মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
কাশ্মীর ইস্যুতে আলোচনায় বসছেন ট্রাম্প- মোদী!  » «   মাত্র ১০০ মিটার দূরেই শত্রু  » «   অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে থাকবে সরকার: কাদের  » «   থানায় ‘গণধর্ষণের’ শিকার সেই নারীর জামিন নামঞ্জুর  » «   মিন্নির স্বীকারোক্তির আগে নাকি পরে এসপির ব্রিফিং : হাইকোর্ট  » «   প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের দুপুরের খাবারে মন্ত্রিসভার সায়  » «   নবম ওয়েজবোর্ডের গেজেট প্রকাশ নিয়ে আপিল বিভাগের সিদ্ধান্ত মঙ্গলবার  » «   পাঁচভাই রেস্টুরেন্টে প্রবাসীর ওপর হামলা: দুই ছাত্রলীগ কর্মী গ্রেপ্তার  » «   সিলেটসহ রেলের পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে হাইকোর্টের রুল  » «   বঙ্গবন্ধু হত্যায় জিয়া নয়, আ.লীগ নেতারা জড়িত : ফখরুল  » «   রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: ‘শঙ্কা’ নিয়েই প্রস্তুত বাংলাদেশ  » «   সুনামগঞ্জে বিষপানে যুবকের আত্মহত্যা  » «   পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইভিনিং প্রোগ্রামে জমজমাট শিক্ষা বাণিজ্য  » «   ১০ দিনে ১৭৫ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা  » «   আজ বাংলাদেশে আসছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, গুরুত্ব পাবে তিস্তা চুক্তি  » «  

সিলেট বেতারের বৃক্ষ কর্তন: অভিযুক্ত রেঞ্জার তদন্ত কমিটিতে!



নিউজ ডেস্ক:: বেতারের অনিয়ম খতিয়ে দেখতে গঠিত তদন্ত কমিটিতে রেঞ্জার দেলোয়ার হোসেন। এর ফলে তদন্ত কার্যক্রমে চাপা পড়ে যাবে সকল অনিয়ম- এমনটাই মনে করছেন অনেকেই। তাছাড়া, তড়িগড়ি করে ঈদের ছুটির আগেই তদন্ত রিপোর্ট দেয়ার চেষ্টা করছেন সংশ্লিষ্টরা- এমন তথ্যও জানা গেছে।

বন বিভাগের অনুমতির আগেই কাটা গাছ নিলামের জন্য একটি টেন্ডার কমিটি করা হয়। আঞ্চলিক প্রকৌশলী মনোয়ার খান, রেঞ্জার দেলোয়ার হোসেন, বেতারের সহকারী বার্তা নিয়ন্ত্রক সঞ্জয় সরকার এই কমিটিরই মেম্বার ছিলেন। তাদের যৌথ সাক্ষরে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। তদন্ত টিম এ নিয়ে অনেকটাই বিব্রত। পাশাপাশি অভিযুক্ত রেঞ্জার দেলোয়ার হোসেন কি করে তদন্ত টিমে আছেন,তা নিয়েও কানাগোসা চলছে।

সুত্র জানায়, তদন্তে বেড়িয়ে এসেছে অনেক অজানা তথ্য। মনোয়ার খানের লুকোচুরি খেলার সাথী দেলোয়ার হোসেন ও সঞ্জয় সরকার পুরো বিষয়টিকে ধামাচাপা দিয়ে অনিয়মকে জায়েজ করতে চেয়েছিলেন। তাই তড়িগড়ি করে নিলাম কাজ সম্পন্ন করে চালানপত্র ছাড়াই গাছ তুলে দিয়েছিলেন ঠিকাদারের হাতে। ৬৫ টি গাছের স্থলে ১৪৩ টি গাছ কেটে অবৈধ টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সরকারের টাকা আত্মসাৎ করার চক্রান্ত অনেকটাই এখন পরিস্কার।

এদিকে তদন্ত রিপোর্ট আসার পর বেতার ভবনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কাটা গাছগুলোর ভবিষ্যত কি হবে, তা নিয়ে রীতিমত জটিলতা দেখা দিয়েছে। ৬৫ টি গাছের যেখানে অনুমতি আছে, সেখানে বৈধভাবে এই গাছগুলোই নিলাম করা যাবে। অবশিষ্ট কাটা গাছ এই টেন্ডার প্রক্রিয়ায় নিলাম আইনত বৈধ হবে না। যে ঠিকাদার নিলাম প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে গাছগুলো পেয়েছেন, তিনিও বৈধভাবে ৬৫ টি গাছের চালানপত্র পাবেন। যদিও ইতিমধ্যে চালানপত্র ছাড়াই অনেক গাছ ঠিকাদার নিয়ে গেছেন।

পরিবেশ আইনজীবিরা মনে করছেন, পরিস্থিতি পুরোটাই ঘোলাটে। বন বিভাগ শুধু তদন্ত রিপোর্ট দিলেই চলবেনা, বন ও পরিবেশ আইনেই মামলাও করতে হবে, সেক্ষেত্রে বিনা অনুমতিতে গাছ কেটে সেই গাছ অবৈধভাবে বিক্রি করা ও সরকারের টাকা আত্মসাতের দায়ে দূর্ণীতির অভিযোগে টেন্ডার কমিটি অভিযুক্ত হতে পারেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: