বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বরখাস্তকৃত ন্যানগ্যাগওয়াই হচ্ছেন জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট  » «   খালেদার গাড়িবহরে হামলা সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের পরিকল্পনার অংশ  » «   এক মোটরসাইকেলেই বিশ্ব রেকর্ড  » «   কাঁদলেন ঐশ্বরিয়া, ১শ শিশুর ঠোঁটের অস্ত্রোপচারে খরচ দিবেন  » «   কাল থেকে পুনরায় চালু হচ্ছে চুয়েট বাস  » «   বলি একটা লেখেন আরেকটা: সাংবাদিকদের রোনালদো  » «   এসএসসি পরীক্ষা শুরু ১ ফেব্রুয়ারি  » «   মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে হবে ছাত্রলীগের স্কুল কমিটি  » «   এগিয়ে থাকুন সৃজনশীলতায়  » «   সংসদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ১ বছরে সাড়ে ৩ কোটি ইয়াবা জব্দ  » «   শ্রীমঙ্গলে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন  » «   দখলমুক্ত হচ্ছে খাল ও নদী  » «   কুমিল্লায় হানিফ‘আ’লীগকে হুংকার দিয়ে লাভ নেই’  » «   কমলগঞ্জে প্রতিহিংসায় বিনষ্ট কৃষকের শিম বাগান  » «   অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ সহ নানা অভিযোগ  » «  

সরকার ছোট মনের পরিচয় দিয়েছে: খালেদা জিয়া



নিউজ ডেস্ক::বিএনপির জনসভায় নেতাকর্মীদের আসতে বাঁধা দেয়ার প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, সরকার নেতাকর্মীদের সমাবেশ আসতে বাঁধা দিয়ে ছোট মনের পরিচয় দিয়েছে।

রবিবার (১২ নভেম্বর) বিকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খালেদা জিয়া এ কথা বলেন। বিকেল ৪টা ১০মিনিটে বক্তব্য শুরু করে তিনি।

তিনি বলেন, জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে। আগামী নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করতে হবে। এটা দেশের সকল শ্রেণীর মানুষের দাবি।

খালেদা জিয়া বলেন, আমিও যাতে আপনাদের সামনে পৌঁছাতে না পারি, আমার বাড়ির সামনে থেকে গুলশান পর্যন্ত বাস দিয়ে রাস্তা আটকে দেওয়া হয়েছে। বাসের ড্রাইভার নেই। এরা যে এতো ছোট মনের, সেটা আজকে প্রমাণ করে দিলো। এতো ছোট মন নিয়ে রাজনীতি করা যায় না। এরা মানুষকে ভয় পায়। এ জন্য ৭ নভেম্বর আমাদের জনসভা করতে দেয়নি। আজকে অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু জনগণ যেন আসতে না পারে সেই ব্যবস্থা করেছে। গণপরিবহন বন্ধ করে দিয়েছে। এমনকি আমিও যেন সমাবেশে আসতে না পারি সেই ব্যবস্থাও করেছে। গুলশানে দেখলাম খালি বাস দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

খালেদা বলেন, হাসিনার অধীনে কোনো নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে না। সামান্য স্থানীয় নির্বাচনে তারা চুরি করে জিততে চায়, তাদের অধীনে কোনো নির্বাচন হতে পারে না।

আওয়ামী লীগ ১০ টাকা কেজিতে চাল খাওয়াতে চেয়েছিল উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, ১০টাকার চাল কেন ৭০ টাকায়? সবজির দাম ৭০টাকা কেজির কমে পাওয়া যাচ্ছে না।
খালেদা বলেন, কেন বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের দাম বাড়ানো হচ্ছে প্রতিনিয়ত। গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ট্রান্সপোর্ট খরচসহ সব কিছুর দাম বেড়ে যায়। একজন রিকশা চালকও বেশি ভাড়া চায়।

বিএনপি চেয়ারপাসন বলেন, সারের দাম বেড়েছে। কৃষককে মরার দশা করেছে। সরকার কৃষককে মারার ব্যবস্থা করেছে, সাধারণ মানুষকে মারার ব্যবস্থা করেছে। শ্রমিকদের উপরও নানা রকম অত্যাচার। তাদের মজুরি বৃদ্ধি পায় না।

সামনে উপস্থিত যুবকদের উদ্দেশ্য করে খালেদা জিয়া বলেন, এই ছেলেরা- তারা (সরকার) বলেছিল ঘরে ঘরে চাকরি দেবে। তোমরা কি চাকরি পেয়েছো? ঘরে ঘরে চাকরি না দিয়ে তারা ঘরে ঘরে বেকার সৃষ্টি করেছে।

‘সরকার উন্নয়নের কথা বলে। উন্নয়নের নামে চলছে লুটপাট। রাস্তা-ব্রিজ তৈরিতে ইউরোপ-আমেরিকার তুলনায় খরচ তিন-চারগুণ বেশি’।

বিএনপি প্রধান আরও বলেন, বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে, তারপরও বিদ্যুৎ পায় না। এমনকি গুলশানের মতো জায়গাতেও বিদ্যুৎ যায়-আসে। কুইক রেন্টালকে দায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে। যারা কাজ বুঝে তারা করতে রাজি হয়নি। তাদের বলেছে তোমাদের ভয় নাই, তোমাদের দায় মুক্তি দেবো। সব জিনিস এসেছে পুরনো, বিদেশ থেকে। চলে, বন্ধ হয়।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের গায়ে হাত দেয়। নির্যাতন করে। নারী নির্যাতন আওয়ামী লীগের আমলে বেড়েছে।

খালেদা বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রে মতপার্থক্য থাকবে, কিন্তু দেশের স্বার্থে এক হতে হবে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: