রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার খবরটি ‘টোটালি ফলস’  » «   শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে: খাদ্যমন্ত্রী  » «   জামায়াত নতুন নামে পুরনো চরিত্রে ফিরে আসে কিনা তা ভাবনার বিষয়  » «   সুস্থ থাকলে শেখ হাসিনার বিকল্প দরকার নেই  » «   নন্দলালের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেন না: ইসি রফিকুল  » «   এমপি হিসেবে শপথ নিলেন সৈয়দ আশরাফের বোন ডা. জাকিয়া  » «   রোহিঙ্গাদের নৃশংসতার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান মিয়ানমার সেনাপ্রধানের!  » «   যেসব শর্তে আত্মসমর্পণ করছেন ১০২ ইয়াবা ব্যবসায়ী  » «   নাসা আ্যপস চ্যালেঞ্জে বিশ্বসেরা শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়  » «   বাংলা একাডেমিতে আল মাহমুদের মরদেহ, শ্রদ্ধা নিবেদন  » «   আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে জোবায়ের অনুসারীদের ইজতেমা শেষ  » «   যেভাবে ভারতীয় সেনাবহরে হামলা চালায় জঙ্গিরা  » «   রোহিঙ্গা নিপীড়ন তদন্তে মার্চে বাংলাদেশ আসছে আইসিসি প্রতিনিধিদল  » «   ব্যাটিং ব্যর্থতায় সিরিজ হার বাংলাদেশের  » «   যুক্তরাষ্ট্রে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলেন ট্রাম্প  » «  

সিলেটে ‘নৌকা’ ডোবার যত কারণ



আ.ফ.ম সাঈদ ::সিলেটে ‘নৌকা’ডুবি হয়েছে। আওয়ামী লীগের নৌকা ডুবেছে। একাধিক কারণে কামরানের নৌকাডুবি ঘটেছে।

১. আরিফুল হক চৌধুরী ও বিএনপির মূল প্রচারণা ছিল, সিলেট সিটিতে আরিফ ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করিয়েছেন। যা আগে কেউ করতে পারেনি। কামরান ও আওয়ামী লীগ এই প্রচারণার কোনো জবাব না দিয়ে নীরব থেকেছেন। আরিফ যে সরকারের সহযোগিতায় উন্নয়ন কাজ করিয়েছেন, এ কথাও কামরান শিবির থেকে বলা হয়নি।

২. ক্ষমতাসীন সরকারের কেউ কেউ নিজের নাক কেটে অপরের যাত্রার মতো আরিফকে গত ক’বছরে জনপ্রিয় করিয়েছেন।

৩. আওয়ামী লীগের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী বাহ্যিকভাবে কামরানের পক্ষে কাজ করেছেন। কিন্তু বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরোর মতো কেউ কেউ ছিলেন নিছক লোক-দেখানো ও ফটোসেশনে ব্যস্ত। কেউবা ছিলেন নীরব। মুরুব্বি নেতাদের কেউ কেউ কামরানের প্রচারণায় অংশ না নিয়ে বিএনপি সমর্থক কমিশনার প্রার্থীর পক্ষে সরব ছিলেন।

৪. ধর্মীয় সংখ্যালঘু ভোটারদের অন্তত ৯০ শতাংশ ভোট কামরান পাননি। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নেতারা ঢাকা থেকে এসে কামরানের পক্ষে প্রচারণা করলেও লাভ হয়নি।

৫. আওয়ামী লীগ সমর্থক কমিশনার পদপ্রার্থীরা নিজেরা জেতার জন্য বিএনপি কর্মীদের নৌকার কার্ড দেন। এই কর্মীরা আরিফের পক্ষে কাজ করেছে।

৬. ওই কমিশনার প্রার্থীদের কল্যাণে বিএনপির অনেক কর্মীও নৌকার এজেন্টের কার্ড পেয়ে যায়।

৭. আওয়ামী লীগের মহাজোট রয়েছে। কিন্তু এই জোটের শরিক দলগুলো কামরানের প্রচারণায় ছিল না। জাসদ, গণতন্ত্রী পার্টি, ন্যাপ, সাম্যবাদী দল, ওয়ার্কার্স পার্টি প্রভৃতি কোনো দলের কোনো নেতাই প্রচারণায় ছিলেন না। বরং কোনো কোনো দল কামরানের বিরোধিতা করেছে। জাতীয় পার্টি একেবারে শেষ সময়ে কামরানকে সমর্থন দেয়। নির্বাচনি প্রক্রিয়া শুরুর সময় জাপার সমর্থন আদায়ের উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

৮. জামায়াতের প্রার্থী কমপক্ষে ৩০ হাজার ভোট পাবেন বলে রটনা ছিল। জামায়াত বলেছিল, সিলেটে তাদের নাকি ২০ হাজার রিজার্ভ ভোট আছে। কিন্তু জামায়াত কর্মীরা শেষ মুহূর্তে নৌকা ঠেকাও সুর তুলে আরিফকে ভোট দেয়। এতে আরিফের ভোট বেড়ে যায়।

আ.ফ.ম সাঈদ -লেখক সাংবাদিক

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: