মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
খাশোগি হত্যা বনাম সৌদি যুবরাজের কালো অধ্যায়  » «   অপারেশন ‘গর্ডিয়ান নট’ সমাপ্ত, দুই জঙ্গির মরদেহ উদ্ধার  » «   ২০ দলীয় জোট থেকে বেরিয়ে গেল ন্যাপ ও এনডিপি  » «   মতবিরোধ থাকলেও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনা সম্ভব: সিইসি  » «   সিলেটে জনসভার মধ্যেদিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আনুষ্ঠানিক যাত্রা  » «   সৌদির প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত, সব ক্রু নিহত  » «   ডিজিটাল আইনের ৯টি ধারা সংশোধন চেয়ে আইনি নোটিশ  » «   ট্রাম্পের বিরুদ্ধে স্টর্মির মানহানি মামলা খারিজ  » «   জঙ্গি আস্তানায় অভিযান শুরু,দফায় দফায় আসছে গুলির শব্দ  » «   সাত বছরেও চালু হয়নি হাসপাতালের কার্যক্রম  » «   হযরত মুহাম্মাদ (সা:) কে নিয়ে যা বললেন মমতা ব্যানার্জী  » «   নির্বাচন কমিশন তো জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ নয় : কাদের  » «   জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার রায় ২৯ অক্টোবর  » «   মির্জাপুরে ট্রাক উল্টে একই পরিবারের ৩ জন নিহত  » «   আস্তানায় বেশ কয়েকজন জঙ্গি ও গোলাবারুদ রয়েছে: সিটিটিসি প্রধান  » «  

সিলেটে ফয়জুলের বন্ধু সোহাগ ৭ দিনের রিমান্ডে



ডেস্ক রিপোর্ট:: সিলেটে অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালের ওপর হামলাকারী ফয়জুর রহমানের বন্ধু সোহাগ মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের হেফাজতে নেওয়ার অনুমতি পেয়েছে পুলিশ।

সোমবার দুপুরে সিলেট মুখ্য মহানগর হাকিম সাইফুজ্জামান হিরোর আদালতে হাজির করা হলে শুনানি শেষে তিনি এ আদেশ দেন বলে আদালত পুলিশের সহকারী কমিশনার অমুল্য কুমার চৌধুরী জানান।

অমুল্য বলেন, ফয়জুরকে জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ করার অভিযোগে সোহাগকে রোববার রাতে সিলেট নগরীর কালিবাড়ি এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ। তার সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত মঞ্জুর করেন।

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের সাদিকুর রহমানের ছেলে ২৪ বছর বয়সী সোহাগ মিয়ার কাছ থেকে ফয়জুরের ব্যবহৃত একটি কম্পিউটারও জব্দ করা হয়েছে বলে অমুল্য জানান।

এর আগে গত ৮ মার্চ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফয়জুলকে দশ দিনের হেফাজতে নেওয়া হয়। এরপর ১১ মার্চ তার মামা ফজলুর রহমান ও বাবা আতিকুর রহমানকে পাঁচ দিনের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। সবশেষ ১৩ মার্চ তার ভাই এনামুলকে হেফাজতে নেওয়ার অনুমতি দেয় আদালত।

গত ৩ মার্চ বিকালে সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মুক্তমঞ্চে এক অনুষ্ঠান চলাকালে মাদ্রাসা ছাত্র ফয়জুল হাসান ওরফে শফিকুর জাফর ইকবালের ওপর হামলা চালান। ঘটনার পরপরই শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা তাকে ধরে পিটুনি দিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেন।

কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক জাফর ইকবালকে প্রথমে নেওয়া হয় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে অস্ত্রোপচার শেষে রাতেই তাকে পাঠানো হয় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে।

এ ঘটনায় ফয়জুলসহ অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে পরদিন সিলেটের জালালাবাদ থানায় মামলা করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: