বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
৪০ কিমি হেঁটে স্কুলে যেতেন মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার!  » «   পশ্চিমবঙ্গে আবারও সরকার গঠনের পথে মমতা  » «   ভোট গণনা শুরু, বড় ব্যবধানে এগিয়ে বিজেপি  » «   খালেদা জিয়ার সুবিধার্থে কেরানীগঞ্জে আদালত স্থাপনের সিদ্ধান্ত: তথ্যমন্ত্রী  » «   বুথফেরত জরিপের ফলেই ‘বিজয়োৎসব’ শুরু বিজেপির  » «   হুতি বিদ্রোহীদের হামলা, সৌদির পাশে থাকবে পাকিস্তান  » «   ধানক্ষেতে আগুনের ঘটনা তদন্তে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ  » «   মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাড়ছে  » «   বালিশ দুর্নীতি: নির্বাহী প্রকৌশলী প্রত্যাহার  » «   এফআর টাওয়ার নির্মাণে ত্রুটি, তদন্ত প্রতিবেদনে দোষী ৬৭ জন  » «   ক্ষতিপূরণ দিতে গ্রিনলাইনকে আদালতের আল্টিমেটাম  » «   প্রখ্যাত তিন ইসলামি স্কলারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করছে সৌদি  » «   মৌলভীবাজারে কে এই ‘পীর’ আজাদ?  » «   ৮০ বছরের মধ্যে সাগরে ডুবে যাবে বাংলাদেশ!  » «   অনলাইনে ট্রেনের টিকিট: বিক্রি শুরুর আগেই টিকিট শেষ!  » «  

সিলেটে সর্বনিম্ন ফিতরা ৫৫ টাকা, সর্বোচ্চ ১১৫৫ টাকা



নিউজ ডেস্ক:: চলতি বছর সিলেট শহর ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৫৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ হাজার ১৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যে কেউ ইচ্ছা করলে সর্বনিম্ন এই হার থেকে সর্বোচ্চ হারে ফিতরা আদায় করতে পারবেন।

সোমবার বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি সিলেট মহানগর শাখার সভাকক্ষে ‘দরিদ্র বিমোচনে যাকাত-ফিৎরার ভূমিকা ও স্থানীয়ভাবে ফিৎরার পরিমাণ নির্ধারণ’ শীর্ষক সেমিনারে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সিলেট মহানগর ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা হাবীব আহমদ শিহাবের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

শহরের বিভিন্ন খুচরাবাজার যাচাই করে আটা ১৬৫০ গ্রাম ও খেজুর, কিসমিস ৩৩০০ গ্রামের মধ্য কোয়ালিটির মূল্য নির্ধারণের মাধ্যমে ফিতরার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। আগামী শুক্রবার জুমার বয়ানে যাকাত ফিতরা বিষয়ে আলোচনা করার জন্য নগরীর সকল ইমাম খতিবদের প্রতি আহবান জানান।

সেমিনারের প্রধান সিদ্ধান্তদানকারী দরগাহে হযরত শাহজালাল রহ: মাদরাসার শায়খুল হাদীস আল্লামা মুহিব্বুল হক গাছবাড়ি বলেন, ‘ফিতরায় ওজনের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় কিসমিস ও খেজুর ৩৩০০ গ্রাম যা শরীয়তে ১ সা’, আটা, যব যা নির্ধারণ করা হয় ১৬৫০ গ্রাম, যা শরীয়তে অর্ধসা। এ পরিমাপ অনুযায়ী বাজার দরের সাথে সামঞ্জস্য করে ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে।’

সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সিরাজুল ইসলামের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন, দরগাহ মাদরাসার মুহতামিম মুফতী আবুল কালাম জাকারিয়া, সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর পরিচালক মাওলানা সিরাজুল ইসলাম সিরাজী, কুদরত উল্লাহ মার্কেটের ব্যবসায়ী মাওলানা রেজাউল করিম জালালী, সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসার মুফতী মাওলানা আব্দুল মুছাব্বির, দরগাহ মাদরাসার সহকারী শিক্ষা সচিব মুফতী আতাউল হক জালালাবাদী, হযরত শাহজালার ডিওয়াই কামিল মাদরাসার মুফতী উপাধ্যক্ষ আবুল সারেহ কুতবুল আলম, জামেয়াতুল খায়ের আল ইসলামী সিলেটের মুফতী মাওলানা জমির উদ্দিন, মুফতী রশিদ আহমদ, দারুসসালাম খাসদবির মাদরাসার মুফতী মুহাম্মদ যাকারিয়া, ইমাম সমিতির জেলা সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ এহসান উদ্দিন, শিবগঞ্জ মাদরাসার মাওলানা আসরারুল হক, কুদতর উল্লাহ মাদরাসার প্রিন্সিপাল হাফিজ মাওলানা মিফতাহ উদ্দিন, জেলা সেক্রেটারী মাওলানা জালাল উদ্দিন ভুইয়া, ইমাম সমিতির সহ সভাপতি কারী মাওলানা শহীদ আহমদ, মুফতি মাওলানা বুরহান উদ্দিন, মাওলানা নূর উদ্দিন আহমদ, মাওলানা আহমদ হোসেইন, মাওলানা নূর আহমদ কাসেমী, মাওলানা আব্দুস সালাম, মাওলানা হিফজুর রহমান, মুফতী মাওলানা আব্দুর রহমান প্রমুখ। এছাড়াও আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন মাওলানা আব্দুর রহিম, মাওলানা এখলাছুর রহমান, মাওলানা হিফজুর রহমান, হাফিজ মাওলানা শরফ উদ্দিন, মাওলানা মাহবুব আহমদ নাঈমী, মাওলানা মোহাম্মদ আলী, মাওলানা শুয়াইবুর রহমান, মাওলানা মিছবাহ উদ্দিন, মাওলানা হারিছ আহমদ, মাওলানা সিদ্দিক আহমদ, মাওলানা সালেহ আহমদ শাহবাগী প্রমুখ।

ফিতরা নির্ধারণের জন্য বাজার মনিটরিং করেন ইমাম সমিতির সহ সভাপতি মাওলানা নূর আহমদ কাসেমী, সহ সাধারণ সম্পাদক হাফিজ মাওলানা ছুহাইব আহমদ ও দপ্তর সম্পাদক হাফিজ মাওলানা আব্দুর রহমান।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: