মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লিপস্টিক যখন মাজাদার খাবার!  » «   কিশোরী ধর্ষণের প্রমান মেলায় ২ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র  » «   শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ শিক্ষা দিতে হবে- রেজাউল রহিম লাল  » «   মাশরাফির রংপুরের কাছে নাসিরের সিলেটের পরাজয়!  » «   যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় নারীর মৃত্যু  » «   সালমানের স্ত্রী-সন্তান থাকে বিদেশে!  » «   পুলিশ পেটালো ছাত্রলীগ!  » «   চুয়াডাঙ্গায় সাপের কামড়ে একজনের মৃত্যু  » «   বিপিএল পয়েন্ট টেবিলে কে কোথায় দাঁড়িয়ে  » «   আম্পায়ারের সঙ্গে সাকিবের এ কেমন আচরণ!  » «   সংসদে বাদলকে তুলোধুনো করলেন নৌমন্ত্রী  » «   ৭ মার্চ কেন জাতীয় দিবস নয় : হাইকোর্ট  » «   আজ সুফিয়া কামালের জন্মদিন  » «   অভিবাসীবিরোধী নন ট্রাম্প  » «   আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন করবেন শাহরুখ  » «  

সরকারের চোখে কাঠের চশমা!



বর্তমান বাংলাদেশে দ্রব্যমূল্যে বেড়েই চলছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কোনদিন এভাবে বাজার পরিচালিত হয়নি। আমার মনে হয় বাংলাদেশে কোন সরকার নেই। থাকলেও ব্যবসায়ীর কাছে জিম্মি। না হয় সরকারের লোকজন বাজারে সিন্ডিকেট চালাচ্ছে। দেশের রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট ও তথ্য প্রযুক্তিতে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বর্তমান সরকার।

তবে সরকারের উন্নয়ন ম্লান হয়ে যাচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে না থাকার কারণে। প্রতিটি সেক্টরে একজন করে মন্ত্রী আছেন। তাদের কাজ হলো সেই সেক্টরের তদারকি করা এবং সকল সমস্যার সমাধন করা যদি সেটা সঠিকভাবে করা হয় তাহলে কি করে এভাবে হু হু করে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেল। যার কারণে সবদিকে উন্নয়ন করা সরকার আজ সমলোচনার মুখে পড়েছে। যদি এভাবে চলতে থাকে আর কোন প্রকার সমস্যা সমাধান করা না হয় তাহলে আগামী নির্বাচনে কাঁদতে হবে। শুধু দায়সারা বিবৃতি দিয়ে গুলশানের জাকজমকপূর্ণ বাসভবনে এসির মধ্যে আনন্দ বিলাসে মধ্যে মেতে থাকলেই হবে না।

খাদ্যমন্ত্রীর কাছে বর্তমান বাজারের খবর আছে কি? ১ কেজি পেঁয়াজের দাম ৭৫ টাকা, ১ কেজি মোটা চালের দাম ৫৪ টাকা, ১ কেজি সিম ১৫০ হতে ১৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ১৫০ হতে ১৮০ পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। ৫০-৬০ টাকার নিচে কোন তরকারি নেই। এর প্রধান কারণ বাজার তদারকি না করা। একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে যদি একজন ব্যক্তি আয় করেন। তা দিয়ে পরিবারের ৬-৭ জন মানুষের খাবার যোগাড় হয়। তবে যে হারে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে সে হারে তার আয় বাড়ছে না। ফলে বেকায়দায় পরছেন অনেকে।আর নিম্ন আয়ের মানুষ তো দিশেহারা হয়েছেন কি হবে তাদের ভবিষ্যৎ? বাজারের কোন পণ্য স্থিতিশীলতা নেই কেন? মিয়ানমার থেকে ৬ লাখ রোহিঙ্গা যখন বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। সেটি সামলাতে সরকার যখন ব্যস্ত তখনই একটি মহল মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে চালের বাজার অস্থির করছে এমনটাই বলেছেন মন্ত্রী।

যদি এটাই হয় তাহলে তারা কারা? তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেয়া হোক। চালের গুদামে অভিযানের পর চালের দাম আরো বেড়ে যায়। ব্যসায়ীদের এই সাহস কি করে হয়? দেশে আইন আছে। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়ে দেশের বাজার ব্যবস্থা একটি সহনশীল পর্যায়ে নিয়ে আসুন। দয়া করে সাধারণ মানুষকে আর ভোগাবেন না। সরকারের উচিত দেশের সব বিষয়ে আরও বেশি নজরদারি করা। সরকার তার আমলাদের কথায় চোখে কাঠের চশমা পড়ে থাকলে হবে না। চোখ কান খোলা রেখে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।

লেখক: এম এম আশরাফুল আলম।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: