শুক্রবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ভালোবাসা দিবসে সিলেটে ‘জুটির মেলা’  » «   ছেলেকে নকল দিতে গিয়ে বাবা আটক  » «   সড়কের বিপজ্জনক খুঁটি সরাতে হবে ৬০ দিনের মধ্যে  » «   মুক্তি ভবন: যে হোটেলে শুধু মরার জন্য যায় মানুষ  » «   ইজতেমায় দায়িত্বশীলদের ব্যর্থতা বরদাশত করা হবে না: র‍্যাব ডিজি  » «   সিরিয়া ইস্যুতে বৈঠকে বসছে রাশিয়া, তুরস্ক ও ইরান  » «   হাসপাতালে গিয়ে সিরিয়ালের জন্য অপেক্ষা করলেন অর্থমন্ত্রী লোটাস কামাল!  » «   তুরাগ তীরে আগামীকাল ইজতেমা শুরু, প্রস্তুত লাখো মুসল্লি  » «   বাংলাদেশের প্রতি সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে: জাপানের রাষ্ট্রদূত  » «   আবারো মিয়ানমারের মানচিত্রে সেন্ট মার্টিন্স, রাষ্ট্রদূতকে তলব  » «   ১৪ ফেব্রুয়ারি ‘স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস’, কী ঘটেছিল সেদিন ঢাকায়?  » «   সৌদি নারীদের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ, তদন্ত করবে অ্যাপল  » «   কোনো আপস করার প্রয়োজন নেই, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিইসি  » «   জার্মানির উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী  » «   আজ থেকে শুরু হজের নিবন্ধন, চলবে ১০ মার্চ পর্যন্ত  » «  

সুধীরের খেলা দেখার ব্যবস্থা করলেন পাকিস্তানের সেই ‘চাচা’



স্পোর্টস ডেস্ক:: ভারত-পাকিস্তানের মহারণের বাকি কয়েক ঘণ্টা। কিন্তু তার আগেই মাঠের বাইরে ম্যাচের বিজয় নির্ধারিত হয়ে গেল। ভারত ও পাকিস্তান দু’দলই সেখানে জয়ী। সৌজন্য ও সম্প্রীতির মোড়কে বাঁধা পড়ে গেল দুই প্রতিবেশী দেশই।

শচীন টেন্ডুলকারের অঘোষিত ‘ফ্যান নম্বর ওয়ান’ সুধীর গৌতমের কাছে টাকাই ছিল না আরব আমিরাতে গিয়ে ভারত-পাকিস্তানের ক্রিকেট ম্যাচ উপভোগ করার। তবে শেষ পর্যন্ত সুধীরকে ম্যাচ দেখতে যাওয়ার সমস্ত বন্দোবস্ত করে দিচ্ছেন পাকিস্তানের ‘চাচা’।

ওয়াসিম আকরাম থেকে সরফরাজ খানের হাত ধরে পাকিস্তান ক্রিকেট পেরিয়ে এসেছে বহু পথ। মাঠে সবুজ জার্সিতে চির পরিচিত ক্রিকেটাররা নামলেই গ্যালারিতে হিল্লোল তোলেন বশির ‘চাচা’। ‘চাচা’ই হয়ে উঠেছিলেন পাকিস্তানি সমর্থকদের মুখ, ঠিক সুধীর গৌতমের মতোই। ক্রিকেট ময়দানে তিনি পরিচিত আবার ‘চাচা চিকাগো’ নামেও।

সেই চাচা-র সৌজন্যেই এবার দুবাইয়ের বিমানে উঠলেন সুধীর। অর্থের কোনও সংস্থানই ছিল না সুধীরের কাছে। প্রায় সমস্ত আশা যখন শেষ হতে চলেছে, তখনই সুধীরকে ফোন করেন বশির চাচা। জানতে চান প্রিয় বন্ধুর অবস্থা। সুধীর নিজের আর্থিক দুরবস্থার কথা জানান পাকিস্তানি বন্ধুকে।

বন্ধুর আর্থিক অবস্থার কথা শুনে আর দেরি করেননি। সরাসরি বিমানের টিকিট আর প্রয়োজনীয় অর্থের বন্দোবস্ত করে দেন। ভারতের এক প্রচার মাধ্যমে চাচা জানান, ভালোবাসার জন্যই এমন সাহায্য। আল্লার দোয়ায় টাকা আসবে, যাবে। আমি সবকিছু শুনে সুধীরকে বললাম, টাকার সংস্থান হয়ে যাবে। তুমি শুধু এখানে এসো। আমি খুব ধনী নই। তবে আমার হৃদয় সমুদ্রের মতোই বড়। যদি সুধীরকে সাহায্য করি, তাহলে সর্বশক্তিমানই খুশি হবেন।

পরে সুধীর জানান, ভিসা’র বিষয়টি মিটিয়ে ফেলেছি। চাচা’ই আমাকে সমস্ত টিকিটের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। হোটেল, খাবার সমস্ত খরচ চাচাই দিচ্ছেন। জাতীয় দলকে যাতে গ্যালারি থেকে সমর্থন জানাতে পারি, তাই উনি সবকিছু করেছেন।দু’দেশের রাজনৈতিক উত্তাপ থাকতে পারে, মতানৈক্য থাকতে পারে। তবে দু’দেশের মানুষের হৃদয়ও রয়েছে। সুধীর-চাচা এপিসোডেই প্রমাণ।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: