রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৫ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Sex Cams
সর্বশেষ সংবাদ
সিলেটে ডাক্তারদের প্রাইভেট চেম্বার বন্ধ, ফার্মেসিতেই চিকিৎসা  » «   ৯ এপ্রিল পবিত্র শবে বরাত  » «   এবার স্পেনও ছাড়ালো চীনকে, ২৪ ঘণ্টায় ৭৩৮ মৃত্যু  » «   সিলেট বিভাগে বৃহস্পতিবার থেকে গণপরিবহন বন্ধ  » «   করোনা মোকাবিলায় দেশে দেশে লকডাউন  » «   খালেদা জিয়ার মুক্তি, করোনা বদলে দিচ্ছে রাজনীতি  » «   খালেদার মুক্তির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাল যুক্তরাষ্ট্র  » «   খালেদা জিয়ার মুক্তিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক দেখছেন ড. কামাল  » «   করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে গ্রিসে লকডাউন  » «   বান্দরবানের ৩ উপজেলা লকডাউন  » «   ইতালিতে একদিনে ৭৪৩ জনের মৃত্যু  » «   ফ্রান্সে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮৬ মৃত্যু  » «   নিউইয়র্কে করোনায় আক্রান্ত ২০ হাজার ছাড়াল  » «   সাধারণ ছুটিতে চালু থাকবে ব্যাংক  » «   করোনাভাইরাস: উৎকণ্ঠিত সিলেট, উদ্বিগ্ন মানুষ  » «  

সেই জার্মান বন্দুকধারীর হিটলিস্টে বাংলাদেশিরা



জার্মানিতে সিসা বারে হামলাকারী উগ্র চরমপন্থী শ্বেতাঙ্গ ঘাতকের হিটলিস্টে ছিল বাংলাদেশি অভিবাসীরাও। হামলার আগে এক মেনিফেস্টেতো একাধিক দেশের অভিবাসীদের হত্যার ঘোষণা দেন তিনি।

দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় হানাউ শহরে বুধবার স্থানীয় সময় রাত ১০টার দিকে ওই হামলায় ১০ জন নিহত হয়। নিহতদের মধ্যে ৫ জনই তুরস্কের নাগরিক।

বন্দুকধারী উগ্রবাদী শ্বেতাঙ্গ ব্যক্তি আত্মঘাতী হওয়ার আগে হত্যা করেন নিজের মাকেও।

ডেইলি মেইল জানায়, ৪৩ বছর বয়সী ঘাতক টোবিয়াস জার্মান নাগরিক। হামলার আগে একটি ওয়েবসাইটে ২৪ পৃষ্ঠার একটি মেনিফেস্টো প্রকাশ করেন তিনি। বাংলাদেশসহ ২৩টি দেশের অভিবাসীদের হত্যার হুমকি দেন টোবিয়াস।

পরবর্তীতে মুছে ফেলা মেনিফেস্টোতে দেখা গেছে বাংলাদেশ ছাড়াও মরক্কো, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, লিবিয়া, মিসর, ইসরায়েল, সিরিয়া, জর্ডান, লেবানন, সৌদি আরব, তুরস্ক, ইরাক, ইরান, কাজাখস্তান, তুর্কমিনিস্তান, উজবেকিস্তান, ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ভিয়েতনাম, লাওস, কম্বোডিয়া, ফিলিপাইনের নাম উল্লেখ করেন জার্মান বন্দুকধারী।

টোবিয়াসের মতে, এই সব দেশ থেকে আসা অভিবাসীদের পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে দিতে হবে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টোবিয়াসের তৎপরতা দেখে তাকে উগ্র জাতীয়তাবাদী হিসেবে শনাক্ত করেছে জার্মান পুলিশ। তার আগ্নেয়াস্ত্রটির লাইসেন্স ছিল। গাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর ম্যাগাজিন।

এদিকে বার্লিনে সংবাদমাধ্যমের কাছে চ্যান্সেলর মার্কেল জানান, জাতিবিদ্বেষের কারণেই যে এই হামলা, তা স্পষ্ট।

তিনি বলেন, জাতিবিদ্বেষ ও ঘৃণা হলো বিষ। আমাদের মানতে হবে এই বিষ আমাদের সমাজেই রয়েছে এবং তা বহু অপরাধের জন্য দায়ী।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান নিশ্চিত করেন, নিহতদের মধ্যে অন্তত পাঁচজন তুর্কি অভিবাসী। জার্মান সরকারের যথাযথ তদন্তে হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য উঠে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: