শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১৪ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
Sex Cams
সর্বশেষ সংবাদ
সিলেটে ডাক্তারদের প্রাইভেট চেম্বার বন্ধ, ফার্মেসিতেই চিকিৎসা  » «   ৯ এপ্রিল পবিত্র শবে বরাত  » «   এবার স্পেনও ছাড়ালো চীনকে, ২৪ ঘণ্টায় ৭৩৮ মৃত্যু  » «   সিলেট বিভাগে বৃহস্পতিবার থেকে গণপরিবহন বন্ধ  » «   করোনা মোকাবিলায় দেশে দেশে লকডাউন  » «   খালেদা জিয়ার মুক্তি, করোনা বদলে দিচ্ছে রাজনীতি  » «   খালেদার মুক্তির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাল যুক্তরাষ্ট্র  » «   খালেদা জিয়ার মুক্তিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক দেখছেন ড. কামাল  » «   করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে গ্রিসে লকডাউন  » «   বান্দরবানের ৩ উপজেলা লকডাউন  » «   ইতালিতে একদিনে ৭৪৩ জনের মৃত্যু  » «   ফ্রান্সে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮৬ মৃত্যু  » «   নিউইয়র্কে করোনায় আক্রান্ত ২০ হাজার ছাড়াল  » «   সাধারণ ছুটিতে চালু থাকবে ব্যাংক  » «   করোনাভাইরাস: উৎকণ্ঠিত সিলেট, উদ্বিগ্ন মানুষ  » «  

সরকারি চাকরিজীবীদের বড় সুখবর দিল সরকার



সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর দিয়েছে সরকার। সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশন আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়ে পেনশন সহজীকরণ আদেশ ২০২০ জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মোহাম্মদ আলী খান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ছুটি নগদায়ন মঞ্জুরির আদেশ বিল দাখিলের তিন কর্মদিবসের মধ্যে পেনশনভোগীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে চলে যাবে পেনশনের অর্থ। একইসঙ্গে মাসিক সুবিধার টাকা ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের (ইএফটি) মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ব্যাংক হিসাবে পাঠিয়ে দেয়া হবে। শুধু পেনশনের বিষয়টি দেখার জন্য প্রত্যেক মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভাগে একজন কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হবে।

আদেশে বলা হয়, অবসর নেয়া সরকারি কর্মচারী ও সরকারি কর্মচারীর মৃত্যুর ক্ষেত্রে তাদের পরিবারের অবসর সুবিধা সঠিক সময়ে প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে অর্থ বিভাগের জারি করা বেসামরিক সরকারি কর্মচারীদের পেনশন মঞ্জুরি ও পরিশোধ সংক্রান্ত বিধি/পদ্ধতি অধিকতর সহজীকরণ আদেশ, ২০০৯ কে নিম্নরূপ আদেশ দ্বারা প্রতিস্থাপন করার জন্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যা সরকারি কর্মচারীগণের পেনশন সহজীকরণ আদেশ, ২০২০ নামে অভিহিত হবে। নতুন জারিকৃত পেনশন সহজীকরণ আদেশ, ২০২০ এ পেনশন সংক্রান্ত সব ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের বদলিতে এলপিসি ইলেকট্রনিক্যালি পূরণ করতে হবে এবং অনলাইনে প্রেরণ নিশ্চিত করতে হবে। কোনও সরকারি কর্মচারী পিআরএলে যাওয়ার তিন বছর আগের কোনও কাগজপত্র, রেকর্ড বা না-দাবি প্রত্যয়নপত্র তার কাছে চাওয়া যাবে না।

আদেশে বলা হয়, অবসর নেয়ার আগে ইএলপিসি পাওয়ার এক মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট চাকরিজীবীকে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। ওই আবেদনে প্রাপ্য ছুটি, ছুটি নগদায়ন, ভবিষ্যৎ তহবিলের স্থিতি উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে। এই আবেদন পাওয়ার পাঁচ মাসের মধ্যে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষ করবে। বিশেষ করে সরকারের আদায়যোগ্য অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ করে আদায়ের ব্যবস্থা করবে। এই প্রক্রিয়ার পর তিন মাসের মধ্যে কর্তৃপক্ষ অবসরোত্তর ছুটি, ছুটি নগদায়ন ও পেনশন মঞ্জুরিপত্র জারি করবেন।

সেখানে বলা হয়, ছুটি নগদায়ন মঞ্জুরির আদেশ পাওয়ার পর বিল দাখিলের তিন কর্মদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট পেনশনভোগীর ব্যাংক হিসাবে ওই টাকা চলে যাবে। প্রতি মাসের পেনশন পরবর্তী মাসের এক তারিখে পেনশনারের ইএফটি-এর মাধ্যমে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠাতে হবে। পেনশন মঞ্জুরির কাগজপত্র প্রাপ্তির ১০ কর্মদিবসের মধ্যে পেনশন নির্ণয়-সংক্রান্ত হিসাব যথাযথভাবে যাচাইপূর্বক সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিস পেনশন পরিশোধ আদেশ (পিপিও) জারি করা হবে। আনুতোষিকের টাকার চেক বা ইএফটি পিআরএল শেষ হওয়ার পর দিন চূড়ান্ত অবসরগ্রহণের দিন সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর নিকট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রেরণ নিশ্চিত করতে হবে। অনুত্তোলিত পেনশন এবং বকেয়া পেনশনের ক্ষেত্রে সাত কর্মদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তিকরণ: ইএফটি জেনারেট করতে হবে। অডিট আপত্তি থাকিলে ৩ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। বিভাগীয় মামলা থাকলে তা চূড়ান্ত অবসর গ্রহণের এক বছরের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: