বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পাবলিক পরীক্ষার সব ফি দেবে সরকার  » «   বাচ্চারা সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ইভিএম, দাবি লালুপুত্রের  » «   আগামীকাল প্রাথমিকের প্রথম ধাপের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা  » «   পরাজিত হওয়া মানেই হার নয়: মমতা  » «   কুলাউড়ায় ওজন বাড়াতে চিংড়িতে বিষাক্ত জেলি!  » «   শতবর্ষী বৃদ্ধাকে ধর্ষণ: ‘আমাকে ছেড়ে দাও, আমি রোজা রাখছি’  » «   কিছুটা সময় লাগলেও ইসরাইল-আমেরিকার পতন অনিবার্য: ধর্মীয় নেতা  » «   মেয়াদোত্তীর্ণ সেমাই ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার তৈরি: সিলেটে ওয়েল ফুডকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা  » «   একক দল হিসেবেই ম্যাজিক ফিগারে মোদির বিজেপি!  » «   পারিবারিক কলহে সৎ মাকে কুপিয়ে জখম করেছে ছেলে  » «   রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে ১০ হাজার শিক্ষার্থীকে নিয়োগ দেয়া হবে: অর্থমন্ত্রী  » «   পবিত্র কোরআন কেটে ভেতরে ইয়াবা পাচার, ৩ রোহিঙ্গা আটক  » «   গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের চার জন নিহত  » «   খালেদার কারামুক্তি, এবারও ‘হ্যান্ডল’ করতে পারেনি বিএনপি!  » «   বালিশ মাসুদের খোলা চিঠি  » «  

সিলেটে ফয়জুলের বন্ধু সোহাগ ৭ দিনের রিমান্ডে



ডেস্ক রিপোর্ট:: সিলেটে অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর হামলাকারী ফয়জুর রহমানের বন্ধু সোহাগ মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের হেফাজতে নেওয়ার অনুমতি পেয়েছে পুলিশ।

সোমবার দুপুরে সিলেট মুখ্য মহানগর হাকিম সাইফুজ্জামান হিরোর আদালতে হাজির করা হলে শুনানি শেষে তিনি এ আদেশ দেন বলে আদালত পুলিশের সহকারী কমিশনার অমুল্য কুমার চৌধুরী জানান।

অমুল্য বলেন, ফয়জুরকে জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ করার অভিযোগে সোহাগকে রোববার রাতে সিলেট নগরীর কালিবাড়ি এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ। তার সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত মঞ্জুর করেন।

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের সাদিকুর রহমানের ছেলে ২৪ বছর বয়সী সোহাগ মিয়ার কাছ থেকে ফয়জুরের ব্যবহৃত একটি কম্পিউটারও জব্দ করা হয়েছে বলে অমুল্য জানান।

এর আগে গত ৮ মার্চ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফয়জুলকে দশ দিনের হেফাজতে নেওয়া হয়। এরপর ১১ মার্চ তার মামা ফজলুর রহমান ও বাবা আতিকুর রহমানকে পাঁচ দিনের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। সবশেষ ১৩ মার্চ তার ভাই এনামুলকে হেফাজতে নেওয়ার অনুমতি দেয় আদালত।

গত ৩ মার্চ বিকালে সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মুক্তমঞ্চে এক অনুষ্ঠান চলাকালে মাদ্রাসা ছাত্র ফয়জুল হাসান ওরফে শফিকুর জাফর ইকবালের ওপর হামলা চালান। ঘটনার পরপরই শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা তাকে ধরে পিটুনি দিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেন।

কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক জাফর ইকবালকে প্রথমে নেওয়া হয় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে অস্ত্রোপচার শেষে রাতেই তাকে পাঠানো হয় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে।

এ ঘটনায় ফয়জুলসহ অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে পরদিন সিলেটের জালালাবাদ থানায় মামলা করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: