সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
খালেদাকে যথাযথ চিকিৎসা দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ  » «   খালেদা জিয়া নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন: মির্জা ফখরুল  » «   সিরিয়ায় তুর্কিপন্থী বিদ্রোহীদের সংঘর্ষে নিহত ২৫  » «   ফাঁস হলো খাশোগির লাশ টুকরো করার ছবি!  » «   ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য অশনি সংকেত: রিজভী  » «   সংসদ নির্বাচন: তথ্য সংগ্রহে পুলিশ ও ইসির লুকোচুরি  » «   কামাল আউট, তারেক ইন!  » «   তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সে বিক্ষোভ: নিহত ১, আহত ৪০৯  » «   দ্বিতীয় দিনের সাক্ষাৎকার চলছে: ভিডিও কনফারেন্সে আছেন তারেক রহমান  » «   নির্বাচনে রোহিঙ্গাদের সম্পৃক্ততা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ইসির নির্দেশনা  » «   চিকিৎসা বিষয়ে খালেদার রিটের আদেশ আজ  » «   তারেক রহমান মনোনয়ন প্রত্যাশীদের কাছে যা জানতে চাচ্ছেন  » «   চ্যারিটেবল মামলায় দণ্ডের বিরুদ্ধে খালেদার আপিল  » «   সিরিয়ায় মার্কিন বিমান হামলা; শিশু ও নারীসহ নিহত ৪৩  » «   থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞা  » «  

সাইকোলজিস্ট আর সাইকিয়াট্রিস্টের পার্থক্য কী?



লাইফ স্টাইল ডেস্ক:: মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আমাদের দেশে এখনো বেশিরভাগ মানুষ সচেতন নয়।কোনো সমস্যায় মানসিক রোগের চিকিৎসকের কাছে যেতে এখনো দ্বিধা ও সংকোচে ভোগেন তারা।এমনকি অনেকেরই ধারণা, সাইকোলজিস্ট ও সাইকিয়াট্রিস্ট দুটো একই পেশা।আসলে কিন্তু তা নয়! যখন আপনার সাইকোলজিস্ট দরকার, তখন সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে গেলে বিশেষ উপকার পাবেন না।দেখে নিন সাইকোলজিস্ট ও সাইকিয়াট্রিস্টের মাঝে কী কী পার্থক্য রয়েছে-

 আলাদা ডিগ্রীঃ সাইকিয়াট্রিস্ট হতে হলে অন্যান্য ডাক্তারদের মতোই মেডিকেল কলেজ পাশ করে আসতে হয়। এ কারণে সব সাইকিয়াট্রিস্টই রোগীকে ওষুধ লিখে দিতে পারেন। মানসিক সমস্যার তীব্রতা বেশি হলে ওষুধ লাগতে পারে, তাই সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে যাওয়াই ভালো। বাইপোলার ডিজঅর্ডার, সিজোফ্রেনিয়া ও ডিপ্রেসিভ ডিজঅর্ডারের ক্ষেত্রে সাইকিয়াট্রিস্ট দেখানো ও ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন হয়। মাদকাসক্তি নিরাময়ের জন্যেও সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে যাওয়া যায়।

অন্যদিকে, সাইকোলজিস্ট হতে হবে ফিলোসফি বা সাইকোলজিতে পিএইচডি করতে হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তিনিও ওষুধের পরামর্শ দিতে পারেন।

শারীরিক ও মানসিকঃ সাইকিয়াট্রিস্টরা মূলত মানসিক সমস্যার শারীরিক দিকটা নিয়ে কাজ করেন। মস্তিষ্কের যেসব সমস্যার কারণে মানসিক সমস্যা দেখা দেয়, সেগুলো নিরাময়ের বিষয়ে জ্বর দেন তারা। অন্যদিকে সাইকোলজিস্টরা আপনার চিন্তাভাবনা ও অনুভূতির পরিবর্তন আনার মাধ্যমে মানসিক সমস্যার সুরাহা করেন। এর জন্য তারা থেরাপি দিয়ে থাকেন।

আলাদা চিকিৎসা পদ্ধতিঃ সাইকোলজিস্ট ও সাইকিয়াট্রিস্ট দুজনেই মানসিক সমস্যা শনাক্ত ও নিরাময় করেন। সাইকিয়াট্রিস্ট অনেক সময়ে শুরু করেন ওষুধ দিয়ে। অন্যদিকে সাইকোলজিস্ট কথা বলা ও থেরাপি দিয়ে কাজ শুরু করেন। অনেক সময়ে একজন রোগীর সমস্যা নিরাময়ে সাইকোলজিস্ট ও সাইকিয়াট্রিস্ট দুজনেরই সাহায্য প্রয়োজন হতে পারে।

আপনি কার কাছে যাবেন?
রোগীর মানসিক সমস্যার উপসর্গ যদি হয় আত্মহত্যার চিন্তা, মাদকাসক্তি বা জীবনধারণে সমস্যা তৈরি করে এমন সব আচরণ, তাহলে তার সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে যাওয়া উচিত। সাইকিয়াট্রিস্ট তাকে ওষুধ দিতে পারেন। অন্যদিকে মানসিক অবস্থা, চিন্তাধারায় পরিবর্তনের জন্য তাকে সাইকোলজিস্টের কাছেও যেতে হতে পারে।

রোগী দেখার ধরণঃ ডাক্তাররা যেমন সিরিয়াল নিয়ে রোগী দেখেন, একেক রোগীর পেছনে ১০ মিনিট থেকে সর্বোচ্চ আধা ঘণ্টা সময় ব্যয় করেন, তেমনিভাবেই রোগী দেখেন সাইকিয়াট্রিস্টরা। মূলত এ সমস্যা রোগীর সমস্যা সমাধানে ওষুধ দেওয়া হয় এবং এক মাস পর পর রোগীকে দেখা করতে বলা হয়।

অন্যদিকে সাইকোলজিস্টরা অন্তত ৪৫ মিনিট ব্যয় করেন একেক রোগীর জন্য, তারা সপ্তাহে অন্তত এক বা দুইবার দেখা করতে বলেন। রোগীকে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে ৬ থেকে ১২ বার দেখা করতে বলা হয়ে থাকে।

আপনি যদি বুঝতে না পারেন আপনার কার কাছে যাওয়া উচিত, সাইকোলজিস্ট নাকি সাইকিয়াট্রিস্ট- তাহলে প্রথমে নিজের সাধারণ ডাক্তারের সাথে কথা বলুন। তিনিই আপনাকে বলবেন কোন ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।

সূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: