সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ পৌষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সিলেটে বিএনপি নেতাকর্মীদের মারধর ও ধরপাকড়ের অভিযোগ  » «   আটকে রেখে তিন সাংবাদিককে পেটালো বুয়েট ছাত্রলীগ  » «   সিরিয়ায় মসজিদ ধ্বংস করল মার্কিন জোট  » «   বাবার স্বপ্ন পূরণে বড় চাকরি ছেড়ে আপনাদের সেবায় এসেছি: রেজা কিবরিয়া  » «     » «   নির্বাচনে ‘সংঘাত’ একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না: সিইসি  » «   জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ২৫ সদস্যের সমন্বয়ক কমিটি  » «   আফগানিস্তানে মার্কিন বিমান হামলায় ১২ শিশুসহ নিহত ২০  » «   মহান বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা  » «   চমক থাকছে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে  » «   দুই-তিন দিনের মধ্যে ইসিতে যাবে বিএনপি  » «   কাদের সিদ্দিকী রাজাকার, বদমাইশ : মির্জা আজম  » «   নির্বাচনের ৭ দিন আগে ব্যালট পৌঁছে যাবে: ইসি সচিব  » «   রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে চান ড. কামাল  » «   যুক্তরাষ্ট্র-অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড কানাডায় বোমা হামলার হুমকি  » «  

সিজিরিয়ান রোগীর পেটে গজ রেখে সেলাই! অতঃপর…



নিউজ ডেস্ক::রোগীর পেটে গজ-ব্যান্ডেজ রেখেই সেলাই করার অভিযোগ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। রাজশাহীতে এ ঘটনাটি ঘটেছে। আর এই অভিযোগে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা পর্যন্ত করা হয়েছে।

রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজশাহী নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় ভুক্তভোগীর স্বামী আলী আজম এ মামলাটি দায়ের করেন।

নগরীর ঘোষপাড়া এলাকার মা ফাতেমা ক্লিনিকের চিকিৎসক সুলতানা নাজনীন রিতাকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।

বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমান উল্লাহ এ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ‘রোগীর স্বামীর দায়ের করা মামলার বিষয়টি তদন্ত করা হবে। এরপর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহীর বাঘা উপজেলার হরিরামপুরের আজিজুল ইসলামের ছেলে আলী আজমের স্ত্রী আলাপী বেগমকে সিজিরিয়ান করার জন্য গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর নগরীর মা ফাতেমা ক্লিনিকে ভর্তি করানো হয়। ওই দিন বিকেলেই ডা. সুলতানা নাজনীন রিতা সিজারিয়ানের মাধ্যমে সন্তান প্রসব করান।

তবে পেটের মধ্যে তিনটি গজ-ব্যান্ডেজ রেখেই সেলাই করে দেন ওই চিকিৎসক।

ভুক্তভোগী আলাপী বেগমের স্বামী আলী আজম জানান, ‘সিজিরিয়ানের পর থেকেই আমার স্ত্রীর পেটে ব্যাথা শুরু হয়। এরপর গত ২০ জানুয়ারি আমার স্ত্রীর পেটে তীব্র ব্যাথা করা শুরু হলে ফের মা ফাতেমা ক্লিনিকে নিয়ে গিয়ে ডা. সুলতানা নাজনীন রিতাকে দেখানো হয়। তিনি সে সময় ব্যাথার ওষুধ দিয়ে বিদায় করে দেন। এরপরও আমার স্ত্রীর পেটের ব্যাথা না কমলে শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) নগরীর মাদারল্যান্ড ক্লিনিকে তাকে নিয়ে গিয়ে অন্য চিকিৎসককে দেখাই। সেই চিকিৎসক তার আল্ট্রাসনোগ্রাফি করান। এতে তার পেটে তিনটি গজ আছে বলে ধরা পড়ে। ওইদিন রাতেই মাদারল্যান্ড ক্লিনিকে দ্বিতীয় বার অপারেশন করে গজ-ব্যান্ডেজ বের করা হয়।’

এমন অভিযোগের ভিত্তিতে মা ফাতেমা ক্লিনিকের চিকিৎসক সুলতানা নাজনীন রিতার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তার চিকিৎসক সুলতানা নাজনীন রিতার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: