শনিবার, ২৪ অগাস্ট ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
তিন সিটিতে বিএনপির মেয়র প্রার্থী যারা  » «   ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি: চিদম্বরমের সময় অমিত, অমিতের সময় চিদম্বরম গ্রেপ্তার  » «   অক্টোবর থেকে মোবাইল অ্যাপে মিলবে বিমানের টিকিট  » «   আগামীকাল জুমার নামাজের পর গণবিক্ষোভের ডাক কাশ্মীরিদের  » «   হবিগঞ্জে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে নবজাতক চুরি, নারী আটক  » «   কলকাতায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২ বাংলাদেশির মৃত্যু, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ  » «   ভীতি কাটাতে চা বিস্কুট খেতে খেতে ভাইভা দেবেন বিসিএস পরীক্ষার্থীরা  » «   তৃতীয় ড্রিমলাইনার ‘গাঙচিল’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী  » «   রাস্তার পাশে চা বানাচ্ছেন মমতা! ভিডিও ভাইরাল  » «   ঋণের টাকায় ভারত থেকে অস্ত্র কিনবে বাংলাদেশ  » «   কানাইঘাটে মৃত্যুর পাঁচ মাস পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন  » «   কাশ্মীরে ফের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন, গুলি চালিয়েছে পাকিস্তান  » «   রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হতে পারে আজ  » «   পুলিশের ছেলে বিশ্বের এক নম্বর ডন  » «   জাহালম কাণ্ড: ১১ তদন্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা  » «  

সল্টগোলা-বিমান বন্দর সড়কে যুক্ত হবে আলাদা লেন



নিজস্ব প্রতিবেদক::চট্টগ্রাম নগরীর সল্টগোলা ক্রসিং থেকে শাহ আমানত বিমান বন্দর পর্যন্ত একই রাস্তা দুই লেনের সাথে বিমান যাত্রীদের জন্য আদালা আরেকটি লেন যুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার(সিএমপি) ইকবাল বাহার।

শনিবার(২২ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষ্যে পরিবহন মালিক শ্রমিকদের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিএমপি কমিশনার ইকবাল বাহার বলেন,বাংলাদেশে ৪০ লাখ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন আছে যার মধ্যে লাইসেন্স নাই সাড়ে ১৪ লাখ যানবাহনের। চট্টগ্রামে বিগত কয়েব বছরে কয়েকগুন যানবাহন বেড়েছে কিন্ত রাস্তানো বাড়েনি।

বহদ্দারহাট ও কদমতলী দুটি টার্মিনাল দিয়ে চট্টগ্রামের জানবাহনকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নই বলে তিনি জানান নগরীতে আরো টার্মিনালের প্রয়োজন আছে।

সকল মানুষ নগরে বসবাস করার উপযোগী নয়। নগরে বসবাস করতে হলে এলিঠ শেণীর লোকের দরকার যারা আইন মেনে চলবে।

পরিবহন মালিক শ্রমিকদের উদ্দেশ্য করে সিএমপি কমিশনার বলেন,সংগঠন কেন দেওয়া হয়! মানার জন্য। যারা শ্রমিকদের কল্যানে কাজ করে তারা কেউ শ্রমিক নয় । শ্রমিকদের মধ্য থেকে নেতৃত্ব দিতে হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন,সারা বিশ্বে সড়ক বিভাগের কাজে দায়িত্ব থাকে পুলিশের কাছে কিন্তু বাংলাদেশে তার দায়িত্ব থাকে সিটি কর্পোরেশনে।

আইন প্রয়োগের বিষয় নয়! মানার বিষয়।আগে পরিকল্পনা,বাস্তবায়ন,সড়ক ব্যবহান তার পরে আসে আইন প্রয়োগের কথা। বাংলাদেশে আইনে প্রয়োগ যতেষ্ট কিন্ত মানার লোখের অভাব বলে উল্লেখ করেন তিনি। সবাই সচেতন হলে সড়ক হবে নিরাপদ।

তিনি বলেন,বাংলাদেশে সড়ক তৈরী করতে সবচে বেশী টাকা খরচ হয় প্রতি কিলোমিটারে ৫২ কোটি টাকা যা অন্যান্য দেশে হয়না।

তিনি আরো বলেন,সল্টগোলা থেকে শাহ আমানত বিমান বন্দর সড়ক পর্যন্ত রাস্তাটি বিমানের যাত্রীদের জন্য দুই লাইনের সাথে আরেকটি লাইন সংযুক্ত করা হবে যাতে তারা সঠিক সময়ে বিমান বন্দর পৌঁছতে পারে। যা কয়েকদিনের মধ্যে কাজ শুরু করা হবে বলে জানান ইকবল বাহার।

নিরাপদ সড়ক চাই(নিসকা) সভাপতি এস এম আবু তৈয়বের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শিপ হ্যান্ডালিং বার্থ অপারেটরস্ এসোসিয়েশনের ভাইস চেয়ারম্যান এ কে এম শামসুজ্জামান (রাসেল),চট্টগ্রাম মহানগর পরিবহন মালিক গ্রুপের কার্যকরী সভাপতি ইকবাল মো.মনসুরুল কবির(নিপু),বাংলাদেশ জাতীয় সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের পূর্বাঞ্চলীয় সভাপতি ছিদ্দিকুর ইসলাম,চট্টগ্রাম প্রাইম মুভার ট্রেইলার শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হুমাইয়ুন কবির।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: