শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
নুসরাত হত্যা : পুলিশের ভূমিকার বিচার বিভাগীয় তদন্ত চায় টিআইবি  » «   রাজীবের মৃত্যুর এক বছরেও মেলেনি ক্ষতিপূরণের কানাকড়ি  » «   দুর্যোগ সম্পর্কে সচেতনতামূলক প্রচারণা জরুরি : প্রধানমন্ত্রী  » «   বিএনপির ১৪ শীর্ষ নেতাদের জামিন বহাল  » «   একসঙ্গে পুড়ল তিন ভাইয়ের ‘স্বপ্ন’  » «   সিগারেট খেলে ফ্রিজ ফ্রি!  » «   রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়বে না : বাণিজ্যমন্ত্রী  » «   পাকিস্তানে নির্মিত হচ্ছে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মসজিদ  » «   জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ‘মুজিবনগর দিবস’ উদযাপন  » «   ব্রুনাই সফরে ৬ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করবেন প্রধানমন্ত্রী  » «   বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ  » «   প্যারোলে মুক্তি ও এমপিদের শপথ গ্রহণ : যা ভাবছেন খালেদা জিয়া ও বিএনপি  » «   আপিলে হারলো যুক্তরাজ্য সরকার, কাটতে পারে বহু বাংলাদেশির ভিসা জটিলতা  » «   বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় কলেজছাত্রীকে ছুরিকাঘাত  » «   লিবিয়ায় গৃহযুদ্ধ: নিরাপদ স্থানে সরানো হলো ৩০০ বাংলাদেশিকে  » «  

সিলেটে ‘নৌকা’ ডোবার যত কারণ



আ.ফ.ম সাঈদ ::সিলেটে ‘নৌকা’ডুবি হয়েছে। আওয়ামী লীগের নৌকা ডুবেছে। একাধিক কারণে কামরানের নৌকাডুবি ঘটেছে।

১. আরিফুল হক চৌধুরী ও বিএনপির মূল প্রচারণা ছিল, সিলেট সিটিতে আরিফ ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করিয়েছেন। যা আগে কেউ করতে পারেনি। কামরান ও আওয়ামী লীগ এই প্রচারণার কোনো জবাব না দিয়ে নীরব থেকেছেন। আরিফ যে সরকারের সহযোগিতায় উন্নয়ন কাজ করিয়েছেন, এ কথাও কামরান শিবির থেকে বলা হয়নি।

২. ক্ষমতাসীন সরকারের কেউ কেউ নিজের নাক কেটে অপরের যাত্রার মতো আরিফকে গত ক’বছরে জনপ্রিয় করিয়েছেন।

৩. আওয়ামী লীগের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী বাহ্যিকভাবে কামরানের পক্ষে কাজ করেছেন। কিন্তু বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরোর মতো কেউ কেউ ছিলেন নিছক লোক-দেখানো ও ফটোসেশনে ব্যস্ত। কেউবা ছিলেন নীরব। মুরুব্বি নেতাদের কেউ কেউ কামরানের প্রচারণায় অংশ না নিয়ে বিএনপি সমর্থক কমিশনার প্রার্থীর পক্ষে সরব ছিলেন।

৪. ধর্মীয় সংখ্যালঘু ভোটারদের অন্তত ৯০ শতাংশ ভোট কামরান পাননি। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নেতারা ঢাকা থেকে এসে কামরানের পক্ষে প্রচারণা করলেও লাভ হয়নি।

৫. আওয়ামী লীগ সমর্থক কমিশনার পদপ্রার্থীরা নিজেরা জেতার জন্য বিএনপি কর্মীদের নৌকার কার্ড দেন। এই কর্মীরা আরিফের পক্ষে কাজ করেছে।

৬. ওই কমিশনার প্রার্থীদের কল্যাণে বিএনপির অনেক কর্মীও নৌকার এজেন্টের কার্ড পেয়ে যায়।

৭. আওয়ামী লীগের মহাজোট রয়েছে। কিন্তু এই জোটের শরিক দলগুলো কামরানের প্রচারণায় ছিল না। জাসদ, গণতন্ত্রী পার্টি, ন্যাপ, সাম্যবাদী দল, ওয়ার্কার্স পার্টি প্রভৃতি কোনো দলের কোনো নেতাই প্রচারণায় ছিলেন না। বরং কোনো কোনো দল কামরানের বিরোধিতা করেছে। জাতীয় পার্টি একেবারে শেষ সময়ে কামরানকে সমর্থন দেয়। নির্বাচনি প্রক্রিয়া শুরুর সময় জাপার সমর্থন আদায়ের উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

৮. জামায়াতের প্রার্থী কমপক্ষে ৩০ হাজার ভোট পাবেন বলে রটনা ছিল। জামায়াত বলেছিল, সিলেটে তাদের নাকি ২০ হাজার রিজার্ভ ভোট আছে। কিন্তু জামায়াত কর্মীরা শেষ মুহূর্তে নৌকা ঠেকাও সুর তুলে আরিফকে ভোট দেয়। এতে আরিফের ভোট বেড়ে যায়।

আ.ফ.ম সাঈদ -লেখক সাংবাদিক

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: