড, পারমিন এবং বার্নেত্ত শেল অয়েল মিলিয়ে ৬০ মিলিয়ন ব্যারেলের বেশি শেল তেল মজুদ আছে। গোটা চীনের শেল তেলের তুলনায় স্রেফ টেক্সাসের তেলের পরিমানই অনেক বেশি। এছাড়াও উত্তর ডাকোটায় আরও বিশাল পরিমান তেল মজুদ রয়েছে। এই বিপুল পরিমান শেল তেল প্রাপ্তিতে বর্তমানে রাশিয়ার তেল রিজার্ভের চেয়েও এগিয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র। রিস্তাদের হিসেব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে ২৫৬ বিলিয়ন ব্যারেল অব্যবহৃত তেল। অন্যদিকে সৌদিআরবের রয়েছে ২১২ বিলিয়ন, কানাডার ১৬৭ বিলিয়ন, ইরানের ১৪৩ বিলিয়ন এবং ব্রাজিলের ১২০ বিলিয়ন ব্যারেল তেল মজুদ রয়েছে।

এক পরিসংখ্যান মতে, বিশ্বে অব্যবহৃত শেল তেলের মজুদ রয়েছে ২ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ব্যারেল। রিস্তাদের মতে, এই বিপুল পরিমান তেলই পরিমান করে যে, এই গ্রহের সর্বশেষ তেলের সন্ধানও এখন মানুষের হাতে চলে এসেছে। আগামীতে যখন বিশ্বে তেলের চাহিদা আরও বেড়ে যাবে তখন দেখা দেবে অর্থনৈতিক সংস্কার। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, স্রেফ তেলের কারণেই বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পদ্ধতি এবং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পাল্টে যেতে পারে সামনে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: