শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ভাষা বাংলা  » «   ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে সাব-রেজিস্ট্রার আটক  » «   আর কোনো হায়েনার দল বাংলার বুকে চেপে বসতে পারবে না  » «   সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   ফের জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি সালমা ইসলাম এমপি  » «   বিয়ানীবাজারে ৯৯০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আয়কর দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  » «   এবার শ্রীমঙ্গলে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন  » «   বেলজিয়ামে মসজিদে তালা দেওয়ায় বাংলাদেশিদের প্রতিবাদ  » «   পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন উদ্বোধন  » «   ভারতের অর্থনীতির দুরবস্থা, জিডিপি কমে সাড়ে ৪ শতাংশ  » «   পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা  » «   লন্ডন ব্রিজে আবারও সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ২  » «   চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে  » «   রক্তে ভাসছে ইরাক, নিহত ৮২  » «  

সিইসি সহ সকল নির্বাচন কমিশনারদের পদত্যাগ চায় টিআইবি



নিউজ ডেস্ক:: বক্তৃতা না দিয়ে অর্থ নেয়া, জাতীয় সংসদ ও উপজেলা নির্বাচনের প্রশিক্ষণের নামে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুলসহ সংশ্লিষ্ট কমিশনারদের পদত্যাগ দাবি করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ও মর্যাদা পুনরুদ্ধারের স্বার্থে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি করে দুর্নীতি বিরোধী এই সংগঠনটি মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেয়।

এতে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের পদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ কর্তৃক এ ধরনের কার্যক্রম সম্পূর্ণ অনৈতিক ও অনভিপ্রেত। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ না করেই সম্পৃক্ততার নামে জনগণের করের অর্থের অপচয় একদিকে আইনের গুরুতর লঙ্ঘণ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও সুস্পষ্ট দুর্নীতি।’

তিনি বলেন, ‘যোগসাজসের মাধ্যমে অনৈতিক সুবিধা অর্জনের বিস্ময়কর নজির যা এ পর্যায়ের সাংবিধানিক পদাধিকারী ও অন্যান্য পদস্থ কর্মকর্তার নিকট কোনভাবেই কাম্য নয়। এ অনৈতিক ঘটনা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের ‘বালিশ দুর্নীতি’কেও ম্লান করে দিয়েছে।’

নির্বাচন কমিশনের মত রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের পদস্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ পুরো কমিশনকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটির সাংবিধানিক মর্যাদা পুনরুদ্ধারের স্বার্থে গুরুতর অনিয়ম ও নৈতিক স্খলনের জন্য সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল হিসেবে দায় গ্রহণ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য কমিশনারগণের অনতিবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত সকল অভিযোগের যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে অনিয়ম ও দুর্নীতির জন্য জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।’

সিইসি ও কমিশনারদের পদত্যাগ দাবি করে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক আরও বলেন, ‘সাম্প্রতিক বিভিন্ন নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন যেখানে জনপ্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে, এমন সময়ে কমিশনের কর্তাব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলনজনিত এ ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পুরো কমিশনের জন্য আস্থার সংকট আরো ঘনীভূত করল। এ পর্যায়ে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থেই সিইসি এবং কমিশনারদের অনতিবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে এবং তদন্তের মাধ্যমে জড়িত প্রত্যেককেই জবাবদিহিতার আওতায় এনে প্রতিষ্ঠানটির সাংবিধানিক মর্যাদা ও সুনাম পুনরুদ্ধারে সচেষ্ট হতে হবে। ’

এর আগে গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় তাদের অনিয়মের সংবাদ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও কমিশনারদের মতো সাংবিধানিক পদের পদাধিকারীদের বিরুদ্ধে বক্তৃতা না দিয়ে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তাদের সঙ্গে আছেন ইসির সচিবসহ পদস্থ কর্মকর্তারা। আর এই অর্থের পরিমাণ একেবারে কম নয়, দুই কোটি টাকার বেশি।

বিগত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও এরপরে উপজেলা নির্বাচনে প্রশিক্ষণ উপলক্ষে শুধু ‘বিশেষ বক্তা’ হিসেবে বক্তৃতা দিয়ে তারা এই অর্থ নিয়েছেন। আর এর বাইরে ‘কোর্স উপদেষ্টা’ হিসেবে নির্বাচন কমিশনের তৎকালীন সচিব (বর্তমানে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব) একাই নিয়েছেন ৪৭ লাখ টাকা। তিনি ‘বিশেষ বক্তা’ হিসেবেও টাকা নিয়েছেন। তবে তা কত জানা যায়নি।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্র জানায়, ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে শুধু প্রশিক্ষণের জন্য নির্বাচন কমিশন ৬১ কোটি ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছিল। আর উপজেলা নির্বাচনে প্রশিক্ষণের জন্য বরাদ্দ ছিল ৬১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: