বুধবার, ১৭ জানুয়ারী ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পাবনায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ে কমিউনিটি ক্লিনিক-এ কমর্রত কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডারদের অবস্থান কর্মসূচী পালন  » «   আল-আকসা সংস্কারে ইসরাইলের নিষেধাজ্ঞা!  » «   ঢাবি অধিভুক্ত ৭ কলেজের মানববন্ধন ১৮ জানুয়ারি  » «   এক সপ্তাহেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ পরীক্ষার্থী বাপ্পীর  » «   উজানের দেশ সমূহ হতে বাংলাদেশে মোট ৫৭ টি নদী প্রবাহিত  » «   নরসিংদীতে অটোরিকশা চালকের লাশ উদ্ধার  » «   এ দেশে কোনো দস্যুতা চলবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   স্কুল ছাত্রকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠালো শিক্ষক  » «   হবিগঞ্জের স্কুল পরিদর্শনে কোরিয়ার প্রতিনিধি দল  » «   সড়কে পড়ে গিয়ে যা বললেন আইভী!  » «   বেসরকারি হাসপাতালে চলছে নৈরাজ্য!  » «   নীলফামারীতে নকল সার উদ্ধার, ২০ হাজার টাকা জরিমানা  » «   সিলেটে বোলারদের দাপট  » «   ৩ লাখ ৫৯ হাজার ২৬১ সরকারি পদ শূন্য  » «   ডাকসু নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টের রায় বুধবার  » «  

সরকার মানুষ মেরে বিদ্যুৎ কেন্দ্র করতে চায় না



Banshkhali-in-Chittagong-120160415184851নিউজ ডেস্ক: বাঁশখালীতে গুলি করে মানুষ মেরে সরকার বিদ্যুৎ কেন্দ্র করতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন।

শুক্রবার গণ্ডামারায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় নিহত চারজনের পরিবারকে ১৫ লাখ টাকা করে মোট ৬০ লাখ টাকা অনুদানের চেক হস্তান্তর কালে তিনি এ মন্তব্য করেন। গুরুতর আহত ১১ জনের পরিবারকে দেওয়া হয় ১ লাখ টাকা করে।

বিকেলে জেলা প্রশাসক নিহতদের বাড়ি যান। এ সময় জেলা পুলিশ সুপার হাফিজ আকতার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান, এস আলম গ্রুপের পরিচালক শহীদুল আলম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ওসি স্বপন কুমার মমজুমদার, স্থানীয় চেয়ারম্যান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। তারা নিহতদের কবর জেয়ারত করেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, গণ্ডামারাবাসীকে সন্তুষ্ট করে পরিবেশের ক্ষতি না করেই বিদ্যুৎ কেন্দ্র করবে। আধুনিক প্রযুক্তির কারণে কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আগের মতো ধোঁয়া বের হয় না।
বাঁশখালী উপজেলার গণ্ডামারা এস আলম গ্রুপের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহতদের পরিবারকে ১৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণসহ ৯ দফা দাবি দেয় গণ্ডামারা ইউনিয়ন বাঁচাও আন্দোলন।

বুধবার বিকেলে গণ্ডামারা হাদির পাড়া সাইক্লোন সেন্টার মাঠে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন বাঁশখালীর সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী।

এসব দাবি পূরণের পর বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে জনগণ যদি মনে করে এর মাধ্যমে এলাকার উন্নয়ন হবে তবে এটি নির্মাণে বাধা দেওয়া হবে না বলেও ঘোষণা দেন তিনি।

এদিকে, চট্টগ্রাম জেলায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন বিষয়ে শনিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেল তিনটায় জেলা প্রশাসক চট্টগ্রামের সম্মেলন কক্ষে এবং রোববার (১৭ এপ্রিল) সকাল ১১টায় বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে।

পিআ‌ইডি চট্টগ্রাম কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) ড. আহমেদ কায়কাউস এবং মহাপরিচালক পাওয়ার সেল মোহাম্মদ হোসাইন সভা দুটিতে অংশ নেবেন।

এছাড়া জেলা ও উপজেলা বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারাও সভায় উপস্থিত থাকবেন।

একই পরিবারের নিহত তিনজন হলেন গণ্ডামারা ইউনিয়নের চরপাড়ার আশরাফ আলী বাড়ির মরতুজা আলী (৩৫) ও মো. আনোয়ারুল ইসলাম (৪৪), তাদের বোনের স্বামী জাকের হোসেন (৩০)। জাকেরকে সোমবার রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এরা তিনজনই লবণের মাঠে কাজ করতেন। মরতুজার চার মেয়ে, দুই ছেলে, আনোয়ারের তিন মেয়ে, এক ছেলে এবং জাকেরের চার ছেলে রয়েছে। নিহত অপরজন হলেন একই ইউনিয়নের রহমানিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা এলাকার বাসিন্দা জাকের আহমদ।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: