মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ পৌষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
আমার কিছু হলে দায়ী আপনারা মামা-ভাগ্নে: সিইসিকে গোলাম মাওলা রনি  » «   ভুলভ্রান্তি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন: শেখ হাসিনা  » «   মাহবুব তালুকদারের বক্তব্য অসত্য: সিইসি  » «   ভোটের ফলাফল প্রকাশে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ  » «   ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় মইনুলের জামিন  » «   বাংলাদেশের বিজয় দিবসকে অবজ্ঞা শেহবাগের!  » «   সারাদেশে ১ হাজার ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন  » «   প্রার্থিতা নিয়ে রিট খারিজ, নির্বাচন করতে পারবেন না খালেদা জিয়া  » «   জামায়াতের ২২ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলে রুল  » «   সিলেটে প্রাধান্য উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার  » «   বিএনপির ইশতেহার ঘোষণা করছেন ফখরুল  » «   আপিলেও ভোটের পথ খুলল না ইলিয়াসপত্নী লুনার  » «   যেসব ‘বিশেষ’ অঙ্গীকার থাকছে আ. লীগের নির্বাচনি ইশতেহারে  » «   আ.লীগের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করছেন শেখ হাসিনা  » «   সিলেটে বিএনপি নেতাকর্মীদের মারধর ও ধরপাকড়ের অভিযোগ  » «  

সুধীরের খেলা দেখার ব্যবস্থা করলেন পাকিস্তানের সেই ‘চাচা’



স্পোর্টস ডেস্ক:: ভারত-পাকিস্তানের মহারণের বাকি কয়েক ঘণ্টা। কিন্তু তার আগেই মাঠের বাইরে ম্যাচের বিজয় নির্ধারিত হয়ে গেল। ভারত ও পাকিস্তান দু’দলই সেখানে জয়ী। সৌজন্য ও সম্প্রীতির মোড়কে বাঁধা পড়ে গেল দুই প্রতিবেশী দেশই।

শচীন টেন্ডুলকারের অঘোষিত ‘ফ্যান নম্বর ওয়ান’ সুধীর গৌতমের কাছে টাকাই ছিল না আরব আমিরাতে গিয়ে ভারত-পাকিস্তানের ক্রিকেট ম্যাচ উপভোগ করার। তবে শেষ পর্যন্ত সুধীরকে ম্যাচ দেখতে যাওয়ার সমস্ত বন্দোবস্ত করে দিচ্ছেন পাকিস্তানের ‘চাচা’।

ওয়াসিম আকরাম থেকে সরফরাজ খানের হাত ধরে পাকিস্তান ক্রিকেট পেরিয়ে এসেছে বহু পথ। মাঠে সবুজ জার্সিতে চির পরিচিত ক্রিকেটাররা নামলেই গ্যালারিতে হিল্লোল তোলেন বশির ‘চাচা’। ‘চাচা’ই হয়ে উঠেছিলেন পাকিস্তানি সমর্থকদের মুখ, ঠিক সুধীর গৌতমের মতোই। ক্রিকেট ময়দানে তিনি পরিচিত আবার ‘চাচা চিকাগো’ নামেও।

সেই চাচা-র সৌজন্যেই এবার দুবাইয়ের বিমানে উঠলেন সুধীর। অর্থের কোনও সংস্থানই ছিল না সুধীরের কাছে। প্রায় সমস্ত আশা যখন শেষ হতে চলেছে, তখনই সুধীরকে ফোন করেন বশির চাচা। জানতে চান প্রিয় বন্ধুর অবস্থা। সুধীর নিজের আর্থিক দুরবস্থার কথা জানান পাকিস্তানি বন্ধুকে।

বন্ধুর আর্থিক অবস্থার কথা শুনে আর দেরি করেননি। সরাসরি বিমানের টিকিট আর প্রয়োজনীয় অর্থের বন্দোবস্ত করে দেন। ভারতের এক প্রচার মাধ্যমে চাচা জানান, ভালোবাসার জন্যই এমন সাহায্য। আল্লার দোয়ায় টাকা আসবে, যাবে। আমি সবকিছু শুনে সুধীরকে বললাম, টাকার সংস্থান হয়ে যাবে। তুমি শুধু এখানে এসো। আমি খুব ধনী নই। তবে আমার হৃদয় সমুদ্রের মতোই বড়। যদি সুধীরকে সাহায্য করি, তাহলে সর্বশক্তিমানই খুশি হবেন।

পরে সুধীর জানান, ভিসা’র বিষয়টি মিটিয়ে ফেলেছি। চাচা’ই আমাকে সমস্ত টিকিটের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। হোটেল, খাবার সমস্ত খরচ চাচাই দিচ্ছেন। জাতীয় দলকে যাতে গ্যালারি থেকে সমর্থন জানাতে পারি, তাই উনি সবকিছু করেছেন।দু’দেশের রাজনৈতিক উত্তাপ থাকতে পারে, মতানৈক্য থাকতে পারে। তবে দু’দেশের মানুষের হৃদয়ও রয়েছে। সুধীর-চাচা এপিসোডেই প্রমাণ।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: