সোমবার, ২৪ জুন ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
প্রথমবার সিলেট-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে উড়বে ইউএস-বাংলা  » «   ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো ইন্দোনেশিয়ায়-জাপান-অস্ট্রেলিয়া  » «   ভোটকেন্দ্রেই ঘুমিয়ে পড়লেন কর্মকর্তা  » «   ‘জয় শ্রীরাম’ না বলায় পিটিয়ে মুসলিম যুবককে হত্যা  » «   নয়াপল্টনে একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ  » «   অফিসে বসে বসে শুধু কি চা খাইলে হবে? দেশপ্রেম থাকতে হবে: হাইকোর্ট  » «   বিকেলের মধ্যে উদ্ধার কাজ শেষ হবে: রেলসচিব  » «   বাংলাদেশের নামে সড়কের নামকরন যুক্তরাষ্ট্রে  » «   সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লেও দুর্নীতি কমছে না : টিআইবি  » «   দেশসেরা প্রধান শিক্ষক হবিগঞ্জের শাহনাজ কবীর  » «   বাঘের খাবারও চুরি হয় ঢাকা চিড়িয়াখানায়, ফেসবুকে ভাইরাল  » «   দুই মাস ওমরাহ ভিসা স্থগিত করল সৌদি  » «   বীমার আওতায় যেসব সুবিধা পাচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীরা  » «   কারাগারে সুনামগঞ্জের আ. লীগ নেতা শামীম আহমদ  » «   মুক্তি পেয়ে নতুন যে বাড়িতে থাকবেন খালেদা  » «  

সিলেটে ‘নৌকা’ ডোবার যত কারণ



আ.ফ.ম সাঈদ ::সিলেটে ‘নৌকা’ডুবি হয়েছে। আওয়ামী লীগের নৌকা ডুবেছে। একাধিক কারণে কামরানের নৌকাডুবি ঘটেছে।

১. আরিফুল হক চৌধুরী ও বিএনপির মূল প্রচারণা ছিল, সিলেট সিটিতে আরিফ ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করিয়েছেন। যা আগে কেউ করতে পারেনি। কামরান ও আওয়ামী লীগ এই প্রচারণার কোনো জবাব না দিয়ে নীরব থেকেছেন। আরিফ যে সরকারের সহযোগিতায় উন্নয়ন কাজ করিয়েছেন, এ কথাও কামরান শিবির থেকে বলা হয়নি।

২. ক্ষমতাসীন সরকারের কেউ কেউ নিজের নাক কেটে অপরের যাত্রার মতো আরিফকে গত ক’বছরে জনপ্রিয় করিয়েছেন।

৩. আওয়ামী লীগের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী বাহ্যিকভাবে কামরানের পক্ষে কাজ করেছেন। কিন্তু বজ্র আঁটুনি ফসকা গেরোর মতো কেউ কেউ ছিলেন নিছক লোক-দেখানো ও ফটোসেশনে ব্যস্ত। কেউবা ছিলেন নীরব। মুরুব্বি নেতাদের কেউ কেউ কামরানের প্রচারণায় অংশ না নিয়ে বিএনপি সমর্থক কমিশনার প্রার্থীর পক্ষে সরব ছিলেন।

৪. ধর্মীয় সংখ্যালঘু ভোটারদের অন্তত ৯০ শতাংশ ভোট কামরান পাননি। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নেতারা ঢাকা থেকে এসে কামরানের পক্ষে প্রচারণা করলেও লাভ হয়নি।

৫. আওয়ামী লীগ সমর্থক কমিশনার পদপ্রার্থীরা নিজেরা জেতার জন্য বিএনপি কর্মীদের নৌকার কার্ড দেন। এই কর্মীরা আরিফের পক্ষে কাজ করেছে।

৬. ওই কমিশনার প্রার্থীদের কল্যাণে বিএনপির অনেক কর্মীও নৌকার এজেন্টের কার্ড পেয়ে যায়।

৭. আওয়ামী লীগের মহাজোট রয়েছে। কিন্তু এই জোটের শরিক দলগুলো কামরানের প্রচারণায় ছিল না। জাসদ, গণতন্ত্রী পার্টি, ন্যাপ, সাম্যবাদী দল, ওয়ার্কার্স পার্টি প্রভৃতি কোনো দলের কোনো নেতাই প্রচারণায় ছিলেন না। বরং কোনো কোনো দল কামরানের বিরোধিতা করেছে। জাতীয় পার্টি একেবারে শেষ সময়ে কামরানকে সমর্থন দেয়। নির্বাচনি প্রক্রিয়া শুরুর সময় জাপার সমর্থন আদায়ের উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

৮. জামায়াতের প্রার্থী কমপক্ষে ৩০ হাজার ভোট পাবেন বলে রটনা ছিল। জামায়াত বলেছিল, সিলেটে তাদের নাকি ২০ হাজার রিজার্ভ ভোট আছে। কিন্তু জামায়াত কর্মীরা শেষ মুহূর্তে নৌকা ঠেকাও সুর তুলে আরিফকে ভোট দেয়। এতে আরিফের ভোট বেড়ে যায়।

আ.ফ.ম সাঈদ -লেখক সাংবাদিক

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: