শনিবার, ২৩ জুন ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
যমুনা নদীতে বিলীন হচ্ছে বসত বাড়ি, দেখার কেউ নেই!  » «   নতুন চলচ্চিত্রের জন্য ইরানে অনন্ত  » «   নেইমারের জার্সি গায়ে অপু ও জয়  » «   সিসিক নির্বাচন: আ.লীগ মেয়র প্রার্থী হলেন কামরান  » «   বাসায় ঢুকে অভিনেত্রীকে শ্লীলতাহানি!  » «   আর্জেন্টিনার হার, বেরিয়ে এলো বিস্ফোরক তথ্য!  » «   দুর্ঘটনা সড়কে মৃত্যুর মিছিল, নিহত ৩০, আহত ৪৭  » «   ‘নির্বাচনে জয়ী হতে গিয়ে যেন দলের বদনাম না হয়’  » «   হাসপাতালে পরীমনি  » «   আর্জেন্টিনার হার, ‘সুইসাইড নোট’ লিখে নিখোঁজ মেসি ভক্ত  » «   সাপাহারে ট্রাক ও ভ্যানের মুখো-মুখি সংঘর্ষে নিহত-২  » «   দুর্ঘটনার দিন ঢাকাতেই ছিলাম না’  » «   ভক্তদের হতাশ করেনি ব্রাজিল : অতিরিক্ত সময়ই বিশ্বকাপে টিকিয়ে রাখল নেইমারদের  » «   হাসপাতালের এক্সরে রুমে রোগীর মাকে ধর্ষণের চেষ্টা!  » «   গজারী বনে যুবতীর অর্ধগলিত লাশ  » «  

সিটি নির্বাচনে ব্যাপক বিধি লঙ্ঘন হয়েছে : টিআইবি



transনিউজ ডেস্ক :: বাংলাদেশে এপ্রিলের শেষে অনুষ্ঠিত ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ব্যাপকভাবে নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন হয়েছে বলে বলছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ টিআইবি।
আজই প্রকাশ হওয়া সংস্থাটির এক গবেষণা প্রতিবেদনে প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়ে ব্যাপক অনিয়ম দেখতে পেয়েছে টিআইবি।
টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক, ড. ইফতেখারুজ্জামান বিবিসি বাংলাকে বলেছেন নির্বাচনে সমর্থন লাভ এবং প্রচার প্রচারণার জন্য অর্থব্যয়ে এই দুই ক্ষেত্রেই অনিয়ম দেখতে পেয়েছে টিআইবি।
এর মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণে নির্বাচনে সমর্থন লাভের জন্য অর্থ লেনদেনের বিরাট কোন অভিযোগ না থাকলেও চট্টগ্রামে এ সংক্রান্ত বহু নজির রয়েছে বলে জানাচ্ছেন মি. জামান।
সেখানে দলের সমর্থন, দলের প্রভাবশালী নেতাদের সমর্থন আদায় এবং প্রতিপক্ষের প্রভাবশালী নেতাদের নিউট্রালাইজ করতে বিরাট অংকের অর্থ লেনদেন হয়েছে বলে টিআইবির গবেষণায় উঠে এসেছে।
এছাড়া নির্বাচনী প্রচারণার জন্য যে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ব্যয়ের সীমা রয়েছে, সেটা প্রায় কোন প্রার্থীই মানেননি।এই অনিয়মের ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম এগিয়ে রয়েছে।
ঢাকার নয়জন মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে মাত্র একজন নির্ধারিত অর্থ সীমার মধ্যে ব্যয় করেছেন। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণে নির্ধারিত সীমার চেয়ে এগারোগুণ বেশি অর্থ নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যয় করা হয়েছে।
এছাড়া, কাউন্সিলর পর্যায়েও এ সংক্রান্ত ব্যাপক অনিয়ম ঘটেছে। চট্টগ্রামে একেকজন কাউন্সিলর প্রার্থী গড়ে তেইশ লক্ষ টাকা এবং ঢাকায় গড়ে ষোল লক্ষ টাকা করে ব্যয় করেছেন।
এছাড়া নির্বাচন কমিশনও অনিয়ম করেছে। তারা আইনানুগভাবে অনিয়মের বিরুদ্ধে যেসব ব্যবস্থা নিতে পারতো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেটি না করে তারা সরকার সমর্থিত প্রার্থীদের প্রতি নমনীয় আচরণ করেছে।
ফলে তাদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ উঠেছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: