বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বিএনপি নেতাদের ওপর ক্ষুব্ধ তারেক রহমান!  » «   পায়রা বন্দরের নিরাপত্তায় পুলিশের বিশেষ আয়োজন  » «   সরকারের চাপের মুখে দেশত্যাগ করতে হয়েছে: এসকে সিনহা  » «   পুতিন আমাকে হত্যার চেষ্টা করেছে : রাশিয়ান মডেল  » «   বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ: ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত  » «   ফের গ্রেপ্তার নাজিব রাজাক; দায়ের হবে ২১ মামলা  » «   প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ আবেদনেই প্রতিষ্ঠানের ৪০ কোটিরও বেশি আয় !  » «   ইউএনওদের জন্য উচ্চমূল্যে ১০০ জিপ গাড়ি, আপত্তি অর্থ মন্ত্রণালয়ের  » «   ডিজিটাল হলো জাতীয় পরিচয়পত্রের সেবা ব্যবস্থাপনা  » «   লন্ডনে মুসলিমদের ওপর গাড়ি হামলা, আহত ৩  » «   সরকারি চাকরিজীবীদের ৫% সুদে গৃহঋণের আবেদন অক্টোবরে  » «   ভারতে তিন তালাককে শাস্তিযোগ্য অপরাধ ঘোষণা  » «   স্কুলছাত্রীকে পিটিয়ে অজ্ঞান করলেন শিক্ষক  » «   বোমা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, আর ইয়েমেনে সেই বোমা ফেলছে সৌদি  » «   রাখঢাক রাখছেন না পর্নো তারকা ডানিয়েল স্টর্মি  » «  

সরকারের চোখে কাঠের চশমা!



বর্তমান বাংলাদেশে দ্রব্যমূল্যে বেড়েই চলছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কোনদিন এভাবে বাজার পরিচালিত হয়নি। আমার মনে হয় বাংলাদেশে কোন সরকার নেই। থাকলেও ব্যবসায়ীর কাছে জিম্মি। না হয় সরকারের লোকজন বাজারে সিন্ডিকেট চালাচ্ছে। দেশের রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট ও তথ্য প্রযুক্তিতে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বর্তমান সরকার।

তবে সরকারের উন্নয়ন ম্লান হয়ে যাচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে না থাকার কারণে। প্রতিটি সেক্টরে একজন করে মন্ত্রী আছেন। তাদের কাজ হলো সেই সেক্টরের তদারকি করা এবং সকল সমস্যার সমাধন করা যদি সেটা সঠিকভাবে করা হয় তাহলে কি করে এভাবে হু হু করে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেল। যার কারণে সবদিকে উন্নয়ন করা সরকার আজ সমলোচনার মুখে পড়েছে। যদি এভাবে চলতে থাকে আর কোন প্রকার সমস্যা সমাধান করা না হয় তাহলে আগামী নির্বাচনে কাঁদতে হবে। শুধু দায়সারা বিবৃতি দিয়ে গুলশানের জাকজমকপূর্ণ বাসভবনে এসির মধ্যে আনন্দ বিলাসে মধ্যে মেতে থাকলেই হবে না।

খাদ্যমন্ত্রীর কাছে বর্তমান বাজারের খবর আছে কি? ১ কেজি পেঁয়াজের দাম ৭৫ টাকা, ১ কেজি মোটা চালের দাম ৫৪ টাকা, ১ কেজি সিম ১৫০ হতে ১৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ১৫০ হতে ১৮০ পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। ৫০-৬০ টাকার নিচে কোন তরকারি নেই। এর প্রধান কারণ বাজার তদারকি না করা। একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে যদি একজন ব্যক্তি আয় করেন। তা দিয়ে পরিবারের ৬-৭ জন মানুষের খাবার যোগাড় হয়। তবে যে হারে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে সে হারে তার আয় বাড়ছে না। ফলে বেকায়দায় পরছেন অনেকে।আর নিম্ন আয়ের মানুষ তো দিশেহারা হয়েছেন কি হবে তাদের ভবিষ্যৎ? বাজারের কোন পণ্য স্থিতিশীলতা নেই কেন? মিয়ানমার থেকে ৬ লাখ রোহিঙ্গা যখন বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। সেটি সামলাতে সরকার যখন ব্যস্ত তখনই একটি মহল মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে চালের বাজার অস্থির করছে এমনটাই বলেছেন মন্ত্রী।

যদি এটাই হয় তাহলে তারা কারা? তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেয়া হোক। চালের গুদামে অভিযানের পর চালের দাম আরো বেড়ে যায়। ব্যসায়ীদের এই সাহস কি করে হয়? দেশে আইন আছে। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়ে দেশের বাজার ব্যবস্থা একটি সহনশীল পর্যায়ে নিয়ে আসুন। দয়া করে সাধারণ মানুষকে আর ভোগাবেন না। সরকারের উচিত দেশের সব বিষয়ে আরও বেশি নজরদারি করা। সরকার তার আমলাদের কথায় চোখে কাঠের চশমা পড়ে থাকলে হবে না। চোখ কান খোলা রেখে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।

লেখক: এম এম আশরাফুল আলম।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: